মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

এক নজরে উখিয়া

সাধারণ তথ্যাদি

        

জেলা   কক্সবাজার
উপজেলা   উখিয়া
সীমানা   পূর্বেঃ মায়ানমার, নাইক্ষ্যংছড়ি (বান্দরবান), পশ্চিমেঃ বঙ্গোপসাগর, উত্তরেঃ রামু উপজেলা, দক্ষিণেঃ টেকনাফ।
জেলা সদর হতে দূরত্ব   ২৯ কি:মি:
আয়তন   ২৬১.৮০ বর্গ কিলোমিটার
জনসংখ্যা   ২,৭,৩৭৯ জন, পুরুষ- ১,০৪,৫৬৭ জন, মহিলা-১,০২,৮১২ জন
কৃষি জমি   ১২৮১১ হেক্টর
বীচ   ৩০ কিঃমিঃ
লোক সংখ্যার ঘনত্ব   ৭৯২
মোট ভোটার সংখ্যা   ১,০৬,৪৪৫ জন (পুরুষ ভোটার- ৫৩,১৬৪ জন, মহিলা- ৫৩,২৮১ জন)
পেশা   কৃষি, মৎস্যজীবী, চাকুরী ও ব্যবসা
পরিবারের আয়তন গড়   ৫.৪৪ জন
বাৎসরিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার   ২.৯ (আদমশুমারী ২০১১)
মোট পরিবার(খানা)   ৩৭৯৪০টি
নির্বাচনী এলাকা   ২৯৭
গ্রাম   ৫৪টি
মৌজা   ১৩ টি
ইউনিয়ন   ০৫টি
পৌরসভা   নেই
এতিমখানা সরকারী   ০৪ টি
এতিমখানা বে-সরকারী   নেই
মসজিদ   ৩৭৮টি
বৌদ্ধ মন্দির   ৩৭ টি
নদ-নদী   ০৬ (খাল) টি
হাট-বাজার   ১০ টি
ব্যাংক শাখা   ০৭ টি
পোস্ট অফিস/সাব পোঃ অফিস   ০৬ টি
টেলিফোন এক্সচেঞ্জ   ০১ টি
ক্ষুদ্র কুটির শিল্প   নেই
বৃহৎ শিল্প   নেই
সাইক্লোন সেন্টার   ৩১টি
হেলথ কমপ্লেক্স   ০১ টি
কমিউনিটি ক্লিনিক   ১৫টি
স্বাক্ষরতা   ৩৬.৩০ (পুরুষ-৩৮.০ মহিলা ৩৪.৫)
ডিগ্রী কলেজ   ০১টি
কামিল মাদ্রাসা   ০১টি
আলিম মাদ্রাসা   ০২টি
মাধ্যমিক বিদ্যালয়   ১৩টি
দাখিল মাদ্রাসা   ১৪টি
নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়   ০৭টি
প্রাথমিক বিদ্যালয়   ৭৭টি
আশ্রয়ন/আবাসন   ০৪টি
ফায়ার সার্ভিস   ০১টি
টেলিভিশনউপ কেন্দ্র   ০১টি
মুক্তিযোদ্ধা   ৪০জন
কাস্টমস   ০১টি
মসজিদ   ৫০টি
বৌদ্ধ মন্দির   ৩৭টি
দুর্গা মন্দির   ০৪টি
তহসিল অফিস   ০৩টি
হাটবাজার   ১০টি

 

 

 

পটভুমি : বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশ দ্বিতীয় বৃহত্তম বদ্বীপ। ভৌগলিক অবস্থানগত কারণে বাংলাদেশ স্বভাবতই অন্যতম দূর্যোগ প্রবণ দেশ হিসাবে পরিগণিত। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে নানাবিধ প্রাকৃতিক দূর্যোগ এদেশের জন্য একটি পরিচিত দৃশ্যপট। দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে দূর্যোগ একটি বড় অমত্মরায়। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দূর্যোগ সমূহের মধ্যে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, বন্যা, খরা, নদী-ভাঙ্গন, ভূমিধ্বস, ভূমিকম্প ইত্যাদি অন্যতম। প্রাকৃতিক দূর্যোগকে সম্পূর্ণভাবে রোধ করা মানুষের হয়তো সম্ভব নয়। দূর্যোগের দীর্ঘদিনের ইতিহাস ও অভিজ্ঞতা বিবেচনা করলে দেখা যায় যে, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সার্বিক সচেতনতা করা গেলে দূর্যোগের ÿয়ÿতি অনেকাংশে কমে যেতে পারে। এ বিষয়কে বিবেচনায় রেখে প্রস্ত্ততি, ঝুঁকিহ্রাস, জরম্নরি সাড়া প্রদানসহ বিভিন্ন প্রেÿাপটে করণীয় নির্ধারণের লÿÿ্য বাংলাদেশ সরকার প্রণীত আইন ও স্থা্য়ী আদেশাবলীর আলোকে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপত্মর Comprehensive Disaster Management Planপ্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে যা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনার ÿÿত্রে একটি মাইলফলক হিসাবে কাজ করবে।

বাংলাদেশের প্রতিটি জেলাই নানারকম কোন না কোন দূর্যোগের দ্বারা আক্রামত্ম হয়। তবে তুলনামূলকভাবে উপকূলীয় জেলাসমূহ বেশী দূর্যোগের দ্বারা আক্রামত্ম ও ÿতিগ্রসত্ম হয়। বাংলাদেশের ১৯টি উপকূলবর্তী জেলার মধ্যে ককসবাজার অন্যতম। ককসবাজার জেলার ৮টি উপজেলার ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় উখিয়া উপজেলা একটি দূর্যোগ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা। বঙ্গোপসাগরের তীরে অবস্থিত পাহাড় সমেত এই ভূখন্ডে পাহাড়ী ঢলে আকষ্মিক বন্যা, জলাবদ্ধতা, ঘূর্ণিঝড়, অতিবৃষ্টি অন্যতম প্রাকৃতিক দূর্যোগ যা এতদ্বাঞ্চলের মানুষের জান-মালের ব্যাপক ÿতি সাধন করে থাকে। এমতাবস্থায় দূর্যোগের সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থাপনা ও ঝুঁকি হ্রাসের লÿ্যকে সামনে রেখে এই সমন্বিত পরিকল্পনা প্রস্ত্তত করা হয়েছে।

 

১.২ পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্যঃ

সাম্প্রতিককালে সারা বিশ্বময় ঘূর্ণিঝড়সহ অন্যান্য আপদ/দূর্যোগ যেমন- তীব্র গরম, কালবৈশাখী, জলোচ্ছাস, জোয়ারের পানির পস্নাবন, অসময়ে বৃষ্টি, কুয়াশা, লবণাক্ততা ও আবহাওয়ার মধ্যে এক প্রকার বিরূপ পরিবর্তন পরিলক্ষিত হচ্ছে। উখিয়া উপজেলাটি বঙ্গোপসারের জলসীমা তীরবর্তী একটি পাহাড়ী উপজেলা হওয়ার কারণে প্রতিবছর কোন না কোন প্রাকৃতিক দূর্যোগ এই এলাকায় আঘাত হানে। ফলে উপজেলার অধিবাসীরা সামগ্রীকভাবে সর্বাধিক ÿতিগ্রসত্ম এবং  দূর্যোগের ঝুঁকিতে থাকেন। এই বিদ্যমান আপদ/দূর্যোগের সম্ভাব্য ঝুঁকি চিহ্নিত করে তা নিরসনের কার্যকরী পরিকল্পনা গ্রহণ এবং দূর্যোগকালীন সময়ে প্রয়োজনীয় পদÿÿপ গ্রহণ করার লক্ষ্যে একটি ‘‘উপজেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা’’ প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এই পরিকল্পনার সুনির্দিষ্ট লÿ্য নিমেণ সন্নিবেশিত করা হলোঃ                                                                                                                                         

·        পরিবার ও সমাজ পর্যায়ে দূর্যোগের ঝুঁকি সর্ম্পকে গণসচেতনতা সৃষ্টি ও সকল প্রকার ঝুঁকি হ্রাস করণে পরিবার, সমাজ, স্থানীয় প্রশাসন ও জেলা প্রশাসন পর্যায়ে বাসত্মবসম্মত পদÿÿপ গ্রহণ করতে সহায়তা করবে।

·        স্থানীয় উদ্যোগে যথাসম্ভব স্থানীয় সম্পদ ব্যবহারের মাধ্যমে ঝুঁকি হ্রাসকরণ ও ব্যবস্থাদির বাসত্মবায়ন পদ্বতির উন্নয়ন সাধন।

·        অপসারন, উদ্ধার, চাহিদা নিরম্নপন, ত্রাণ ও তাৎক্ষনিক পুর্নবাসন ব্যবস্থার জন্য স্থানীয়ভাবে প্রনীত পরিকল্পনার অনুশীলন ও প্রয়োগ।

·        উপজেলার জন্য দূর্যোাগ সংক্রামত্ম একটি নির্দিষ্ট কৌশলগত দলিল হিসাবে কাজ করবে।

·        দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি ও সংশিস্নষ্ট বিভাগে (সরকারী, আমর্ত্মজাতিক ও জাতীয় এনজিও সংস্থা, দাতা) প্রতিটি পর্যায়ে এটি সার্বিক পরিকল্পনা হিসাবে গণ্য হবে।

·        দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংশিস্নষ্ট অংশীজনদের পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাসত্মবায়নে নির্দেশনা প্রদান করবে।

·        সংশিস্নষ্ট কমিউনিটির দূর্যোগ পরিকল্পনায় আমত্মরিকভাবে অংশগ্রহণ, কার্যকর অংশীদারিত্ব ও মালিকানাবোধ জাগ্রত করবে।

 

১.৩ উখিয়া উপজেলার এলাকা পরিচিতিঃ

উখিয়ার প্রাচীন ইতিহাস থেকে জানা যায়, এক সময় সমগ্র উপজেলাটি গভীর জঙ্গলে পরিপূর্ণ ছিল। ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর রেকর্ডপত্রে উখিয়ার শব্দের ব্যবহারব্যাপকভাবে দেখা যায়। ইতিপূর্বে উখিয়া শব্দটি তেমন উলেস্নখযোগ্য ভাবে আলোচিত হয়নি। ১৮১৪ সালে ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর রেকর্ডপত্রে উখিয়ার ঘাট শব্দের উদ্ভব। জনশ্রম্নত আছে যে, রোসাঙ্গ যেতে এই উখিয়ার ঘাট পার হয়ে যাওয়া ছাড়া অন্য কোন ব্যবস্থা ছিল না। তৎকালীন সময়ে এই উখিয়া ঘাটের ট্যাক্স আদায় করার দায়িত্বে ছিলেন ‘উখি’ নামের বার্মিজ ভাষাভাষি এক মগ। কালের বিবর্তনে তার নামানুসারে ঐ ঘাটের নাম হয় উখি আ’ শব্দটি। এই উখি আ’ ঘাট বাক্য থেকে পরবর্তীতে ঘাটটি বিলুপ্ত হয়ে উখিয়া হয়ে গেছে বলে অনুমান করা হয়। উখিয়া উপজেলা কক্সবাজার জেলার দÿÿণ পূর্ব দিকে অবস্থিত একটি উপজেলা। উখিয়া উপজেলার দÿÿণে টেকনাফ উপজেলা এবং পশ্চিমে ইনানী বীচ আর পূর্বে মায়ানমার সীমামত্মবর্তী এলাকা এবং বান্দরবান জেলা। উখিয়া উপজেলায় বন, পাহাড়, সমূদ্র সৈকত ছাড়াও চিংড়ী হ্যাচারীসহ অনেক সম্পদ ও স্থাপনা রয়েছে।  

 

১.৩.১. উখিয়া উপজেলার ভৌগলিক অবস্থানঃ

উখিয়া কক্সবাজার জেলার একটি উপজেলা। উখিয়া উপজেলার দক্ষিণে টেকনাফ উপজেলা, পূর্বে নাফ নদী ও বান্দরবান পার্বত্য জেলার নাইক্ষ্যংড়ি উপজেলা, উত্তরে রামু উপজেলা ও পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর। দক্ষিণে টেকনাফ উপজেলা সীমানা। উখিয়া ২১.০৮র্ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে উত্তর অক্ষাংশ ও ৯২.০৩র্ দ্রাঘিমাংশ হতে এবং ৯২.১২র্ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত। উখিয়া উপজেলা সদর ককসবাজার জেলার সদর থেকে ৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত। ভূ-প্রাকৃতিক অবস্থার দিক দিয়ে উখিয়া উপজেলার একটি বৈচিত্র রয়েছে। উপজেলার একদিকে সাগর ও সমুদ্র তীরবর্তী নিচু এলাকা, অন্যদিকে রয়েছে সুউচ্চ পাহাড় ও বনভূমি। মধ্যখানে সমতল ভূমি উপজেলার কৃষি উৎপাদনকে সমৃদ্ধ করেছে। এলাকার মাটি বেলে ও দোআঁশ দিয়ে গঠিত। সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চল এঁটেল আর বালি মাটির সংমিশ্রণ। সাগর পাড়ের মাটি বেলে।

এই উপজেলারপ্রাকৃতিক সম্পদের সমাহার যেমন- বিশেষভাবে সমুদ্র সৈকত উলেস্নখযোগ্য। এছাড়াও রয়েছে পাহাড়, সংরক্ষিত বনভূমি, খাল, জমি, গাছ-পালা,মৎস্য সম্পদ, পশু ও পাখি ইত্যাদি। উখিয়া উপজেলার কয়েকটি পরিচিত খাল রয়েছে যেমন- রেজু খাল, বড় ইনানী খাল, ছোট ইনানী খাল, মাছকারিয়া খাল, বালুখালী খাল, থিমছড়ি খাল, পালংখালী খাল, হিজলিয়া খাল, থাইনখালী খাল, ছোয়ানখালী খাল, দোছড়ি খাল, রত্নাপালং খাল উলেস্নখযোগ্য।  

 

১.৩.২. আয়তনঃ

উখিয়া উপজেলার মোট আয়তন ২৬১.৮০ বর্গকিলোমিটার বা ৪১,১৪৩ একর। উখিয়া উপজেলাটি মোট ৫টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত।  উপজেলার উত্তরে দিকে রয়েছে হলদিয়াপালং ইউনিয়ন এবং দক্ষিণ দিকে রয়েছে পালংখালী ইউনিয়ন। উখিয়ার পূর্বদিকে রত্নাপালং ও রাজাপালং এর কিছু অংশ এবং পশ্চিম দিকে রয়েছে রাজাপালং ও জালিয়াপালং ইউনিয়নের অবস্থান। এক নজরে উপজেলার ইউনিয়ন, ওয়ার্ড, মৌজা ও গ্রামঃ

 

মোট ইউনিয়ন     : ৫টি

মোট ওয়ার্ড         : ৪৫ টি

মোট মৌজা         : ১৩টি

মোট গ্রাম           : ১৩৯ টি

নিমেণ উপজেলার ইউনিয়ন ভিত্তিক ওয়ার্ড নং, গ্রামের নাম ও মৌজার নাম উলেস্নখসহ বিসত্মারিত তথ্য প্রদান করা হলোঃ

 

ইউনিয়নের নাম

ওয়ার্ড

গ্রামের নাম

মৌজার নাম

 

 

জালিয়াপালং

জুম্মপাড়া, প্যাইন্যাশিয়া, চরপাড়া

 

 মৌজা ২ টি :

 ১। জালিয়াপালং মৌজা

 ২। ইনানী মৌজা

 

সোনাইছড়ি, লম্বরিপাড়া,

সোনারপাড়া, বড়পাড়া,

ডেইলপাড়া, উত্তর নিদানিয়া,

নিদানিয়া

বড় ইনারী, ছোট ইনানী

মোঃ সফির বিলা, রম্নপপতি, ইমামের ডেইল

মাদার বনিয়া, চোযাংখালী, ছেপটখালী

মনখালী ও চাকমাপাড়া।

 

 

 

 রত্নাপালং ইউনিয়ন

মধ্য রত্না পালং, পূবর্ রত্নাপালং, ভালুকিয়া

 

 

 মৌজা ১ টি :

 রত্নাপালং মৌজা

ভালুকিয়া

ভালুকিয়া, থিমছড়ি, পূর্বকূল , তোলাতলী

আমতলী

চাকবৈঠা, করইবনিয়া

গয়ালমারা

রুহুল্লা ডেবা

টেকপাড়া

কোর্টবাজার, পশ্চিম রত্নাপালং, সাদ্দির কাটা

 হলদিয়া পালং

মধুঘোনা, কাঠালিয়া, বড়ুয়া পাড়া

 

 

 মৌজা ৪ টি :

০১ হলদিয়া পালং

০২ মরিচ্যা পালং মৌজা

০৩ পাগলির বিল মৌজা

০৪ রুমখা পালং মৌজা

ভালুকিয়া, পাগলির বিল, ঘোনার পাড়া, ছায়া খোলা

বক্তাতলী, লেঙ্গুর বিল, উত্তর বড় বিল

পাতাবাড়ী, খেওয়াছড়ি, লম্বাবিল

মধ্যম হলদিয়া

দÿÿন হলদিয়া, মৌলভী পাড়া, পলস্নান পাড়া

দক্ষিণ বড়বিল, ক্লাস পাড়া

ধুরংখালী, মহাজনপাড়া, জনবলিপাড়া

চৌধুরীপাড়া ও কুলালপাড়া।

 রাজাপালং

তুতুরবিল,রেজুরকূল ,পিনজীরকূল,রুমখা

মৌজা ৩ টি :

 

১। উখিয়া মৌজা

২। রাজাপালং মৌজা

৩। ওয়ালাপালং মৌজা

কাশিয়ারবিল,হিজলিয়া,মধ্য রাজাপালং,পশ্চিমখালকাচা পাড়া, রাজাপালং, জাদিমোরা,দÿÿণখালকাচা, উত্তরপুকুরিয়া, দ: পুকুরিয়া

হরিণমারা, হারাশিয়া, দুছড়ী

প:ডিগলিয়া, পূর্বডিগলিয়া, চাকবৈঠা, ডিগলিয়া

ঘিলাতলী, প:সিকদারবিল, মৌ:পাড়া, মালভিটা পাড়া, সিকদারবিল

ফলিয়া পাড়া, মৌঃপাড়া, ঘিলাতলী, মধুরছড়া, মাছকারিয়া, দঃ ফলিয়া পাড়া , মো:আলী ভিটা, হাজী পাড়া

ডেইল পাড়া, তুলাতলী, করইবনিয়া, টাইপালং,

পূর্ব দরগার বিল, প: দরগার বিল, লম্বাঘোনা,

কুতুপালং,ধইল্যারঘোনা,স্বর্ণ পাড়া, পি এফ পাড়া, পশ্চিম পাড়া, পূর্ব পাড়া, দÿÿণ পাড়া, উত্তর পাড়া,  শৈলের ডেবা, পাতাবাড়ি, হাঙ্গরঘোনা

 

 

 

 

পালংখালী

পশ্চিম বালুখালী, জুমেরছড়া, উখিয়ারঘাট, পুরান পান বাজার

 

মৌজা ৩ টি :

 

 

১। পালংখালী মৌজা

২। উখিয়া ঘাট মৌজা

৩। উখিয়ার ঘাট রিজার্ভ

     ফরেষ্ট মৌজা।

 

ধামনখালী, শিয়ালিয়া পাড়া, বালুখালী

উত্তর রহমতের বিল, দক্ষিণ রহমতের বিল

তাজনিমারখোলা,গজুঘোনা

থাইংখালী, জামতলী, ঘোনার পাড়া হাকিম পাড়া

তেলখোলা, মুছারখোলা

পালংখালী পশ্চিম, পালংখালী পূর্ব, গয়ালমারা

নলবনিয়া ফারীর বিল, বাদিতলী

আঞ্জিমানপাড়া, পশ্চিম ফারির বি, পশ্চিম ফারির বি, বটতলী

 

 

 

 

 

১.৩.৩ জনসংখ্যাঃ

 

উখিয়া উপজেলায় নারী পুরম্নষের সংখ্যা প্রায় কাছাকাছি। তবে উপজেলার ভোটারের সংখ্যার মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক। মোট ৫টি ইউনিয়নের মধ্যে সর্বনিমণ জনবসতি ইউনিয়ন হচ্ছে রত্নাপালং ইউনিয়ন এবং রাজাপালং হলো সবার্ধিক ঘনবসতি ইউনিয়ন। নিমেণ উপজেলার ইউনিয়ন ভিক্তিক নারী-পুরম্নষ, শিশু, বৃদ্ধ, প্রতিবন্ধীসহ মোট খানা, ভোটার এবং মোট জনসংখ্যার চিত্র তুলে ধরা হলোঃ

 

ইউনিয়

পুরম্নষ

মহিলা

শিশু

(০-১৫)

বৃদ্ধ (৬০+)

প্রতিবন্ধি

মোট জনসংখ্যা

পরিবার / খানা

ভোটার

জালিয়াপালং

২৪৫৪০

২৩১১৬

১২৫৯৪

2335

৩৭৫

৪৭৬৫৬

৮৫১১

২২৫০৮

রত্নাপালং

১১১৬৭

১১৩৫৭

৫৯৫২

1104

২৩৮

২২৫২৪

৪২৩৮

১৩৭৪৭

হলদিয়াপালং

২৩৬৮৯

২৩৭৭২

১২৫২৩

2325

৩৮২

৪৭৪৬১

৯০০৬

২৪৮০৩

রাজাপালং

২৮৬৬৩

২৮২৩২

১৫০৩৬

2788

৪৮০

৫৬৮৯৫

১০৫৯৬

৩০২৮৭

পালংখালী

১৬৫০৮

১৬৩৩৫

৮৬৭৯

1609

৪৩৭

৩২৮৪৩

৫৫৮৯

১৪৮০০

মোট

১,০৪,৫৬৭

১,০২,৮১২

৫৪,৮০৪

10,161

1,812

২,০৭,৩৭৯

৩৭,৯৪০

১,০৬,৪৪৫

 

১.৪ অবকাঠামো ও অবকাঠামো সংক্রামত্ম তথ্যগুলোর সংÿÿপ্ত বর্ণনা প্রদান করা হলোঃ

১.৪.১ অবকাঠামো

 

বাঁধঃউখিয়া উপজেলায় মোট ৩টি বাঁধ রয়েছে। এরমধ্যে ২টি রয়েছে জালিয়াপালং ইউনিয়নে এবং অপরটি পালংখালী ইউনিয়নে। বাঁধগুলো কোন আশ্রয়কেন্দ্র হিসাবে ব্যবহার হয় না। নিচে বাঁধগুলোর বর্ণনা প্রদান করা হলোঃ

 

বাঁধের নাম

বাঁধের দৈর্ঘ্য ও উচ্চতা

বাঁধের অবস্থান

ইউনিয়ন/ওয়ার্ডে

আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহvরহয় কিনা

রেজু খালের বাঁধ

দৈর্ঘ্য-৬ কি:মি:   

উচ্চতা:-৬ - ৭ ফুট

কুমার ঘাটের ব্রীজ হতে সোনার পাড়া নিরিবিলি হ্যাচারী পর্যন্ত

জালিয়াপালং ইউনিয়ন- ১নং, ২ নং ও ৩ নং ওয়ার্ড

 

না

মনখালী খালের বাধ

দৈর্ঘ্য-১ কি:মি:     উচ্চতা: ৬-৭  ফুট

কুনারপাড়া হতে মনখালী বিট অফিসের প: পাশ পর্যন্ত

জালিয়াপালং ইউনিয়ন-৯ নং ওয়ার্ড  এর অংশ বিশেষ

না

ওয়াপদা সাইড বেড়ী বাঁধ

১২ কি: মি: (প্রায়)

উচ্চতা ৭-১০ফুট

বালুখালী বাজারের পূব পাশ,অর্থাৎ ইসলাম মেম্বারের বাড়ির পূবর্ পাশ হতে পালংখালী খালের মুখ পর্যন্ত।

পালংখালীইউনিয়ন১,২,৩ ও ৯ নং ওয়ার্ড এর অংশবিশেষ ।

 

না

 

সস্নুইচ গেইটঃ উপজেলায় সবেমাত্র ২টি সস্নুইচ গেইট রয়েছে। এই সস্নুইচ গেইটগুলো বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে বন্যার পানির জলবদ্ধতার সময় গেইটগুলো ব্যবহার করে পানি নিষ্কাশনে ব্যবহার করা হয়। নিচে সস্নুইচ গেইট ২টির অবস্থান দেয়া হলোঃ

 

স্লুইচ গেইটের নাম

কোন নদী বা খালের সংযোগস্থলে

কোন ইউনিয়নের কোন ওয়ার্ডে অবস্থিত

কাজ করে কিনা

করইবনিয়া স্লুইচ গেট

করইবনিয়া খাল

রত্নাপালং ইউনিয়ন- ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ড সীমানার মাঝামাঝি এই সস্নুইচ গেইট  অবস্থিত

হ্যাঁ

উত্তর পুকুরিয়া স্লুইচ গেট

দুছুরি ছড়ার উপর

রাজাপালং ইউনিযন -২ নং ওয়ার্ড

হাঁ

 

রাবার ড্রাম-২টি

 

রাবার নাম

কোন নদী বা খালের সংযোগস্থলে

কোন ইউনিয়নের কোন ওয়ার্ডে অবস্থিত

কাজ করে কিনা

তিমছড়িরাবার ড্যাম

তিমছড়ি  খালের উপর)

রত্নাপালং ইউনিয়ন (৩নং ওয়ার্ড)

হ্যাঁ

হিজলিয়া রাবার ড্যামখাল

হিজলিয়া খাল

রাজাপালং ইউনিযন( ২নং ওয়ার্ড)

হাঁ

 

ব্রীজঃ উপজেলার মোট ৫টি ইউনিয়নের বিভিন্ন অংশে ছোট বড় অনেকগুলো ব্রীজ রয়েছে যা এলাকার জনগণের যাতায়াতের সহায়ক হিসাবে কাজ করছে। বর্তমানে উখিয়া উপজেলায় মোট ১৮২টি ব্রীজ রয়েছে যার বিসত্মারিত নাম, কোন খাল বা নদীর উপর, কোন ইউনিয়নের কোন ওয়ার্ডের এবং মানুষের চলাচলে উপযোগী কিনা তা নিচে ছক অনুসারে প্রদান করা হলোঃ

 

·        জালিয়াপালং–জালিয়াপালং ইউনিয়নে মোট 70টি ব্রীজ রয়েছ। ১নং ওয়ার্ডএর রেজু খালের উপর কোমারঘাটের ব্রীজও পাইন্যাশিয়া ব্রীজঅবস্থিত। ২নং ওয়ার্ডের সোনাই ছড়ি ছরা এর উপর সোনাই ছড়ি ব্রীজ, পেকুয়া ছড়ি ছরার উপর প: সোনাই ছড়ি ব্রীজএবং এছাড়া বিট অফিসের পূর্ব: পাশের ব্রীজ, মফিজুল্লা মেম্বারের  বাড়ির পাশে রাস্তার ব্রীজ, লম্বরিপাড়া কবির আহ: বাড়ির পাশের রাস্তার  ব্রীজঅবস্থিত। ৩নং ওয়ার্ডের রেজুখালেরউপর মাঠের ছরাব্রীজ, মরা ছরার উপর জাকের হোসেন মাষ্টারের বাড়ির পাশের রাস্তার ব্রীজ, দুনার বাপের কবর স্থানের পাশের ব্রীজ, দুনার বাপের দোকানের দ : পাশের  ব্রীজ, আবদু সালামের বাড়ির পাশে রাস্তার ব্রীজ, মৌ: আবুল বশর বাড়ির পাশের ব্রীজ, ইউছুফ আলী মেম্বারের বাড়ির পাশের ব্রীজ, আবুল কালাম বাড়ির পাশের ব্রীজ, সী বীচরোডের রাস্তার ব্রীজ, রেডিয়ান নার্সারীর সামনে রাস্তার ব্রীজ, নুরুল আমিনের রাস্তার পাশের  ব্রীজ, কাপড় ফুড়ার ছরাব্রীজ অবস্থিত। ৪নং ওয়ার্ডে মোট ৯টি ব্রীজ রয়েছে, সেগুলো বড়ছড়াব্রীজ,তেতুল গাছতলা ব্রীজ, উ: নিদানিয়া কবরস্থানের পাশের ব্রীজ-২টি, বাদাম তলী ব্রীজ, নিদানিয়া খেলার মাঠের প: পাশের ব্রীজ, আবদল মাজেদ কোং রাস্তার মাথার ব্রীজ,  মুহামদ আলী বাড়ির পাশে ব্রীজ ,আবুল কালাম বাড়ির পাশে ব্রীজ। ৫নং ওয়ার্ডে মোট ৫টি ব্রীজ রয়েছে। সেগুলো হলো- মকসুদ মেম্বারের দোকানের পাশের ব্রীজ, মকসুদ মেম্বারের বাড়ির পাশেরব্রীজ,  আনোয়ারা মেম্বারের বাড়ির পাশেরব্রীজ, ছৈয়দ উল্লাহ (হুন্ডি) বাড়ির পাশেরব্রীজ, নিদানিয়া  সোনালীহ্যাচারীররাস্তার পাশের ব্রীজ। ৬নং ওয়ার্ডে মেটি ১৩টি ব্রীজ রয়েছে। সেগুলো হলো - খলিল সিকদারের রাস্তার পাশের ব্রীজ ২টি, আহমদ সিকদারের বাড়ির পাশে ব্রীজ,  ঘোনা মোড়ের রাস্তার ব্রীজ, বদি উদ্দিনের বাড়ির পূর্ব পাশেরব্রীজ, মিশন গ্রুপ পাশের রাস্তার ব্রীজ, ছোটখাল ব্রীজ,  বড়খালের ব্রীজ, মৌ: শাহ আলমের রাস্তার উ: পাশের ব্রীজ, মরিচ্যা ছরার উপর ব্রীজ-২টি,  মৌ: মোকতারেরবাড়ির পাশে ব্রীজ, হাজী ছারা উল্লাহ রাস্তার ব্রীজ। ৭নং ওয়ার্ডে মেটি ২৭টি ব্রীজ রয়েছে। সেগুলো হলো- সফির বিল ব্রীজ ২টি, বরগিয়া ছরাব্রীজ, ডাকছড়া ব্রীজ-৩টি, ফরিজা আলী ছড়া ব্রীজ, ছেংছড়ী ব্রীজ, ছেংছড়ী ব্রীজ ২টি, রুপপতি ছরাব্রীজ ২টি, সিপাহী ছরাব্রীজ ২টি ,ছোট বাইলাখালী ব্রীজ২টি, বড় বাইলাখালী ব্রীজ-২টি, খাইন্দা কাটা ব্রীজ ২টি, ইমামের ডেইল ব্রীজ , ইমামের ডেইল  বড় ছরাব্রীজ ২টি, ছৈয়াংখালী ব্রীজ ২টি , মো: সফির বিল ব্রীজ । ৮নং ওয়ার্ডে ৪টি ব্রীজ রয়েছে । সেগুলো যথাক্রম-ছেপট খালী আবুল কালাম বাড়ির পাশে ব্রীজ, মিতা ছরাব্রীজ, বুয়াংখালী ব্রীজ, ছুয়াংখালী  ব্রীজ। ৯নং ওয়ার্ডে মেটি ৮টি ব্রীজ। সেগুলো-মনখালী ব্রীজ, ডাব বিল ছরাব্রীজ, গরজন বনিয়া ব্রীজ, বাঘঘোনা রফিক আহমদ স: দোকানের পাশের, ঘোনার বিল কাশেম বাড়ির প: ব্রীজ, মনিরুল হকেরদোকানের পাশের ব্রীজ, জাহেদের বাড়ির পাশে ব্রীজও আয়ুব এর বাড়ির পাশে ব্রীজ।

 

·         রত্নাপালং ইউনিয়নের১নং ওয়ার্ডে মোট ৩১টি ব্রীজ রয়েছে। সেগুলো হলো মধ্য- রত্নাপালং  দিদারুল আলমের বাড়ির পাশের ব্রীজ, আরকান সড়ক মেইন রোডের উপর ব্রীজ-২টি, আরকান সড়ক মেইন রোডের উ:পাশে  ব্রীজ, কোট বাজারের প:পাশে সোনার পাড়া রোডে ব্রীজ-২টি, ভালুকিয়া রোডে মাতবর পাড়া বেলয়ার মা মসজিদের পূর্ব পাশে ব্রীজ, কালা চাঁন রোডে ইউপি- কমিউনিটি ক্লিনিকের পাশে ব্রীজ, খন্দকান পাড়া শাহাজাহানের বাড়ির পাশে ব্রীজ, খন্দকান পাড়া জামে -মসজিদের পাশে ব্রীজও জাম্মরপাড়া রত্না খালের উপর ব্রীজ। ২নং ওয়ার্ডে রয়েছে একমাত্র থিমছড়ি খালের উপর ব্রীজ। ৩নং ওয়ার্ডে ২টি ব্রীজ। সেগুলো হলো হারুনমেম্বারের বাড়ির পাশের ব্রীজও তুলাতলী মৌ: আলী আহমদের বাড়িরপাশের ব্রীজ।৬নং ওয়ার্ডে মোট ৬টি ব্রীজ। সেগুলো যথাক্রমে, ছৈয়দ আহমদের  বাড়ির পাশের ব্রীজ,  গয়ালমারা কবর স্থানের উ: দ: পাশে ব্রীজ-২টি, ফকির পাড়া মাষ্টার মাহমুদ হোসনের বাড়ির উ: পাশের ব্রীজ, গয়ালমারা সাইক্লোনসেন্টারেরদ: পাশে ব্রীজ। ৭নং ওয়ার্ডে রয়েছে মোট ৪টি ব্রীজ -হাকিম আলী মেস্ত্রীর বাড়ির পাশে রেজুখালের উপর ব্রীজ-২টি,  রহুল্লারডেবা নাজির মুন্সির বাগানের পাশের ব্রীজও জামেশ্রী ছড়ার উপর ব্রীজ-২টি। ৮নং ওয়ার্ডে রয়েছে মোট ৭টি ব্রীজ - আরকান রোডের পাশের ব্রীজ, আশরাফ উদ্দিনের বাড়ির উ: পাশের ব্রীজও শামশের আলম আলম চৌং বাড়ির উ: পাশের ব্রীজ, জলিল আহমেদ(বান্টু) বাড়ির পূর্ব পাশের ব্রীজ,ভালুকিয়া রোডের মাথায় ব্রীজ, নতুন ইউপি ভবনের রাস্তার পাশের ব্রীজও  ফরিদ সচিবের বাড়ির পাশের ব্রীজ। আর ৯নং ওয়ার্ডে রয়েছে মোট ৫টি ব্রীজ - প: রত্না রেজু খালের উপর ব্রীজ, রত্না হতে তুতুরবিল  সড়কের উপর ব্রীজ, জামেন্না ছড়ার উপর ব্রীজ, হিজলিয়া রোডে ব্রীজও খুরশেদ আলমের বাড়ির পাশে ব্রীজ।

 

·        হলদিয়াপালং ইউনিয়নেরহলদিয়া পালং মোট ১৯ ব্রীজ রয়েছে যেগুলো ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে অবস্থিত। ইউনিয়নে ১নং ওয়ার্ডে রয়েছে একমাত্র ব্রীজ। সেটি হলো- মন্ডল পাড়া ছরার উপর-১টি। ২নং ওয়ার্ডে রয়েছে পশ্চিম ঘোনার পাড়া  ব্রীজ-১টি।৩নং ওয়ার্ডে রয়েছে-২টি ব্রীজ। সেগুলো হলো- উত্তর বক্তাতলী মসজিদের পাশের  ব্রীজ -১টিও লম্বা ব্রীজ-১টি। ৪নং ওয়ার্ডে রয়েছে ৬টি ব্রীজ - ইসহাকের বাড়ির পাশে ব্রীজ-২টি, নাক্কি খালের উপর ব্রীজ-১টি, জামেত্রী খালের উপর ব্রীজ-১টি, ঘোলশূন্য ঘোদা ব্রীজ-১টিও পাতাবাড়ি খালের উপর ব্রীজ-১টি। ৬নং ওয়ার্ডে রয়েছে মাত্র একটি ব্রীজ, শাপানিশা ছড়া উপর-১টি। ৭নং ওয়ার্ডে রয়েছে ২টি ব্রীজ রয়েছে - ইব্রাহীম মাষ্টারেরবাড়ির পাশে ব্রীজ -১টিও সিরাজমিস্ত্রীর বাড়ির পাশেরব্রীজ। ৮নং ওয়ার্ডেও রয়েছে ২টি ব্রীজ। সেগুলো- হাজীর পাড়া নাছির হোসেনের বাড়ির পাশে ব্রীজও কবরস্থানের পাশে রাস্তার ব্রীজ-১টি। ৯নং ওয়ার্ডে রয়েছে মোট ৬টি ব্রীজ। সেগুলো-চৌং পাড়া রেজু  ব্রীজ, রুমখা তেচ্ছাখালী ব্রীজ, রুমখা কবরস্থান পাশের ব্রীজ-১টিও মরিচ্যা মেইন রোড হতে কোট বাজার পর্যন্ত-৩টি।

 

·        রাজাপালং ইউনিয়নেরএই ইউনিয়নের মোট ৪৫টি ছোট বড় ব্রীজ রয়েছে। যেমন- ১নং ওয়ার্ডের অধীনে রয়েছে ৫টি ব্রীজ। সেগুলো যথাক্রমে, পিংজিরকূল রাস্তার পাশে ব্রীজ, রাজাপালং তুতুরবিল ব্রীজ, পিংজিরকূলকাঠের ব্রীজ, তুতুর ছরাব্রীজ ও তুতুর বিল কাঠের ব্রীজ। ২নং ওয়ার্ডের অধীনে মেটি ৯টি ব্রীজ রয়েছে। সেগুলো যথাক্রমে, মধ্য রাজাপালং দুচুবিখাল উপর ব্রীজ-৩টি, হিজলিয়া খালের উপর ব্রীজ-২টি, প: পাড়া কবরস্থানে পাশে  ব্রীজ, মুকবুল মুনশি বাড়ির পাশে ব্রীজ, এমপি সাহেবের বাড়ি পাশে ব্রীজও জাদিমোরা আবুল হোসেনের বাড়ির পাশে ব্রীজ। ৩নং ওয়ার্ডে মোট ৯টি ব্রীজ রয়েছে। সেগুলো যথাক্রমে, হরিণ মারা রাস্তার  ব্রীজ, ঘোনা মসজিদের পাশের ব্রীজ, চেংখোলা ছৈয়দুর রহমানের বাড়ির পাশের  ব্রীজ, শামশু আলমের বাড়ির পাশের ব্রীজ, হরিণমারা নুর আহমদের বাড়ির পাশের ব্রীজ, হরিণমারা মৌ:মোহাম্মদ কাশেমের বাড়ির পাশের ব্রীজ,  কুমার পাড়া অজিত ঘোষের বাড়ির পাশের ব্রীজ, হরিণমারা আবদুল খালেকের বাড়ির পাশের ব্রীজ, উলামিয়া বাড়ির পাশের ব্রীজও  দুছরি শফিকুর রহমানের বাড়ির পাশের ব্রীজ।  ৪নং ওয়ার্ডে রয়েছে ৩টি ব্রীজ। সেগুলো যথাক্রমে- প:ডিগলিয়া ছন্না বর ব্রীজ, গয়ালমারা খালের ব্রীজ, ডিগলিয়া ছরা ব্রীজ। ৫নং ওয়ার্ডে রয়েছে ৮টি ব্রীজ। সেগুলো যথাক্রমে- উখিয়া বালিকা উচ্চ বি: পাশের ব্রীজ, ফায়ার সাভির্স পাশের ব্রীজ, বটতলী স্টেশনের ব্রীজ, আবদুল করিম মেম্বারের সামনের ব্রীজ, বানকি মোহন বড়ুয়ার বাড়ির সামানের ব্রীজ, বাবুল  মেম্বারের বাড়ির সামনের মেইন রোডের  ব্রীজ, পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনের ব্রীজ ও ইসমাইল মিস্ত্রীর দোকানের সামনের ব্রীজ। ৬নং ওয়ার্ডে রয়েছে মোট ৯টি ব্রীজ। সেগুলো যথাক্রমে- লামারপাড়া ব্রীজ, ফলিয়াপাড়া ব্রীজ, মৌ: পাড়া  ছৈয়দ আকবরের পাশের ব্রীজ, গফুর মেম্বারের বাড়ির সামনের ব্রীজ, উখিয়া বাজারের মুখের ব্রীজ, হাজী পাড়া রাস্তার ব্রীজ-২টি, হাজী শামশুল আলমের বাড়ির পাশের ব্রীজ ও মালিয়ারকূল রাস্তার ব্রীজ। ৭নং ওয়ার্ডে রয়েছে ৩টি ব্রীজ। সেগুলো হলো- টাইপালংরাইস মিলের পাশের ব্রীজ, দীঘিরছরা ব্রীজ ও মধ্য ডেইল পাড়া হাফেজ খানা পাশের ব্রীজ। এবং ৯নং ওয়ার্ডে রয়েছে ৩টি ব্রীজ- কুতুপালং পূ:পাড়া ব্রীজ-২টি ও কুতুপালং বড়ুয়া পাড়া ব্রীজ।

 

·         পালংখালী ইউনিয়নেরঃএই ইউনিয়নে মোট ব্রীজের সংখ্যা ১৭টি। এইগুলো যথাক্রমে, ১নং ওয়ার্ডে রয়েছে মোট ২টি ব্রীজ- বালুখালী ব্রীজ ও বালুখালী ব্রীজ আর ৩নং ওয়ার্ডে রয়েছে একটি ব্রীজ। একইভাবে ৪নং ওয়ার্ডে রয়েছে ১টি মাত্র ব্রীজ। অন্যদিকে ৫নং ওয়ার্ডে রয়েছে মোট ৭টি ব্রীজ। সেগুলো হলো, থাইংখালী ব্রীজ-২ টি,  থাইংখালী ব্রীজ, হাকিম পাড়া প্রধান সড়ক ব্রীজ ও জামতলী ব্রীজ-৩টি। ৬নং ওয়ার্ডের অধীনে রয়েছে ৫টি ব্রীজ-মুছার খোলা ব্রীজ, তেলখোলা রাস্তার ব্রীজ-২টি, তেলখোলা রাস্তার ব্রীজও তেলখোলা রাস্তার ব্রীজ। উক্ত ইউনিয়নে ৭নং ওয়ার্ডে রয়েছে মেটি ৫টি ব্রীজ। সেগুলো হলো, শফিউল্লাকাটা রাস্তার ব্রীজ, গয়ালমারা ব্রীজ, উত্তর পালংখালী ব্রীজ, নারাংখালী ব্রীজও পালংখালী সীমান্ত ব্রীজ।

 

কালভার্টঃ উখিয়া উপজেলায় ছোট বড় অনেকগুলো কালভার্ট রয়েছে। বিশেষভাবে গ্রামে সাধারণ মানুষের চলাচল এবং বর্ষার পানি নিষ্কাশনের জন্য এই কালভার্টগুলো নির্মিত হয়েছে। উপজেলার ৫ ইউনিয়নে মোট ৪২১ ছোট বড় কালভার্ট রয়েছে। প্রায়ই প্রতিটি কালভা©র্টর অবস্থা ভাল আছে। নিমেণ কালভার্ট সমূহের বিসত্মারিত বিবরণ যেমন- নাম, কোন নদী  বা খালের উপর, কোন ইউনিয়ন বা ওয়ার্ডে অবস্থিত এবং কার্যকর অবস্থায় আছে কিনা বিসত্মারিত বর্ণনা ছক অনুসারে প্রদান করা হলোঃ

 

·        জালিয়াপালং ইউনিয়নেরঃ  এই ইউনিয়নে মোট ৯২টি কালভার্ট রয়েছে। ১নং ওয়ার্ডে অধীনে নুরল হক মেম্বারের বাড়ির সামনের কালভার্ট, ফরিদের দোকানের সামনে কালভার্ট, ছৈয়দ আলমের বাড়ির সামনের কালভার্ট, আবুর দোকানের সামনের  কালভার্ট, মোস্তাক মেম্বারের বাড়ির সামনের কালভার্ট, নুরুল আমিন চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনের কালভার্ট, আবুল বশরের বাড়ির  সামনের কালভার্ট, পূর্ব পাইন্যাশিয়া স:প্রা: বি: পূ:পাশের রাস্তার কালভার্ট, জুম্মাপাড়া রাস্তার কালভার্ট-৪টি, বিজিএস রাস্তার কালভার্টও উ:পাড়া রাস্তার মাথার  কালভার্ট। ২নং ওয়ার্ডের অধীনে উত্তর পাড়া মসজিদের পাশের কালভার্ট, লম্বারি পাড়া রাস্তার কালভার্ট, লাল বেলালের বাড়ির সামনের কালভার্ট, ইদরিছ মাষ্টাররে বাড়ির সামনের কালভার্ট,  সওদাগর পাড়া মসজিদের পাশে কালভাট, দীঘির দক্ষিন পাশে কালভাট, সোনাইছড়ি স:প্রা:বি উ: পাশের রাস্তার কালভার্ট, জালাল আহমদের রাস্তার কালভার্ট, ও সোনাইছড়ি রাস্তার কালভার্ট। ৩নং ওয়ার্ডের অধীনে সোনার পাড়া বাজারের পূর্ব পাশে কালভার্টও সোনার পাড়া বাজারের প: পাশে কালভার্ট।৪নং ওয়ার্ডে আজিজুল হকের বাড়ির উ: পাশের কালভার্ট একটি মাত্র কালভার্ট। ৫নং ওয়ার্ডের অধীনে আনোয়ারা মেম্বারের পূর্ব পাশের রাস্তার কালভাট, ইনানী মাদ্রাসা পূব প: রাস্তার কালভাট, মৌ: আবদু সালামের রাস্তার কালভাটও রিক্সা সলিম উল্লাহর বাড়ির পাশের কালভার্ট। ৬নং ওয়ার্ডের অধীনে মৌ : আবদু রহিমের বাড়ির সামনের কালভার্ট, আহমদ হোসেন সিকদারের বাড়ির সামনের কালভার্ট, জলিল হাজীর দোকানের পাশের কালভার্ট, বটতলী ষ্টেশনের সামনের কালভাট, শামশু মেম্বারের বাড়ির সামনের কালভার্ট, আবদুল মিয়া রাস্তার কালভার্ট ও হাজী এখলাছুর রহমান রাস্তার কালভার্ট। ৭ নং ওয়ার্ডের অধীনে দ:ইমামের ডেইল রাস্তার কালভার্ট-২টি, ইমামের ডেইল রাস্তার কালভার্ট-৩টি, মৌ: ইউছুফের  রাস্তার কালভার্ট- ২টি, মো: মাহামদুল্লাহরাস্তার কালভার্ট-২টি, ইব্রাহিমের রাস্তার কালভার্ট-২টি, খাইন্দাকাটা মসজিদের পাশের কালভাট, বাইলাখালী রাস্তার কালভাট-৩টি, সিপাহী ছরারাস্তার কালভার্ট-২টি, রুপপতি রাস্তার কালভার্ট-২টি, সেইংচুবি রাস্তার কালভার্ট-২টি, চাকমাপাড়া রাস্তার কালভার্ট-২টি, ডাকছরারাস্তার কালভার্ট-২টি, বরগিয়া ছরারাস্তার কালভার্ট-২টি, মো: সফির বিল স্কুলের পাশে কালভার্ট-৩টি, বাম হাতি ছরারাস্তার কালভার্ট ও পুলিশ ফাড়ি পাশের কালভাট। ৮নং ওয়ার্ডের অধীন ছৈয়াংখালী মোজাফ্ফর মাষ্টারের বাড়ির সামনের কালভার্ট, ইমাম মো: লবারবাড়ির সামনের কালভার্ট, আমান উল্লাহ বাড়ির সামনের কালভার্ট, কাছিমের বাড়ির সামনের কালভার্ট, নুরুল ইসলামের বাড়ির সামনের কালভার্ট, আলতাজের বাড়ির সামনের কালভার্ট, মাবু মাষ্টারের বাড়ির সামনের কালভার্ট, ডালার মুখ শরিফ মো: দোকানের পাশেকালভার্ট, হাবি উল্লাহ বাড়ির সামনের কালভার্ট, কালু বাড়ির সামনের কালভার্ট, মাদার বনিয়া আবদুল্লার বাড়ির সামনের কালভার্ট, আবুল হাশেমের বাড়ির সামনের কালভার্ট, মাদার বনিয়া স্কুলের রাস্তার পাশের কালভাট, মাদার বনিয়া সিদ্দিকের বাড়ির পাশের  কালভার্ট, মাদার বনিয়া আবুল কাশেম বাড়ির পাশের  কালভার্ট, চাক্‌মা পাড়া মন্দিরের  রাস্তার মাথার কালভাট, মো: হাশেমের বাড়ির পাশের  কালভার্ট, জামাল মাষ্টারের বাড়ির পাশের  কালভার্ট। ৯নং ওয়ার্ডের অধীনে মনখালি কোনারপাড়া আবুল কাশেম, মাষ্টারের  বাড়ির পাশের  কালভার্ট, মনখালীকোনারপাড়া করিম উল্লাহ বাড়ির পাশের  কালভার্ট, মনখালীপূর্ব পাড়া বাছামিয়া বাড়ির পাশের  কালভার্ট, নুর আলম বলি বাড়ির পাশের  কালভার্ট, মনখালী হোসেন আহমদ বাড়ির পাশের  কালভার্ট, বাঘঘোনা পাড়া মসজিদের  পাশে কালভার্টও ঘোনার বিল জমিরের বাড়ির পাশের  কালভার্ট।

·         রত্নাপালং ইউনিয়নের-এই ইউনিয়নে মোট ৭৬ টি কালভার্ট রয়েছে। ১নং ওয়ার্ডেরঅধীনে মাতবর পাড়া মসজিদের পাশের কালভার্ট, ২ ওয়ার্ডের হাকিম আলী পাড়া মোহাম্মদ নাছিমের বাড়ির পাশে কালভার্ট, ভালুকিয়া বাজারের প: পাশের, ভালুকিয়া হাই-স্কুলের মসজিদের পাশের কালভার্ট, মাষ্টার আবদু রহমানের বাড়ির পাশেরকালভার্ট, থিমছড়ি স্কুলের উ: পাশের কালভার্ট, মাষ্টার আবদু রহমানের বাড়ির দ:পাশের কালভার্ট-২টি, কামাল চৌং সিকদারের বাড়ির উ: ও দ:পাশের কালভার্ট-২টিও  থিমছড়ি স্কুলের দ:পাশের কালভার্টসহ ১১টি কালভার্ট। ৩নং ওয়ার্ডের অধীনে ভালুকিয়া বাজারের উ: পাশের কালভার্ট-৩টি, ভালুকিয়া কবর স্থান সড়কের কালভার্ট-২টিমোট ৫টি কালভার্ট রয়েছে। ৪নং ওয়ার্ডের অধীনে শুক্কুর সওদাগরের বাড়ির সামনে কালভার্ট, পুতুল রাণী মেম্বারের বাড়ির সামনে কালভার্ট, সাবেক  মাহামুদ আলী  মেম্বারের বাড়ির উ: পাশের কালভার্টও মাষ্টার ইদ্রিজের বাড়ির দ: পাশে কালভার্টসহ মোট ৪টি কালভার্ট। ৫নং ওয়ার্ডের অধীনে আবু মেম্বারের বাড়ির  পাশের কালভার্ট-২টি, নুরুল কবির  চেয়ারম্যানের বাড়ির পাশের কালভার্ট-২টি, করইবনিয়া রাস্তার উপর কালভার্ট-৩ টিও আবু শামার বাড়ির পাশের কালভার্ট-৩টিসহ মোট ১০টি কালভার্ট। ৬নং ওয়ার্ডের অধীনে মেম্বার মাহামুদ আলমের বাড়ির পাশেকালভার্ট, ডা: শামশুল আলমের বাড়ির  দ: পাশেকালভার্ট, গয়ালমারা দোকানের উ: পাশে, গয়ালমারা নতুন মসজিদের উ:  পাশের কালভার্ট, খাইরুল  আলমের বাড়ির  দ: পাশেকালভার্ট, বাইতুশ শরফ  মসজিদের উ: পাশে কালভার্ট, জাফর পাল্লান পাড়া রোডে উ: ও দ: পাশের-২টি, গয়ালমারা স্টেশনের দ: পাশে কালভার্ট, মাষ্টার  আমির হোসনের বাড়ির পাশেরকালভার্টও বেলালের বাড়ির পাশেরকালভার্টসহ ১১টি কালভার্ট রয়েছে। ৭নং ওয়ার্ডের অধীনে শামশুল আলমের বাড়ির উ: পাশেরকালভার্ট, আলী উদ্দিন মুস্নির বাড়ির পাশেরকালভার্ট, তেলীপাড়া হোমায়নের বাড়ির পাশেরকালভার্ট-৩টি, তেলীপাড়া গয়ালমারা নতুন মসজিদের উ: পাশের কালভার্ট, তেলীপাড়া গয়ালমারা নতুন মসজিদের দ: পাশের কালভার্ট, আকতার মেম্বারের বাড়ির পূর্ব পাশেরকালভার্ট, লুকমানের বাড়ির পাশেরকালভার্ট, তেলীপাড়াবায়তুশশরফ মসজিদের পাশে কালভার্টও আবুল ফজলের বাড়ির পাশেরকালভার্টসহ মোট ১১টি কালভার্ট রয়েছে। ৮নং ওয়ার্ডেও অধীনে রুলারডেপা বায়তুশরফ সড়কসংলগ্নকালভার্ট-২টি, ইউছুফ আলী  সড়কে রুলারডেবা রাস্তার কালভার্ট-৮টি, টেকপাড়া বাইপাশ সড়কে কালভার্ট-৩টি, পালং আদর্শস্কুলের রাস্তার পাশের কালভার্ট-২টিও ভালুকিয়া আইডিয়াল স্কুলের রাস্তার পাশের কালভার্টমোট ১৬টি কালভার্ট রয়েছে। ৯নং ওয়ার্ডের শুভ ধন বড়ুয়া বাড়ির পাশেরকালভার্ট, মোজাহের মিয়ার বাড়ির পাশেরকালভার্ট, ছাবের মিয়া বাড়ির পাশেরকালভার্ট, তুতুরবিল রাস্তার পাশের কালভাট, মধু মেম্বারের বাড়ির পাশেরকালভার্ট, ছৈয়দ আলমের  বাড়ির সামনেকালভার্ট, হাজী আবদু রহিমের বাড়ির সামনেকালভার্ট, কোট বাজার মসজিদের পাশের কালভার্টও কোট বাজার হতে রুমখা বাজার য়াওয়ার পথে কালভার্ট-৪টিসহ মোট ১২টি কালভার্ট রয়েছে।

 

·        হলদিয়াপালং ইউনিয়নঃ এই ইউনিয়নে মোট ৮০টি কালভার্ট রয়েছে।  ১নং ওয়ার্ডের অধীনে মধু ঘোনা রাস্তার পাশে  কালভার্ট ১টি, গু্রায়ার দ্বীপ রাস্তার পাশে কালভার্ট ১টি, বড়ুয়ার পাড়া রাস্তার পাশে কালভার্ট ১টি সহ মোট ৪টি কালভার্ট রয়েছে। ২নং ওয়ার্ডের অধীনে ছায়াকলা ব্রিকফিল্ড সংলগ্ন ১টি, ছৈয়দ আহমদ বাড়ির রাস্তার পাশে ১টি, ছায়াকলা আবদুল হাকিম বাড়ির সামনে রাস্তায় ১টি, সাদ্দাম এর দোকানের পাশে রাস্তায় ১টি, প- ঘোনার পাড়া বাইলার ছড়া ১টি, মধ্য- বাইলার ছড়া  নাছু ফকির বাড়ির পাশে ১টি, পূর্ব বাইলার ছরা ভুলু মিস্ত্রীর বাড়ির পাশে ১টি, পূর্ব বাইলার ছড়া বাদশা মিয়া বাড়ির পাশে ১টি, মধ্য- ঘোনারপাড়া আবদুল্লার ফকিরের বাড়ির পাশে ১টি, পূর্ব ঘোনার পাড়া  গুলো হোসনের বাড়ির পাশে ১টি, বান্ডু মিয়ার বাড়ির পাশে ১টি, ফকির আহমদের বাড়ির পাশে ১টি, দানু মুন্সি বাড়ির পাশে ১টি, বাচা মিয়া বাড়ির পাশে ১টি, পাগলির বিল ছরা ১টি, পাগলির বিল রফিক আহমদ বাড়ির পাশে ১টি, পাগলির বিল সিকদার পাড়া, মসজিদের পাশে ১টি, পাগলির বিল মৃত্য লুকমান মাষ্টারের, বাড়ির পামে ১টি, আবদুল খালেক বাড়ির পাশে ১টি, মৌ: ছৈয়দ আলমের বাড়ির পাশে ১টি. ভূত পাড়া ছৈয়দ হোসনের বাড়ির পাশে ১টি ও আলী হোসনের বাড়ির পাশে ১টি মোট ২২টি কালভার্ট রয়েছে। ৩নং ওয়ার্ডের অধীনে ডা: আবদুল সালামের বাড়ির পাশে ১টি, সাগর মেম্বারের বাড়ির পাশে ১টি, মো: আলীর বাড়ির পাশে ১টি, ইসহাকের বাড়ির সামনে-২টিমোট ৫টি কালভার্ট রয়েছে। ৪নং ওয়ার্ডের অধীনে অলি আহমদের বাড়ির সামনেকালভার্ট, ফজল আহমদের  বাড়ির সামনেকালভার্ট ২টি, হিলটস সীমান্তে ২টি, জিয়াবুল সও:মসজিদের পাশের রাস্তার কালভার্ট ৫টি, পাতাবাড়ি বাজার হইতে সোনাঘোনার মুখ পর্যন্ত ৬টি, সোনাঘোনারমুখেরকালভার্ট ২টি, পাতাবাড়ি মাদ্রাসার পাশের রাস্তার কালভাট ৪টি, ফজল করিম মেম্বারের বাড়ির সামনের রাস্তার কালভার্ট ৩টিজাইল্লাঘোনা রাস্তার কালভার্ট ৫টিমোট ৩০টি কালভার্ট রয়েছে। ৫নং ওয়ার্ডের ঘাটি পাড়া রাস্তার কালভার্ট ২টি, নাছির পাড়া রাস্তার কালভার্ট ১টি, ডা: বদিউর রহ: বাড়ির সামনে কালভার্ট ১টি ও কালু বাড়ির পাশে কালভার্ট ১টি মোট ৬টি কালভার্ট রয়েছে। ৬নং ওয়ার্ডের অধীনে ডাক ও পাড়া রাস্তার পাশে কালভার্ট ১টি, পরিমলের বাড়ির পাশে কালভার্ট ১টি, মৌলভী পাড়া রাস্তার পাশে কালভার্ট ৩টি, দীঘির পাড়ে রাস্তার পাশে কালভার্ট ১টি ও দীঘির পাড়ে রাস্তার উ:  পাশে কালভার্ট ১টি মোট ৭টি কালভার্ট রয়েছে। ৭নং ওয়ার্ডের অধীনে বড়বিল মাদ্রাসা পাশের রাস্তা কালভার্টও বাদশা মিয়া বাড়ির পাশে কালভার্টমোট ২টি কালর্ভাট রয়েছে। ৮নং ওয়ার্ডের অধীনে মোট ২টি কালর্ভাট রয়েছে সেগুলো হলো পুরাতন বিহার এর পাশে ১টি ও দিনমহন বাড়ির রাস্তার পাশে ১ টি। ৯নং ওয়ার্ডের অধীনে ছাগলের দোকানের রাস্তা পাশে ১টি, ছালামত উল্লাহ বাড়ির সামনে  রাস্তা ১টি, রুমখা বড়ুয়া পাড়া  রাস্তার পাশে ১টি, রুমখা এতিমখানার রাস্তার পাশে ১টি, রুমখা পাড়া হাসানের বাড়ির পাশে  ১টি, হাজীর পাড়া রাস্তার পাশে ১টি মোট ৬টি কালভার্ট রয়েছে। 

 

·        রাজাপালং ইউনিয়নেরtএই ইউনিয়নে মোট ১২১টি কালভার্ট রয়েছে। ১নং ওয়ার্ডের অধীনে শামশু আলমের  বাড়ির পাশে কালভার্ট -৩টি, নুর হোসেনের দোকানের পাশে কালভাট-২টির্, হাবিব উল্লাহ বাড়ির পাশে কালভার্ট- ৪টি, তুতুরবিল প্রা: স্কুলের রাস্তার পাশে কালভার্ট-৪টি, মহিলা মেম্বারের বাড়ির পাশে রাস্তার কালভার্ট-৩টিও ঘোনাপাড়া দোকানের রাস্তার পাশে কালভার্ট- ৫টিসহ মোট ২১টি কালভার্ট রয়েছে। ২নং ওয়ার্ডের আবুল বশরের বাড়ি পাশে কালভার্ট, মো: হোসানে বাড়ি পাশে কালভার্ট, আবদুল কাশেমের বাড়ি পাশে কালভার্ট, আলী আহমদের বাড়ি পাশে কালভার্ট, নুর আহমদের বাড়ি পাশে কালভার্ট, রফিক কালভার্ট, মোহাম্মদের বাড়ি পাশে কালভার্ট, কাশিয়ার বিল চৌং শিবলী   বাড়ি পাশে কালভার্ট, হালিম ড্রাইভার  বাড়ি পাশেকালভার্ট, জামতলী পাহাড়ের পাশে  কালভার্ট, হিন্দু পাড়া রাস্তার পাশে কালভার্ট, এ,কে,সি পশ্চিম ও উ: পাশে কালভার্ট-২টি, এ,কে,সি দ:  পাশে কালভার্ট মোট ১৪টি কালভার্ট রয়েছে। ৩নং ওয়ার্ডের খয়রাতি উলামিয়ার বাড়ি সামনের কালভার্ট, খয়রাতি স:প্রা: বি: সামনে কালভার্ট-২টি, খয়রাতি রুহুল আমিন মেম্বারের বাড়ির সামনের কালভার্ট, খয়রাতি  মসজিদের সামনের কালভার্ট, হরিণ মারা ছৈয়দ কাসেমের বাড়ির পাশে কালভার্ট, হরিণ মারা পুতু আম্মারবাড়ির পাশে কালভার্ট, আমিন পাড়া মৌ: নুরুল হকের বাড়ির পাশে কালভার্টসহ মোট ৮টি কালভার্ট রয়েছে। ৪নং ওয়ার্ডের অধীনে প:ডিগলিয়া তৈয়বের বাড়ির পাশের কালভার্ট, প:ডিগলিয়া  ফরিদ সওদাগরের বাড়ির পাশে কালভার্ট,  প:ডিগলিয়া মেইন রোডের  কালভার্ট, প:ডিগলিয়া আবদুস ছোবাহানের বাড়ির পাশে কালভার্ট- ২টি, প:ডিগলিয়া ভুলু সওদাগরের বাড়ির পাশে কালভার্ট, প:ডিগলিয়া জলিল সওদাগরের বাড়ির পাশে কালভার্ট, চাকবৈঠা শাহজাহানের বাড়ির পাশের কালভার্ট, চাকবৈঠা কাদের হোসেনের বাড়ির পাশের কালভার্ট, চাকবৈঠা স্কুলের পাশের কালভার্ট, প:ডিগলিয়া শফিকুর রহমানেরবাড়ির পাশে কালভার্ট, প:ডিগলিয়া জুর পুকুর মসজিদের পাশে কালভার্ট, প:ডিগলিয়া অলি আহমদের বাড়ির পাশে কালভার্ট, ডিগলিয়া মাদ্রাসার পাশে কালভার্ট, পূর্ব ডিগলিয়া রাস্তার পাশে কালভার্ট ও চাকবৈঠা বাজারের দ: পাশ কালভার্টসহ মেটি ১৬টি কালভার্ট রয়েছে। ৫নং ওয়ার্ডের অধীনে বটতলী পাড়া কবর স্থানের পাশে  কালভার্ট, উখিয়া সদর হাসপাতালের পাশের কালভার্ট, সিকদার বিল মসজিদের পাশে কালভার্ট, গিলাতলী রাস্তার কালভার্ট-২টি, দরবেশ আলী সিকদাররে বাড়ির পাশে কালভার্ট, পূর্ব সিকদার বিল  আবদুল করিমের সামনের কালভার্ট, ইয়াকুব আলী  জামে মসজিদের পাশের কালভার্টসহ মোট ৯টি কালভার্ট রয়েছে। ৬নং ওয়ার্ডের অধীনে  হাজী পাড়া রাস্তার কালভার্ট, মৌ:পাড়ার রাস্তার কালভার্ট-২টি, বুজরুজ মিয়া সওদাগরের বাড়ির পাশে কালভার্ট, উপজেলা রোডের প: পাশ কালভাটসহ মোট ৫টি কালভার্ট রয়েছে। ৭নং ওয়ার্ডের অধীনে আলা উদ্দিন ফকির মাদ্রাসার দ:পাশের কালভাট, আশরাফ আলী  সওদাগরের বাড়ির পাশের  কালভাট, মো: আলী মাষ্টারের বাড়ির পাশে কালভার্ট, মোশেদ আলম মেম্বারের বাড়ির পাশে কালভার্ট, হাজী মোজাহেরের বাড়ির পাশে কালভার্ট, শামশু সিকদারের বাড়ির পাশে কালভার্ট, আলী মেম্বারের বাড়ির উ:  পাশের কালভার্ট, তুলাতলি রাস্তার কালভার্ট, ডেইল পাড়া স:প্রা:বি পাশের কালভার্টমোট ৮টি কালভার্ট রয়েছে। ৮নং ওয়ার্ডের অধীনে তাহেরের দোকানের পূর্ব পাশের  কালভাট, নুর আহ: মেম্বারের মসজিদের পাশের কালভার্ট, দরগাবিল দরগার প: পাশের কালভাট, দরগাবিল দরগার পূর্ব পাশের কালভার্ট, হাতিমোরা প: পাশের কালভার্ট, দুদু মিয়া সওদাগরের বাড়ির পাশে কালভার্ট, রশিদ সওদাগরের  দোকানের উ: পাশের কালভার্ট, হারুন মুন্সি বাজারের প: পাশে কালভার্ট, হারুন মুন্সি বাজারের দ: পাশে কালভার্ট-৩টি, দোকান মুরার দ: পাশে কালভার্ট, দরগা বিল স:প্রা:বি: দ: পাশের কালভার্ট, আলী চাদঁ মেম্বারের বাড়ির পাশে কালভার্ট, আলী হোসেনের বাড়ির পূর্ব পাশে কালভার্ট, মৌ: ছৈয়দ আকবরের বাড়ির উ: পাশে কালভার্ট, মৌ: ছৈয়দ আকবরের বাড়ির দ: পাশে কালভার্ট-৩টি, করম আলী বাড়ির উ: পাশে কালভার্ট, করম আলী বাড়ির দ: পাশে কালভার্ট-২টি, মদন আলী বাড়ির পূর্ব পাশের কালভার্ট-, আলী আহমদ ফকিরের  বাড়ির উ: পাশের কালভার্ট,  শুক্কুর সওদাগরের বাড়ির দ: পাশের কালভার্ট, ঘোনাপাড়া প্রিন্সীফল ফজল করিমের বাড়ির  পাশের কালভার্ট, সুলতান বলি বাড়ির প: পাশের কালভার্ট, লম্বাঘোনা মাঠের পূর্ব  পাশের কালভার্ট, মহর আলী বাড়ির উ:পাশের কালভার্ট, হাঙ্গর ঘোনা রাস্ততার কালভার্ট-৩টিমেটি ৩১টি কালভার্ট রয়েছে। ৯নং ওয়ার্ডেiঅধীনে বকতিয়ার মেম্বারের বাড়ির  পাশে কালভার্ট-২টি, কুতুপালং প: পাড়া রাস্তার কালভার্ট-২টি, নাপিত পাড়া রাস্তার কালভার্ট, কুতুপালং স:প্রা:বি: দ:পাশে কালভাট, কুতুপালং নতুন ক্যাং এর রাস্তার কালভাট, কুতুপালং হাঙ্গর ঘোনা রাস্তার কালভাট-২টি, লম্বাশিয়া হাজী আলী হোসেন প: পাশে  কালভার্ট, ধইল্যাঘোনা ছৈয়দুর রহমানের  বাড়ির প: পাশের কালভার্ট, ঠাকুরশিয়া বড়ুয়া পাড়া রাস্তার কালভার্টমোট ১২টি কালভার্ট রয়েছে।

 

·         পালংখালী ই্উনিয়নtএই ইউনিয়নে মোট ৯২টি কালভার্ট রয়েছে। সেগুলো যথাক্রমে ১নং ওয়ার্ডের পশ্চিম বালুখালী রাস্তার কালভার্ট, বালুখালী জুমের ছড়া রাস্তার কালভার্ট, ২নং ওয়ার্ডর বালুখালী  বিজিবি ক্যাম্পের কালভার্ট- ২টি, উত্তর রহমতের বিল কালভার্ট, দ: রহমতের বিল কালভার্ট, ৪নং ওয়ার্ডের গজু গুনা রাস্তার কালভার্ট, ধামনখালী রাস্তার কালভার্ট, থাইংখালী গুনার পাড়া রাস্তার কালভার্ট- ২টি, ৫ নং ওয়ার্ডের হাকিম পাড়া রাস্তার কালভার্ট, পুটিবনিয়া রাস্তার কালভার্ট, ৬নংওয়ার্ডের মুচারখোলা রাস্তার কালভার্ট- ২টি, ৭নং ওয়ার্ডের গয়ালমারা রাস্তার কালভার্ট, গয়ালমারা রাস্তার কালভার্ট, প: পালংখালী রাস্তার কালভার্ট, ৮নং ওয়ার্ডের নলবনিয়া রাস্তার কালভার্ট-২টি, বাদিতলী রাস্তার কালভার্ট- ২টি ও ৯নং ওয়ার্ডের পূ: ফারির বিল রাস্তার কালভার্ট- ২টি, আনজুমার পাড়া রাস্তার কালভার্ট সর্বমেটি ২৪টি কালভার্ট রয়েছে এই ইউনিয়নে।

 

 

রাসত্মাঃ

 

উখিয়া উপজেলা কক্সবাজার জেলা সদর থেকে সর্ব পূর্ব দÿÿণে অবস্থিত টেকনাফ উপজেলার সদরে যাওয়ার জাতীয় সড়কের উভয় পাশ দিয়ে অবস্থিত। এই উপজেলা সড়ক পথে ইউনিয়ন পর্যায়ের বিভিন্ন গ্রামে যাতায়াত করা সম্ভব। কিছু অংশ জাতীয় সড়কের আওতায় হওয়ার কারণে বেশ কিছু পাকা রাসত্মা পাওয়া যাবে এই উপজেলায়। এছাড়া যথেষ্ট কাঁচা রাসত্মাও রয়েছে। এক নজরে উখিয়া উপজেলা রাসত্মার অবস্থা নিমেণঃ

 

মোট রাসত্মা                    ঃ ৭৩৭ কিলোমিটার

পাকা                             ঃ ৯৭.৫কিলোমিটার

কাঁচা                              ঃ৪১৭  কিলোমিটার

HBB                            ঃ২২৫ কিলোমিটার

 

 

উখিয়া উপজেলা কক্সবাজার জেলা সদর থেকে সর্ব পূর্ব দÿÿণে অবস্থিত টেকনাফ উপজেলার সদরে যাওয়ার জাতীয় সড়কের উভয় পাশ দিয়ে অবস্থিত। এই উপজেলা সড়ক পথে ইউনিয়নের পর্যায়ের বিভিন্ন গ্রামে যাতায়াত করা সম্ভব। উখিয়া উপজেলায় মোট রাস্তার পরিমান দৈর্ঘ্য ৭৩৭কিঃমিঃ । এর মধ্যে পাকা রাস্তার সংখ্যা ২৬টি এর দৈর্ঘ্য ৯৭.৫কিলোমিটার, কাঁচা রাসত্মার এর দৈর্ঘ্য পরিমান ৪১৭কিলোমিটার, HBBরাসত্মার এর দৈর্ঘ্য ২২৫ কিলোমিটার ।এই রাসত্মাগুলোর গড় উচ্চতা ৩ থেকে ৩.৫ফুট এবং প্রস্থ যথাক্রমে ৫ থেকে ১২ফুটের মধ্যে। বন্যার সময় কাঁচা ও অর্ধপাকা রাসত্মার ১৫% রাসত্মা পানিতে ডুবে যায়। নিমেণণ ইউনিয়ন ভিত্তিক রাসত্মার সংখ্যা ও অবস্থানের তথ্য প্রদান করা হলোঃ 

 

·        জালিয়াপালং ইউনিয়নে মোট রাসত্মার সংখ্যা ৩৫টি (২২৫.৫কিমি). এর মধ্যে পাকারাসত্মার সংখ্যা ৫টি (৪০.৫ কি.মি.), কোমার ঘাটের ব্রীজ হতে মনখালী বটতলী বাজার পর্যন্ত দৈর্ঘ্য-২৪ কি:মি, রেজুখালের ব্রীজ হতে রুপপতি পর্যন্ত দৈর্ঘ্য-১২কি:মি, সোনাপাড়া বাজার হতে মেরিন  ড্রাইভ রাস্তা পর্যন্ত ১.৫কি:মি, জাকের হোসেনের বাড়ি হতে সোনাপাড়া রিসোট পর্যন্ত ১.৫কি:মি, উত্তর নিদানিয়া দুই মুখা হতে নিদানিয়া স:প্রা:বি পর্যন্ত ১.৫কি:মি.। কাঁচা রাসত্মা :১৫টি ১নং ওয়ার্ড হইতে  ৯ নং ওয়ার্ড পর্যমত্ম ১১০ কি:মি। আধা পাকাঁ রাস্তা:১৫টি১নং ওয়ার্ড হইতে  ৯ নং ওয়ার্ড পর্যমত্ম ৭৫  কি:মি:।

 

·        রত্নাপালং ইউনিয়নমোট রাসত্মার পরিমান ২১০কিমি.। এর মধ্যে পাকা রাসত্মার সংখ্যা ৬টি (১৮ কিমি.), কোর্ট বাজার হতে হিজলিয়া পর্যন্ত (মেইন রোড)২.৫কি:মি, কোর্ট বাজার হতে হারুন মার্কেট পর্যন্ত (ভালুকিয়া রোড)৫ কি:মি, মেইন রোড হতে  গয়ালমারা কবর স্থান পর্যন্ত (ঝাউতলা রোড)৪কি:মি, গয়ালমারা সাইক্লোনসেল্টার হতে থিমছড়ি পর্যন্ত৫ কি:মি:, নুরুল কবির  চৌং বাড়ি হতে গয়ালমারা সাইক্লোনসেল্টার পর্যন্ত০.৫ কি:মি:,কোট বাজার হতে পশ্চিম দিকে রেজুখাল পর্যমত্ম ১ কি:মি:। কাঁচা রাসত্মা :১নং ওয়ার্ড হইতে  ৯ নং ওয়ার্ড পর্যমত্ম ১32 কি:মি। আধা পাকাঁ রাস্তা:১নং ওয়ার্ড হইতে  ৯ নং ওয়ার্ড পর্যমত্ম ৬০কি:মি:।

 

·        হলদিয়াপালং ইউনিয়ন মোট রাসত্মার পরিমান ১০২.৫কি.মি. এর মধ্যে পাকা রাসত্মা সংখ্যা ৬টি (১২.৫কিমি.), গুরা মিয়া  গেরেজ হতে মিন্টু ড্রাইভারের বাড়ি পর্যন্ত ০.৫কি:মি, পাতাবাড়ি বাগান বাড়ির রাস্তার হতে আর্দশ গ্রামের দক্ষিণের মাথা পর্যন্ত ৩কি.মি., জলিয়ার বাপের ঘাটা হতে তিমছড়ি রাস্তার মাথা পযর্ন্ত ৩কি.মি., মনির মার্কেট হতে আবুল কালামের বাড়ি পর্যন্ত ১কি.মি., চৌধুরী পাড়া বটতলি হতে মাহামুদুল চৌধুরীর বাড়ি পর্যন্ত ১ কি.মি., মরিচ্যা মেইন রোড হতে বেলা কবিরের দোকান পর্যন্ত ৪কি.মি.। কাঁচা রাসত্মা : ১নং ওয়ার্ড হইতে ৯ নং ওয়ার্ড পর্যমত্ম ৭০কি:মি। আধা পাকাঁ রাস্তা:১নং ওয়ার্ড হইতে  ৯ নং ওয়ার্ড পর্যমত্ম ২০কি:মি:।

 

·        রাজাপালং ইউনিয়ন মোট রাসত্মার পরিমান ১৬৩.৫কিমি. এর মধ্যে পাকা রাসত্মা সংখ্যা ৫টি (১৩.৫কিমি.), হিজলিয়া ব্রীজ হতে উখিয়া পর্যমত্ম ৭কি:মি, কুতুপালং টিভি টাওয়ার পর্যন্ত ১.৫কি:মি, উ: পুকুরিয়া পালং গার্ডেন হতে মুকবুল মুনসির বাড়ি পর্যন্ত ২কি:মি, হিজলীয়াপাড়া হতে লালুর বাপের পাড়া পর্যন্ত ১কি:মি, কাশিয়ার বিল জাদি মোরা হতে উপজেলা চেয়ারম্যান শাহ জালাল চৌং বাড়ি পর্যন্ত ১কি:মি, উখিয়া বাজার হতে  ঘিলাতলী পূর্ব পাশ পর্যন্ত  ১কি:মি।কাঁচা রাসত্মা : ১নং ওয়ার্ড হইতে ৯ নং ওয়ার্ড পর্যমত্ম ৮০কি:মি। আধা পাকাঁ রাস্তা:১নং ওয়ার্ড হইতে  ৯ নং ওয়ার্ড পর্যমত্ম ৭০কি:মি:।

 

·        পালংখালী ইউনিয়ন মোট রাসত্মার পরিমান ৬৯কিমি. এর মধ্যে পাকারাসত্মা সংখ্যা ৪টি (১৪ কিমি.), টিভিকেন্দ্র হতে পালংখালী বাজারের দ: সীমান্ত পর্যন্ত ৮কি:মি, পালংখালী বাজার হতে বটলি বাজার পর্যন্ত 3 কি:মি, থাইংখালী বাজার হতে রহমতের বিল পর্যন্ত ১কি:মি, থাইংখালী বাজার হতে তেল খোলা রাস্তা পর্যন্ত২কি:মি। কাঁচা রাসত্মা : ১নং ওয়ার্ড হইতে ৯ নং ওয়ার্ড পর্যমত্ম ২৫কি:মি। আধা পাকাঁ রাস্তা:১নং ওয়ার্ড হইতে  ৯ নং ওয়ার্ড পর্যমত্ম ৩০কি:মি:।

 

 

 

সেচ ব্যবস্থাঃ

এই উপজেলা কৃষিজ উৎপাদনের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। বেশীর ভাগ সমতল ভূমি কৃষি কাজে ব্যবহার করা হয় এবং অনেক ÿÿত্রে বছরে ২-৩ ফসল পর্যমত্ম চাষাবাদ করে থাকে। যার কারণে এখানে সেচের ব্যবস্থা রয়েছে ব্যাপক পরিমানে। সমগ্র উপজেলায় মোট ১৩৯৫টি গভীর নলকূপ রয়েছে, যেগুলো চাষের  সেচকাজে ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে ১৬৩১টি অগভীর নলকূপ রয়েছে যেগুলো বিভিন্ন সবজি, ফলজ ও মানুষের আনুষাঙ্গিক কাজে ব্যবহার করে থাকে। নিমেণ ইউনিয়ন অনুসারে নলকূপের পরিমান দেয়া হলোঃ

 

ইউনিয়ন

গভীর নলকুপ

অগভীর নলকুপ

মমত্মব্য

জালিয়াপালং ইউনিয়ন

৫১ টি

২৫২ টি

৩টি গভীর ও ২৫টি অগভীর নলকূপ অকেজো

রত্নাপালং ইউনিয়ন

২১০ টি

৩২৫টি

১০টি গভীর ও ৫টি অগভীর নলকূপ অকেজো

হলদিয়া পালং ইউনিয়ন

১৫৭ টি

২৯১ টি

৫টি গভীর ও ২৬টি অগভীর নলকূপ অকেজো

রাজাপালং ইউনিয়ন

৮৯২ টি

৪৮৭ টি

৫টি গভীর ও ২৪টি অগভীর নলকূপ অকেজো

পালংখালী ইউনিয়ন

৮৫টি

২৭৬ টি

৩টি গভীর ও ৭টি অগভীর নলকূপ অকেজো

 

সেচ কাজের জন্য স্থানীয় কৃষকরা শীত মৌসুমে ছরায় অস্থায়ী ভাবে মাটির বাঁধ দেয়। এছাড়া কিছু কিছু এলাকায় মটর চালিত অগভীর নলকূপ ও  ডিজেল চালিত পাওয়ার পাম্প ব্যবহার করে এবং কৃষকরা জমি চাষে পাওয়ার ট্রেইলার ব্যবহার করছে। 


হাটবাজারঃ উখিয়া উপজেলায় মোট ৬টি হাট ও ১২ বাজার রয়েছে।

কোন ইউনিয়নের কোন ওয়ার্ডে অবস্থিত

দোকান সংখ্যা

সমিতি আছে কিনা

সংÿÿপ্ত বর্ণনা/ হাট কবে বসে

(জালিয়াপালং ইউপি) সোনারপাড়া বাজার, ৩ নং ওয়ার্ড

২৯০ টি

হ্যাঁ

রবিবার ও বুধবার হাট বসে

মৌসুমে সুপারীর হাট বসে

(জালিয়াপালং ইউপি) চারাবটতলী বাজার, ৬ নং ওয়ার্ড

 ৭৫ টি

হ্যাঁ

 

(জালিয়াপালং ইউপি) বটতলী বাজার, ৯নং ওয়ার্ড

৫৫ টি

হ্যাঁ

 

(রত্নাপালং ইউপি) কোর্ট বাজার (৯নং ওয়ার্ড)

১৫০০টি

হ্যাঁ

উখিয়ার গুরম্নত্বপূর্ণ বাজার (প্রতিদিন)

(রত্নাপালং ইউপি)ভালুকিয়া বাজার (২নং ওয়ার্ড)

১৫টি

নাই

 

(হলদিয়াপালং ইউপি)মরিচ্যা বাজার (১ নং ওয়ার্ড)

৩০০টি

হ্যাঁ

রবিবার ও বুধবার হাট বসে

(হলদিয়াপালং ইউপি)পাতাবাড়ি বাজার (৪নং ওয়ার্ড)

৬৫টি

হ্যাঁ

 

(হলদিয়াপালং ইউপি)রুমখা বাজার (৯ নং ওয়ার্ড)

৪০টি

হ্যাঁ

সোমবার ও বৃহস্পতিবার এখানে ছাগলের হাট বসে

(রাজাপালং ইউপি) কুতুপালং বাজার - ৯ নং ওয়ার্ড

২৩০ টি

হ্যাঁ

 

(রাজাপালং ইউপি) উখিয়া দারগা বাজার -৫ ও ৬ নং ওয়ার্ড

৪৫০টি

হ্যাঁ

শনিবার ও মঙ্গলবার হাট বসে

(পালংখালী ইউপি) পালংখালী বাজার

১৫০টি

হ্যাঁ

শুক্রবার সাপ্তাহিক হাট বসে

(পালংখালী ইউপি)  বালুখালী বাজার

৭০টি

হ্যাঁ

 

মোটঃ

3231 টি

 

 

 

১.৪.২ সামাজিক সম্পদ:

 

উখিয়াউপজেলার সামাজিক সম্পদ বর্ণনায় এলাকার ঘরবাড়ী, পানির উৎস, পয়ঃনিস্কাশন ব্যবস্থা ও শিÿা প্রতিষ্ঠানের বিষয়গুলো বিবেচনায় আনা হয়েছে এবং যেগুলো দূযোর্গ প্রস্ত্ততি ও মোকাবিলার ÿÿত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। পাহাড়ীউপজেলা হিসাবে এই এলাকায় সামাজিক সম্পদে’র নানাবিদ ঝুঁকি/আপদের সম্মুখীন। এখানে দরিদ্র মানুষদের আবাসনের যেমন সমস্যা, তেমনি নিত্য প্রয়োজনীয় পানীয় জলের সংকটও কম নয়। সেইসাথে পয়নিঃস্কাশনের সুবিধা বঞ্চিত মানুষ নানা রোগে শোকে আক্রামত্ম হয়ে থাকে। সার্বিক বিবেচনায় উখিয়া উপজেলার সামাজিক সম্পদের সার্বিক অবস্থা নিচে সন্নিবেশিত করা হলো।

 

ঘরবাড়িঃ

 

ক্রমিক নং

ইউনিয়নের নাম

ঘরের সংখ্যা

কাঁচা ঘর

টিনের ঘর

আধাপাকা

পাকা দালান

০১.

জালিয়াপালং

৮,৫১১

৫৫%

৩৪%

১০%

১%

০২.

রত্নাপালং

৪,২৩৮

৬৭.২0%

২3.05%

7.৯৫%

১.৮0%

০৩.

হলদিয়া

৯,০০৬

৫৩%

৩5%

১০%

২%

০৪.

রাজাপালং

১০,৫৯৬

50.5%

32%

15%

2.5%

০৫.

পালংখালী

৫,৫৮৯

৫০%

৪৪%

4.50%

1.50%

 

মোট

৩৭,৯৪০

৫৫.১৪%

৩৩.৬১%

৯.৪৯%

    ১.৭৬%

 

পানিঃউপজেলার কোন সরকারী পানি ব্যবস্থা নেই। সাধারণ অধিবাসীগণ নলকূপ, পুকুর, কোয়া, আবার অনেকে ঝর্ণার পানিকে তাদের দৈনন্দিন কাজে ব্যবহার করে থাকেন। নিমেণ সমগ্র উপজেলার ইউনিয়ন ভিত্তিক নলকূপের সংখ্যা এবং ভাল কিংবা অকার্যকর তা উলেস্নখ করে তথ্য পরিবেশন করা হলোঃ

 

ক্রমিক

নং

ইউনিয়নের

নাম

মোট নলকূপের সংখ্যা

নলকূপের অবস্থা

ভাল

নষ্ট

গভীর/অগভীর

০১.

জালিয়াপালং

303টি

275টি

28টি

গভীর - ৫১ /অগভীর-২৫২

০২.

রত্নাপালং

535টি

৫২০ টি

১৫টি

গভীর -২১০/ অগভীর-৩২৫

০৩.

হলদিয়া

৪৫৫টি

৪২৮টি

৩১টি

গভীর -১৫৭/ অগভীর-২৯১

০৪.

রাজাপালং

১৩৭৯টি

১৩৫০টি

২৯টি

গভীর -৮৯২/ অগভীর নলকূপ-৪৮৭

০৫.

পালংখালী

৩৬১টি

৩৫১টি

8১০টি

গভীর  টি-৮৫/অগভীর নলকূপ-২৭৬টি

 

মোট

৩০৩৩টি

২৯২৪টি

১১৩টি

  গভীর- ১৩৯৫/ অগভীর- ১৬৩১টি

 

পয়ঃনিস্কাশন ব্যবস্থাঃউখিয়া উপজেলার পয়ঃনিস্কাশনের অবস্থা মাঝারী ধরনের। যোগাযোগ ব্যবস্থা মোটামোটি ভাল হওয়ায় অনেক পরিবার নিজ উদ্যোগে স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহার করছে। অন্যদিকে জালিয়াপালং, রাজাপালং, পালংখালী ইউনিয়নের কিছু এলাকার মানুষ গরীব হওয়ায় তারা এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত এবং সচেতন নয়। তবে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষিত লোকের বাড়িতে রয়েছে স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা । আবার কিছু এলাকায় জঙ্গল থাকার কারণে মানুষজন স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট তৈরীতে মোটেও আগ্রহী নয়।  নিচে এক নজরে উপজেলার পয়ঃনিস্কাশনের অবস্থান তুলে ধরা হলোঃ

 

v        স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা কয়টি                                   ঃ ২৭,৯৫৫টি

v        জলাবদ্ধ পায়খানা (কাঁচা)                                     ঃ ২৩,৫৭৭টি

v        জলাবদ্ধ পায়খানা (পাকা)                                     ঃ ৪,৩৭৮ টি

v        খোলা পায়খানা                                                 ঃ ৯,৯৮০টি

v        স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহারী কত শতাংশ                ঃ৭২.৬০%

 

নিমেণ উপজেলার ইউনিয়ন ভিত্তিক স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানার সংখ্যা, প্রকার, এবং ব্যবহারের পরিমান ছক আকারে প্রদান করা হলোঃ

 

ক্রমিক নং

ইউনিয়নের নাম

স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা কয়টি

জলাবদ্ধ পায়খান (কাঁচা)

জলাবদ্ধ

পায়খান (পাকা)

খোলা পায়খানা

পায়খানা

ব্যবহার %

০১.

জালিয়াপালং

   ৭,২৩৪টি

6,378টি

856টি

১,২৭৬টি

    ৮৫%

০২.

রত্নাপালং

   ৩,০৫১টি

২,৪১৬টি

635টি

১,১৮৬টি

৭২%

০৩.

হলদিয়া

৫,৬৭৩টি

4,908টি

765টি

৩,৩৩২টি

৬৩%

০৪.

রাজাপালং

8,476টি

7,189টি

1,287টি

2,119টি

৮০%

০৫.

পালংখালী

3,521টি

2,686টি

835টি

2,067টি

৬৩ %

 

মোট

27,955টি

23,577টি

4,378টি

9,980টি

৭২.৬০%

 

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান/পাঠাগারঃ উখিয়া উপজেলায় বেশ কিছু সুপরিচিত শিÿা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। কক্সবাজার জেলার সদরের কাছাকাছি হওয়ার কারণে অল্প সময়ের মধ্যে বেশ কিছু শিÿা প্রতিষ্ঠান নতুনভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ইদানিং সময়ে। এখানে সাধারণ শিÿার জন্য সরকারী উচ্চ মাধ্যমিক ও নিমণ মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে, তেমনি রয়েছে কে.জি. স্কুল, সিনিয়র মাদ্রাসা ও এবতেদায়ী মাদ্রাসার মত ধর্মীয় প্রভাবিত শিÿা প্রতিষ্ঠান। নিমেণ এক নজরে শিÿা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বিসত্মারিত তথ্য প্রদান করা হলোঃ

 

§        সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়          ঃ ৭৬টি।

§        উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়               ঃ ১২টি

§        নিমণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়             ঃ ০২টি

§        কেজি স্কুল                              ঃ ১৬টি

§        কলেজ                                  ঃ ০৩টি

§         সিনিয়র মাদ্রাসা                                    ঃ১৩টি

§         এতিম খানা                          ঃ ০৯টি

§         এবতেদায়ী মাদ্রাসা                        ঃ  ১৬টি

 

নিচে উপজেলার  শিÿা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিসত্মারিত তথ্য প্রদান করা হলোঃ

 

বিদ্যালয়/

মাদ্রাসা/কলেজ

ইউনিয়ন

বিদ্যালয়ের নাম

শিÿার্থীর্

শিÿক/

শিÿÿকা

অবস্থান/

ওয়ার্ড

আশ্রয় কেন্দ্র হিসাবে ব্যবহার হয় কিনা

সরকারী প্রতিষ্ঠান

 

 

 

 

১। প্রাথমিক 

    বিদ্যালয়

    ৭৬টি

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

জালিয়াপালং

প্রাথমিক বি: -১৬টি

 

 

 

 

জালিয়াপালং সরকারি প্রা: বি

৭৩৩

১১

১নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

সোনারপাড়া সরকারি প্রা: বি

৮৪২

১০

৩ নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

নিদানিয়া সরকারি প্রা: বি

৫১৫

 ৫নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

ইনানী সরকারি প্রা: বি

৮৯২

 ৬নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

মো: শফির বিল সরকারি প্রা: বি

২৬৩

 ৭নং ওয়ার্ড

না

চোয়াংখালী সরকারি প্রা: বি

৩৩৩

 ৮নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

ছেপটখালী সরকারি প্রা: বি

৪৬১

 ৯নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

মনখালী সরকারি প্রা: বি

৪৯৭

 ৯নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

রুপপতি সরকারি প্রা: বি

৩২৫

 ৭নং ওয়ার্ড

না

সোনাইছড়ি সরকারি প্রা: বি

৬৪৮

 ২নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

মাদার বনিয়া সরকারি প্রা: বি

২৮৮

৭নং ওয়ার্ড

না

লম্বরীপাড়া সরকারি প্রা: বি

২৪৮

 ২নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

ডেইলপাড়া সরকারি প্রা: বি

৪৯৮

৪নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

চাককার্টা আবদু রহমান বদি সরকারি প্রা: বি

১২৫

১নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

 পূর্ব প্যানাশিয়া সরকারী: প্রা: বি

২৬১

১নং ওয়ার্ড

না

মনখালী চাকমা পাড়া সরকারী: প্রা:বি

২৭৪

 ৯নং ওয়ার্ড

না

 

 

 

রত্নাপালং

প্রাথমিক

বিদ্যালয়- ১২টি

রত্নাপালং সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৪২৭

৯ নং ওয়ার্ড

 

থিমছড়ি সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৬৩৫

 ৩ নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

ভালুকিয়া সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৫২৬

১০

 ২ নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

তেলী পাড়া সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৩৮২

 ৭নং ওয়ার্ড

না

গয়ালমারা সরকারী প্রা:বি

৪৭৪

 ৬নং ও য়ার্ড

হ্যাঁ

পূর্ব ভালুকিয়া তুলাতলি  সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৪১৩

 ৩নং ওয়ার্ড

না

কামারিয়ার বিল সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৪৫১

৬ নং ওয়ার্ড

না

প: রত্নাপালং সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৩৫০

 ৯নং ওয়ার্ড 

না

রহুলার ডেবাসরকারী প্রা: বিদ্যা:

২১২

 ৭নং ওয়ার্ড

না

দ:রত্না  মোজাহের ঘোনা  সরকারী প্রা: বিদ্যা: 

২৫৯

 ৭নং ওয়ার্ড

না

আমতলী সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৩৯০

৪নং ওয়ার্ড

না

করইবণিয়া পাহাড়িকা সরকারি প্রা: বি:

৩২০

 ৫নং ওয়ার্ড

না

হলদিয়াপালং

প্রাথমিক

বিদ্যালয়- ১৫টি

নলবনিয়া সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৪৫৮

9

৫নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

মরিচ্যা সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৭৬২

12

 ১নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

রুমখা বড়বিল সরকারী প্রা: বি

 ৫১৮

9

 ৭নং ওয়ার্ড

না

উ: বড় বিল সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৫৮৬

 ৭নং ওয়ার্ড

না

পাগলির বিল সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৫৫৭

 ২নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

গোরাইয়ার দ্বীপ সরকারী প্রা: বিদ্যা:

২১৫

 ১নং ওয়ার্ড

না

উত্তর ধুরম্নমখালী  সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৪৯৩ জন

 ৮নং ওয়ার্ড

না

হাতির ঘোনার সাইরা সরকারী প্রা: বিদ্যা:

২৯২

 ৭নং ওয়ার্ড

না

প: হলদিয়া পালং সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৪১১

 ৬নং ওয়ার্ড

না

হলদিয়া পাতাবাড়ি সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৩৭০

 ৪নং ওয়ার্ড

না

সাবেখ রুমখা সরকারী প্রা:

৪৫৯

 ৬ নং ওয়ার্ড

না

দ: হলদিয়া সরকারী প্রা: বিদ্যা:

২৪৮

৫ নং ওয়ার্ড

না

মধ্যম হলদিয়া সরকারী প্রা: বিদ্যা:

২৫০

৬নং ওয়ার্ড

না

রুমখা পালং সরকারী প্রা: বি:

৪৯৭

৯নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

সালেহা বুলবুল  সরকারী প্রা: বি:

২৪১

১নং ওয়ার্ড

না

 

 

রাজাপালং

প্রাথমিক

বিদ্যালয়- ২৫টি

হাতিমোরা সরকারী প্রা: বিদ্যা:

২৯২

৮নং ওয়ার্ড

না

রাজাপালং সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৫৪০

১০

২নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

উখিয়া মডেল সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৯৬২

১৩

৫নং ওয়ার্ড

না

চাকবৈঠা সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৩২৩

৪নং ওয়ার্ড

না

ডেইল পাড়া সরকারী প্রা: বিদ্যা

৪৯৮

৭নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

দরগাহ পালং সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৩৩২

৮নং ওয়ার্ড

না

কুতুপালং সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৮০৮

৯নং ওয়ার্ড

না

 

 

 

 

 

মধ্য রাজাপালং সরকারী প্রা: বিদ্যা:

২২৪

২নং ওয়ার্ড

না

দরগাহ বিল সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৪১২

৮নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

উ: পুকুরিয়া সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৩৪৫

২নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

তুতুর বিল সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৩৮২

১নং ওয়ার্ড

না

খয়রাতি সরকারী প্রা: বিদ্যা

২৮৫

৩নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

হরিণমারা সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৪১৯

৩নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

পাতাবাড়ি সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৩৭০

৯নং ওয়ার্ড

না

ফলিয়া পাড়া  সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৩৯১

৬নং ওয়ার্ড

না

সিকদার বিল সরকারী প্রা: বিদ্যা:

২১৩

৫নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

পূর্ব ডিগলিয়া সরকারী প্রা: বিদ্যা:

২৩৫

৪নং ওয়ার্ড

না

লম্বা ঘোনা সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৩০৮

৮নং ওয়ার্ড

না

ঘোনার পাড়া শফি সরকারী প্রা: বিদ্যা:

২২৩

৮নং ওয়ার্ড

না

দোছড়ী পাহড়িকা সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৩৮০

৩নং ওয়ার্ড

না

রেজুরকুল সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৩৩৩

১নং ওয়ার্ড

না

রাজাপালং মোহছেন আলী প্রা: বিদ্যা:

৩১০

৩নং ওয়ার্ড

না

নতুন পাড়া জে:চৌং সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৩৫৫

৬নং ওয়ার্ড

না

দ:ফলিয়া নুরুল ইসলাম চৌ: সরকারী প্রা: বিদ্যা:

১৯২

৬নং ওয়ার্ড

না

হাঙ্গর ঘোনা অরিবিন্দু বড়ুয়া সরকারী প্রা: বিদ্যা:

১০২

৯নং ওয়ার্ড

না

পালং খালী

প্রাথমিক

বিদ্যালয়- ৮টি

বালুখালী সরকারী প্রা: বিদ্যা:

২৫২

   ০৮

১ নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

ফারির বিল সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৩৯০

 ৮ নং ওয়ার্ড

না

থাইংখালী সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৫২৫

 ৪নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

রহমতের বিল সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৩৩০

 ৩নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

আনজুমানপাড়া সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৬২০

 ৯নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

পালংখালী সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৫৯৪

 ৮নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

তেলখোলা সরকারী প্রা: বিদ্যা:

৫২১

 ৬নং ওয়ার্ড

না

দ: বালুখালী লতিফুন্নছা সরকারী প্রা: বিদ্যা: 

২২৬

 ১নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

 

 

 

 

 

 

বেসরকারী  প্রতিষ্ঠান-৪৩

 

১। কলেজ-৩

 

২। মাধ্যমিক

বিদ্যালয়-১২

 

৩। মাদ্রাসা-১৩

 

৪। কেজি

স্কুল-১৬

 

জালিয়াপালং৮টি   

মাধ্যমিক বিদ্যালয়-২টি

নিম্ম-মাধ্যমিক-১টি

মাদ্রাসা-২টি

কেজি-৩টি

সোনাপাড়া  উচ্চ বিদ্যালয়

৯৩০

১৭

৩ নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

জালিয়া পালং উচ্চ বিদ্যালয়

২৭০

 ২নং ওয়ার্ড

না

উপকুলীয় নিম্ম-মাধ্যমিক বিদ্যালয়

১১০

৯ নং ওয়ার্ড

না

সানবাইজ কিন্ডার গার্টেন

২০০

১০

৩ নং ওয়ার্ড

না

ইনানী কিন্ডার গার্টেন কিন্ডার গার্টেন

১৪০

৬ নং ওয়ার্ড

না

মো: সফির বিল সী-বাট

৪৪

৭ নং ওয়ার্ড

না

সোনারপাড়া দাখিল মাদ্রাসা

৬৭০

১৩

৩নং ওয়ার্ড

না

আয়েশা সিদ্দিকা  বালিকা দাখিল  মাদ্রাসা

১৩০

১০

২নং ওয়ার্ড

না

রত্নাপালং- ৬টি

মাধ্যমিক বিদ্যালয়-২টি

নিম্ম-মাধ্যমিক-নাই

মাদ্রাসা-২টি

কেজি-২টি

 

ভালুকিয়া পালং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়

৮৫০

২১

২নং ওয়ার্ড

না

পালং  আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়

১১৫০

১৯

৮নং ওয়ার্ড

না

আলহাজ্ব হাকিম আলী চৌং কেজি স্কুল

২৭০

৯নং ওয়ার্ড

না

কোট বাজার আইডিয়াল কেজি স্কুল

১৫০

১নং ওয়ার্ড

না

গয়ালমারা দাখিল  মাদরাসা

৫৫৪

১৪

৬ নং ওয়ার্ড

না

ফাতেমাতুজ্জাহরা(রা) দাখিল  মাদরাসা

২৭০

১৫

 ১নং ওয়ার্ড

না

হলদিয়াপালং- ১০টি

মাধ্যমিক বিদ্যালয়-২টি

নিম্ম-মাধ্যমিক-২

মাদ্রাসা-২টি

কেজি-৪টি

 

মরিচ্যা পালং উচ্চ বিদ্যালয়

৯৯৫

১৯

১নং ওয়ার্ড

না

মুক্তিযোদ্ধাস্মৃতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়

৪৫৫

১০

৮নং ওয়ার্ড

না

হিলটপ বালিকা নিম্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয়

১৩০

৭নং ওয়ার্ড

না

এসবিসিবি চৌং নিম্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয়

 

 

৬ নং ওয়ার্ড

না

হিলটপ কেজি এন্ড ক্যাডেট স্কুল

১০০

৭নং ওয়ার্ড

না

ক্যাপটেন আবদুচ সোবাহান কেজি স্কুল

৭৫

১নং ওয়ার্ড

না

পালং পাবলিক কেজি স্কুল

১৭৮

৯নং ওয়ার্ড

না

 মরিচ্যা মডেল কেজি স্কুল

৫৫

৯নং ওয়ার্ড

না

রুমখা  আলিম  মাদরাসা

৮৮৯

১৯

৯নং ওয়ার্ড

না

উম্মে সালমা( র:)বালিকা দাখিল মাদ্রাসা

৪৬৮

১০

 ১ নং ওয়ার্ড

না

 

রাজাপালং- ১৫টি

কলেজ-৩টি

মাধ্যমিক বিদ্যালয়-৩টি

নিম্ম-

মাধ্যমিক-১টি

মাদ্রাসা-৪টি

কেজি-৪টি

কুতুপালং উচ্চ বিদ্যালয়

৯০০

১৫

৯নং ওয়ার্ড

না

রাজাপালং এ,কে,সি উচ্চ বিদ্যালয়

১০৩০

১৬

২নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

উখিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়

১৪০০

২০

৫নং ওয়ার্ড

না

নুরুল ইসলাম চৌং উচ্চ বিদ্যালয়

 

 

৬নং ওয়ার্ড

না

উখিয়া গালর্স স্কুল এন্ড কলেজ

৪০০

১৩

  ২ নং ওয়ার্ড

না

ডেইল পাড়া নিম্ম-মাধ্যমিক বিদ্যালয়

১৫২

৭নং ওয়ার্ড

না

উখিয়া কেজি স্কুল

১৯০

৬নং ওয়ার্ড

না

 

গ্রীণ বার্ট কেজি স্কুল

২৫০

৬নং ওয়ার্ড

না

 

ইউনিক কিন্ডার গার্ডেন

৭৫

১নং ওয়ার্ড

না

কথাকলি কিন্ডার গার্ডেন

৮৫

৫নং ওয়ার্ড

না

রাজাপালং এমদাদূল উলুম ফাজিল মাদরাসা

৮৫০

২৫

২নং ওয়ার্ড

না

হামেদিয়া দারুচছুন্নাহ দাখিল  মাদ্রাসা

৫৮০

১৬

৭নং ওয়ার্ড

না

রাজাপালং এম ইউ ফাজিল  মাদ্রাসা

৯৮৫

২৬

২নং ওয়ার্ড

না

বাইতুশ শরফ বালিকা মাদ্রাসা

৪৫০

১৪

২নং ওয়ার্ড

হ্যাঁ

উখিয়া ডিগ্রী কলেজ

১২০০

৩০

৯নং ওয়ার্ড

না

বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কলেজ

৭৫০

১৮

৫নং ওয়ার্ড

          না

পালংখালী উচ্চ বিদ্যালয়

৬৯৫

৮নং ওয়ার্ড

না

পালংখালী - ৯টি

মাধ্যমিক বিদ্যালয়-৩টি

নিম্ম-মাধ্যমিক-নাই

মাদ্রাসা-৩টি

কেজি-৩টি

বালুখালী উচ্চ বিদ্যালয়

৩৫৯

  ১ নং ওয়ার্ড

না

থাইংখালী উচ্চ বিদ্যালয়

৪৩৯

৪নং ওয়ার্ড

না

হলি চাইল্ড একাডেমি থাইংখালী স্কুল

২৫০

৪ নং ওয়ার্ড

না

বালুখালী কেজি স্কুল

১৩৫

১নং ওয়ার্ড

না

বালুখালী আইডিয়াল কেজি স্কুল

১৪২

১ নং ওয়ার্ড

না

ফারির বিল আলিম মাদ্রাসা

৮৫০

১৪

৮নং ওয়ার্ড  

ইা

থাইংখালী দাখিল মাদ্রাসা

৪২৫

১২

৫নং ওয়ার্ড  

না

রহমতের বিল দাখিল মাদ্রাসা

৪৬৫

১৩

৩নং ওয়ার্ড  

ইা

 

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানঃ উখিয়া উপজেলাটি মুসলিম অধ্যুষিত এলাকা হলেও এখানে অন্যান্য ধর্মাবলম্বী যেমন হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের জনগণ একেবারে নগন্য নয়। ধর্মীয় সংখ্যাগরিষ্টতার কারণে আনুপাতিক হারে এখানে মসজিদের সংখ্যা বেশী। উপজেলায় মোট ৩৮৮টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রয়েছে। নিমেণ এক নজরে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের তালিকা ও তথ্য প্রদান করা হলোঃ

 

§        মসজিদ               ঃ ৩৮৮টি

§        মন্দির                 ঃ ১৯টি

§         গীর্জা                   ঃ নেই

§         বৌদ্ধ মন্দির           ঃ ৩৫টি

 

ক্রমিক নং

কোন ইউনিয়নের কোন ওয়ার্ডে অবস্থিত

কয়টি

সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

০১.

জালিয়াপালং ইউনিয়ন : ১-৯ নং ওয়ার্ড প্রতি  ওয়ার্ডে মসজিদ আছে এবং ১, ৮ নং ও ৯ নং ওয়ার্ডে ক্যায়াংআছে।

মসজিদ- ৯০টি

ক্যায়াং- ৩টি

 

০২.

রত্নাপালং ইউনিয়ন : ১-৯ নং ওয়ার্ড প্রতি  ওয়ার্ডে মসজিদ আছে এবং১, ২, ৪ নং ৮ ও নং ওয়ার্ডে ক্যায়াংআছে।

মসজিদ-৫০টি

মন্দির- নাই

ক্যায়াং- ৯টি

 

০৩.

হলদিয়া ইউনিয়ন : ১-৯ নং ওয়ার্ডে প্রতি  ওয়ার্ডে মসজিদ আছে , ৮ নং ওয়ার্ডে মন্দির এবং ১, ৩, ৫, ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডে ক্যায়াং আছে।

মসজিদ- ৭৯টি

মন্দির-৯ টি

ক্যায়াং-১২টি

 

০৪.

রাজাপালং ইউনিয়ন : ১-৯ নং ওয়ার্ড প্রতি  ওয়ার্ডে মসজিদ আছে , ২, ৩, ৬ ও ৯ নং ওয়ার্ডে মন্দির ]

এবং ১, ৩, ৬ নং ও ৯ নং ওয়ার্ডে ক্যায়াং আছে।

মসজিদ- ৯৯টি

মন্দির-৭ টি

ক্যায়াং-৯ টি

 

০৫.

পালংখালী ইউনিয়ন : ১-৯ নং ওয়ার্ড প্রতি  ওয়ার্ডে মসজিদ আছে, ১ ও ৭ নং ওয়ার্ডে মন্দির  এবং  ৬ নং ওয়ার্ডে ক্যায়াং আছে।

মসজিদ-৭০টি

মন্দির- ৩টি

ক্যায়াং-২ টি

 

 

 

 

সরকারী ও বেসরকারী স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ক্লিনিকসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র কয়টিঃ 26টি

 

স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান

কোথায় অবস্থিত

ডাক্তার, নার্স কতজন ও তাদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা

সেবার মান

খরচ কেমন

 

 

 

 

 

 

উপজেলা স্বাস্থ্য:

প: প: কমপেস্নক্স

প: সিকদার বিল, ৫ নং ওয়া©র্ড

ইউ এইচ এন্ড এফ, ও  - ১

আরএম ও - ০০

জুনি : কন: (সার্জারী- ০০

জুনি : কন: (গাইনী) - ০০

এম ও - ০০

জুনি : কন: (মেডি

সিন)-০০

জুনি : কন:( এ্যানেসথেসিয়া)-০০

ডেন্টাল সার্জন - ১

এম টি (ল্যাব) - ১

এম টি (ডেন্টাল ) - ১

এম টি (রেডিও)-০০

এম টি( এস,আই)-১

এমটি (ই পি আই)-১

 র্ফামাসিষ্ট - ১

চিকিৎসা সহকারী-০০

এস এস নার্স - ২

সহকারী নার্স-০০

স্বাস্থ্য পরিদশক -১

সহকারীস্বাস্থ্য পরিদশক -৬

স্বাস্থ্য সহকারী -১৯

টি এল সি এ -০০

হারবাল সহকারী - ১

এম এল এস এস - ১

ওয়ার্ড বয় - ১

উখিয়া উপজেলায় ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল।  এই উপজেলা হাসপাতালে স্বাস্থ্য সংক্রামত্ম সকল সেবা দেওয়া হয়। যেমন:- ইপিআই সেবা, মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা , আউট ডুর সেবা, মাতৃসেবা বাউচার স্কিম, জরুরী বিভাগে সকল চিকিৎসা দেওয়া হয়।উপজেলায় জনগণ যারা মোটামুটি স্বচ্ছল তারা চট্টগ্রাম শহরে বা জেলা সদরেই চিকিৎসা নিয়ে থাকে।

আউট ডোরে টিকেটের মাধ্যমে ১০ টাকা  নিয়ে প্রতিদিন রোগী  দেখে ডাক্তাররা এছাড়া প্যাথলজি ও ওটিতে সরকারী নিয়ম অনুযায়ী চার্জ নেওয়া হয়।

উপজেলা পরিবার-পরিকল্পনা কেন্দ্র

প: সিকদার বিল, ৫ নং ওয়ার্ডে

উপজেলা প:প:কর্মকর্তা-১

এম সি এইস্এফ পি -০০

ইউ এফ পি এ - ২

এম এল এস এস - ১

এফ ডাবস্নউ ভি - ২

 

মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা, সকল প্রকার প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা,প: প: সেবা, স্বপ্লমেয়াদী পদ্বতি, দীর্ঘমেয়াদী পদ্বতি ও  স্থায়ী পদ্বতি

বিনামূল্যে

ইউনিয়ন প: প: কেন্দ্র-৪টি

জালিয়াপালং-9 নং ওয়ার্ড/ রত্নাপালং-৪ নং ওয়ার্ড / হলদিয়া-১ নং ওয়ার্ড / পালংখালী-৫ নং ওয়ার্ড

এস,এ,সি,এম,ও-০০

এফ,ডব্লিউ,ভি-১জন,

এফ,ডব্লিউ,এ-০০

 

মাও শিশু স্বাস্থ্য  সেবা,

সাধারন রোগী সেবা,

কিশুর-কিশুরী  স্বাস্থ্য সেবা,প: প: সেবা, 

বিনা মূল্যে

ইউনিয়ন উপ- স্বাস্থ্যকেন্দ্র-4টি

জালিয়াপালং-৬ নং ওয়ার্ড/ রত্নাপালং-৪ নং ওয়ার্ড / হলদিয়া-১ নং ওয়ার্ড / পালংখালী-১ নং ওয়ার্ড

এম,ও - ০০   

এস,এ,সিএম,ও -১

ফার্মাসিষ্ট-০০

এম,এল,এস,এস-০০

 

স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সকল সেবা   (ইপি আই , প: প: সেবা  ও প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা )   

বিনা মূল্যে

কমিউনিটি ক্লিনিটি-১৬টি

জালিয়াপালং ইউনিয়ন :

 ১ নং ওয়ার্ড, ৩নং ওয়ার্ড , ৯নং ওয়ার্ড  রত্নাপালংইউনিয়ন:

-৯ নং ওয়ার্ড, ৭নং ওয়ার্ড, ১নং ওয়ার্ড /

 হলদিয়া ইউনিয়ন-  ২ নং ওয়ার্ড, ৬নং ওয়ার্ড, ৮নং ওয়ার্ড রাজাপালং ইউনিয়ন:

 ২নং ওয়ার্ড, ৪নং ওয়ার্ড, ৬ নং ওয়ার্ড,৮নং ওয়ার্ড, ৯ নং ওয়ার্ড

পালংখালী ইউনিয়ন:

৮নং ওয়ার্ড ।

 

স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সকল সেবা   (ইপি আই , প: প: সেবা  ও প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা ) 

বিনা মূল্যে

 

ব্যাংক ঃযেহেতু উখিয়া উপজেলা সদর কক্সবাজার জেলা সদর থেকে মাত্র ৩০ কিলোমিটার, এলাকার লোকজন ইচ্ছা করলে সরাসরি কক্সবাজার সদর উপজেলায় ব্যাংকিং করতে পারে। তারপর উখিয়া সদর উপজেলা ব্যতীত ইউনিয়ন পর্যায়ের বড় বাজারগুলোতে বিভিন্ন সরকারী ও বেসকারী ব্যাংক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এই উপজেলায় মোট ৭টি ব্যাংক রয়েছে। ব্যাংকগুলো ভাল সার্ভিস প্রদান করছে। নিচে ব্যাংকগুলো পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রদান করা হলোঃ

 

ক্র/নং

ব্যাংকের নাম

কোথায় অবস্থিত

সেবার ধরণ

০১.

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশলি:

রত্নাপালং ইউনিয়ন- ৯নং ওয়ার্ড

অমানত সংগ্রহ, ডিপিএস ও সহজ শর্তে ক্ষুদ্র ঋণ বিতরন,আমানত সংরক্ষণ।

 

০২.

রুপালী ব্যাংক লি:

রত্নাপালং ইউনিয়ন-৯নং ওয়ার্ড

আমানত রাখা, ডিপিএস, সহজ শর্তে ঋণ বিতরন,  বেসরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন ভাতা প্রদান ও ট্রেজারী সংক্রামত্ম হিসাব  

০৩.

ফাষ্ট  সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লি:

রত্নাপালং ইউনিয়ন- ৯ নং ওয়ার্ড

অমানত সংগ্রহ, ডিপিএস ও সহজ শর্তে ক্ষুদ্র ঋণ বিতরন,আমানত সংরক্ষণ।

০৪.

অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড

 

হলদিয়াপালং-১ নং ওয়ার্ডে বাজার উপর

 

টাকা আমানত রাখা, ডিপিএস, সহজ শর্তে ঋণ বিতরন, সরকারী/বেসরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন ভাতা প্রদানকরা। 

০৫.

বাংলাদেশ কৃষি ব্যংক

রাজাপালং-৬ নং ওয়ার্ড

কৃষি খাতে সহজ শর্তে ঋণ বিতরন , সরকারী ভাতা  বিতরন  ও  টাকা আমানত রাখা 

০৬.

সোনালী ব্যংক

রাজাপালং -৬ নং ওয়ার্ড

সহজ শর্তে ঋণ বিতরন , সরকারী ভাতা বিতরন  ও  টাকা আমানত রাখা 

০৭.

পূবালী ব্যাংক

রাজাপালং -৬ নং ওয়ার্ড

সহজ শর্তে ঋণ বিতরন , সরকারী ভাতা বিতরন, বিদ্যুৎ বিল গ্রহন  ও  টাকা আমানত রাখা

 

পোষ্ট অফিসঃ উপজেলায় পোষ্ট আফিস ১টি ও ৫ টি এক্সট্রা অডিনারি ব্রাঞ্চ অফিসসহ মোট ৬টি      

 

পোস্ট অফিসের নাম

কোথায় অবস্থিত

সেবার ধরণ

সেবার মান

ইনানী পোষ্ট অফিস

জালিয়াপালং

৩ নং ওয়ার্ড

দৈনিক নিয়মিত চিঠি-পত্র আদান-প্রদান, মানিঅর্ডার সুবিধা, ডাক বীমা, সঞ্চয় স্কীম, ইত্যাদি

ভাল

চাকবৈঠা পোষ্ট অফিস

রত্নাপালং ইউনিয়ন

৫ নং ওয়ার্ড

দৈনিক নিয়মিত চিঠি-পত্র আদান-প্রদান, মানিঅর্ডার সুবিধা, ডাক বীমা, সঞ্চয় স্কীম, ইত্যাদি

ভাল

রত্নাপালং পোষ্ট অফিস

রত্নাপালং ইউনিয়ন-

দৈনিক নিয়মিত চিঠি-পত্র আদান-প্রদান, মানিঅর্ডার সুবিধা, ডাক বীমা, সঞ্চয় স্কীম, ইত্যাদি

ভাল

মরিচ্যা পোষ্ট  অফিস

 হলদিয়াপালং

1নং ওয়ার্ড

দৈনিক নিয়মিত চিঠি-পত্র আদান-প্রদান, মানিঅর্ডার সুবিধা, ডাক বীমা, সঞ্চয় স্কীম, ইত্যাদি

ভাল

উখিয়া পোষ্ট অফিস

রাজাপালং

৬ নং ওয়ার্ড

দৈনিক নিয়মিত চিঠি-পত্র আদান-প্রদান, মানিঅর্ডার সুবিধা, ডাক বীমা, সঞ্চয় স্কীম, ইত্যাদি

ভাল

বালুখালী পোষ্ট অফিস

পালংখালী

১নং ওয়ার্ড

দৈনিক নিয়মিত চিঠি-পত্র আদান-প্রদান, মানিঅর্ডার সুবিধা, ডাক বীমা, সঞ্চয় স্কীম, ইত্যাদি

ভাল

 

ক্লাব/সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ঃ উপজেলায় মোট ১৭টি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেগুলো বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও আপদকালীন মুর্হুতে সাধারণ জনগণের কল্যানার্থে সহযোগিতা করে থাকে। প্রতিটি ক্লাব/প্রতিষ্ঠানগুলো সমাজ সেবার অধীনে রেজিষ্ট্রি ভুক্ত। নিমেণ এক নজরে ক্লাব বা সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সংখ্যা বিসত্মারিত তথ্য প্রদান করা হলোঃ

 

ক্লাব বা সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের নাম

কোথায় অবস্থিত

কাজের ধরণ

কোন সমাজসেবা বা উন্নয়নমূলক কাজে সহায়তা করে কিনা

সূর্যোদয় সংঘ

রত্না পালং, উখিয়া, কক্সবাজার

জাতীয় দিবস পালন বৃক্ষ রোপন, হাঁস মুরগী ও গরম্ন-ছাগল পালন, গরীব দুস্থঃদের সাহায্য এবং বিভিন্ন খেলায় অংশগ্রহণ

বৃক্ষ রোপন, গরীব দুস্থঃদের সাহায্য করা 

 

শৈলের ঢেবা আদর্শ তরুণ সংঘ

শৈলের ঢেবা, উখিয়া, কক্সবাজার

জাতীয় দিবস পালন মৎস্য চাষ, বৃক্ষ রোপন গরীব দুস্থঃদের সাহায্য, বিভিন্ন খেলায় অংশগ্রহন

বৃক্ষ রোপন, গরীব দুস্থঃদের সাহায্য করা 

 

যুব কল্যান কেন্দ্র

পালংখালী , উখিয়া,কক্সবাজার

বৃক্ষ রোপন, গরীব দুস্থঃদের সাহায্য বিভিন্ন খেলায় অংশগ্রহন

ধর্মসভা করা

বৃক্ষ রোপন, গরীব দুস্থ:দের সাহায্য করা 

 

বালুখালী  নবারুন সংস্থা

পালংখালী , উখিয়া,কক্সবাজার

জাতীয় দিবস পালন, মৎস্য চাষ, বৃক্ষ রোপন, গরীব দুস্থঃদের সাহায্য, বিভিন্ন খেলায় অংশগ্রহন

বৃক্ষ রোপন, গরীব দুস্থঃদের সাহায্য করা ও বয়স্ক শিÿা কেন্দ্র পরিচালনা।

জালিয়াপালং রিক্সা চালক ও মালিক কল্যান সমিতি

জালিয়াপালং, উখিয়া,কক্সবাজার

জাতীয় দিবস পালন, মৎস্য চাষ, বৃক্ষ রোপন, গরীব দুস্থঃদের সাহায্য, বিভিন্ন খেলায় অংশগ্রহন

বৃক্ষ রোপন, গরীব দুস্থঃদের সাহায্য করা 

 

সোনাপাড়া সমাজ কল্যান সমিতি

জালিয়াপালং, উখিয়া,কক্সবাজার

জাতীয় দিবস পালন, মৎস্য চাষ, বৃক্ষ রোপন, গরীব দুস্থঃদের সাহায্য, বিভিন্ন খেলায় অংশগ্রহন

বৃক্ষ রোপন, গরীব দুস্থঃদের সাহায্য করা 

 

বুদ্ব্ জ্যোতি সাবজনীন কল্যান সংস্থা ধর্মংকর বিহার

রাজাপালং, উখিয়া,কক্সবাজার

জাতীয় দিবস পালন, বৃক্ষ রোপন, হাঁস মুরগী ও গরম্ন-ছাগল পালন, গরীব দুস্থঃদের সাহায্য এবং বিভিন্ন খেলায় অংশগ্রহন

বৃক্ষ রোপন, গরীব দুস্থঃদের সাহায্য করা ও বয়স্ক শিÿা কেন্দ্র পরিচালনা।

 

কেন্দ্রীয় ফেমাস সংসদ

রাজাপালং, উখিয়া,কক্সবাজার

জাতীয় দিবস পালন, বৃক্ষ রোপন, হাঁস মুরগী ও গরম্ন-ছাগল পালন, গরীব দুস্থঃদের সাহায্য এবং বিভিন্ন খেলায় অংশগ্রহন

বৃক্ষ রোপন, গরীব দুস্থঃদের সাহায্য করা 

 

আল ইখওয়ান সংসদ

জালিয়াপালং, উখিয়া,কক্সবাজার

জাতীয় দিবস পালন বৃক্ষ রোপন, হাঁস মুরগী ও গরম্ন-ছাগল পালন, গরীব দুস্থঃদের সাহায্য এবং বিভিন্ন খেলায় অংশগ্রহন

বৃক্ষ রোপন, গরীব দুস্থঃদের সাহায্য করা 

 

বালুখালী আদর্শ ইয়ং স্টার ক্লাব

পালংখালী , উখিয়া,কক্সবাজার

জাতীয় দিবস পালন মৎস্য চাষ , বৃক্ষ রোপন গরীব দুস্থঃদের সাহায্য বিভিন্ন খেলায় অংশগ্রহন

বৃক্ষ রোপন, গরীব দুস্থঃদের সাহায্য করা 

 

মাদারবনিয়া উপজাতীয় সংস্থা

জালিয়াপালং, উখিয়া,কক্সবাজার

জাতীয় দিবস পালন মৎস্য চাষ, বৃক্ষ রোপন গরীব দুস্থঃদের সাহায্য বিভিন্ন খেলায় অংশগ্রহন

বৃক্ষ রোপন, গরীব দুস্থঃদের সাহায্য করা 

 

অফিসার্স কল্যাণ ক্লাব

রাজাপালং, উখিয়া,কক্সবাজার

জাতীয় দিবস পালন মৎস্য চাষ, বৃক্ষ রোপন গরীব দুস্থঃদের সাহায্য বিভিন্ন খেলায় অংশগ্রহন

বৃক্ষ রোপন, গরীব দুস্থঃদের সাহায্য করা 

 

উপজেলা রোগী কল্যাণ সমিতি

রাজাপালং, উখিয়া,কক্সবাজার

জাতীয় দিবস পালন মৎস্য চাষ , বৃক্ষ রোপন গরীব দুস্থঃ দের সাহায্য বিভিন্ন খেলায় অংশগ্রহন

বৃক্ষ রোপন, গরীব দুস্থঃদের সাহায্য করা 

 

একতা শ্রমিক কল্যাণ সমিতি

পালংখালী , উখিয়া,কক্সবাজার

বৃক্ষ রোপন, গরীব দুস্থঃ দের সাহায্য বিভিন্ন খেলায় অংশগ্রহন

ধর্মসভা করা

বৃক্ষ রোপন, গরীব দুস্থঃদের সাহায্য করা ও বয়স্ক শিÿা কেন্দ্র পরিচালনা।

 

বন বিট অপিসঃ ০৯টি।

নাম

কোথায় অবস্থিত

জালিয়াপালং ইউনিয়নে বন বিট অফিস-৩টি

২নং ওয়ার্ড-১টি, ৬নং ওয়াড-১টি,৯নং ওয়াড-১টি

রত্নাপালং ইউনিয়নে বন বিট অফিস-১টি

৪ নং ওয়ার্ড-১টি

হলদিয়াপালং ইউনিয়নে বন বিট অফিস-১টি

৬ নং ওয়ার্ড-১টি

রাজাপালং ইউনিয়নে বন বিট অফিস-৪টি

১নং ওয়ার্ড-১টি,৩নং ওয়ার্ড-১টি ও ৫নং ওয়ার্ড-২টি

 

এনজিও/সেচ্ছাসেবী সংস্থা ঃ

 

এই উপজেলায় বেশ কয়েকটি জাতীয় ও আমত্মর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। বিশেষভাবে উখিয়া এলাকা কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে অনেকগুলো এনজিও স্বাস্থ্য, শিÿা ও অন্যান্য সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। মোট ১৫ স্থানীয়, জাতীয় ও আমত্মর্জাতিক পর্যায়ের এনজিও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে এই উপজেলায়। দূর্যোগ প্রশমন, জলবায়ু পরিবর্তন, ÿুদ্রঋণ কার্যক্রম, শিÿা, স্বাস্থ্য, বনায়ন, সার্বিক সচেতনতাসহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। নিমেণ এনজিও/স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সমূহের বিসত্মারিত বিবরণ প্রদান করা হলোঃ

 

ক্র/নং

এনজিও

কি বিষয়ে কাজ করে

উপকারভোগী সংখ্যা

প্রকল্প মেয়াদকাল

বিজিএস

মাইক্রো-ক্রেডিট

২৪০২ জন

চলমান

সিডিএমপি (দূর্যোগবিষয়)

৫ টি ইউনিয়ন

জুলাই-১৩-আগষ্ট ১৪

ঘরনী

ম্যালেরিয়া রোগ প্রতিরোধ

১৯৬জন

২০১৪-২০১৫

বু¨রোবাংলাদেশ

খুদ্র ঋণ প্রকল্প ও মানি ট্রান্সফার

১২৩০জন

চলমান

এস ডি আই

খুদ্র ঋণ প্রকল্প

১৩১০জন

চলমান

গ্রামীণ ব্যাংক

খুদ্র ঋণ প্রকল্প

১৯৭০জন

চলমান

আশা

খুদ্র ঋণ প্রকল্প,শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

৫৬০০জন

চলমান

 

কোডেক

শিক্ষা

২৯০০জন

২০১৪

শিশু রক্ষা প্রকল্প

৬০০০জন

মার্চ-২০১৪

আরটিএমআই

শরনার্থী ক্যাম্পে স্বাস্থ্য বিষয়ক কাজ

১৩০০০জন

২০১১-২০১৬

কোষ্ট

খুদ্র ঋণ প্রকল্প

২২৫০জন

চলমান

প্রি-প্রাইমারি

৪২০জন

২০১৩-২০১৪

১০

শেড

ইনানীরক্ষিতবনাঞ্চলসহব্যবস্থাপনাপ্রকল্প

১৫৬০জন

২০০৯-২০১৪

সোহাদ্য(দুযোগঝুঁকি,প্রশমনওজলবায়ুপরির্বতন

৭৯৯৩জন

২০১০হতে২০১৫সালপর্যন্ত

 

 

১০

 

 

হেলপ কক্সবাজার

 

 

আইজিএ

২৪৫ জন

চলমান

আনন্দ স্কুল

৮৭০জন

২০১৪

বন্দ্বু চুলা

২৪৪০জন

চলমান

পারিবারিক  সহিংসতা প্রতিরোধ

২২৪০জন

চলমান

নারী -শিশু পাচার  ও নির্যাতন প্রতিরোধ

১২০০জন

চলমান

ভিজিডি

২৪২৪ জন

২০১৩-২০১৪

যুব উন্নয়ন ও যুব নেটওয়ার্কিং

৩৬জন

চলমান

১১

আইডিএফ

ÿুদ্র ঋণ প্রকল্প

২৩০০জন

চলমান

সৌর বিদ্যুৎ

৪৯৮জন

চলমান

 

 

১২

 

ব্র্যাক  

ঋণ প্রকল্প

৭৫০০জন

চলমান

এইচ,এন,পি পি

৫০০জন

চলমান

ভিপিএস

৬৫০জন

চলমান

সিফোডি

৫ টি ইউনিয়ন

চলমান

এইচআরএলএস

৫ টি ইউনিয়ন

চলমান

এস,ডি

৫ টি ইউনিয়ন

চলমান

জি পি পি

১৫২৪জন

চলমান

এ ডি পি

৪৫০জন

চলমান

ওয়াশ

২১০০জন

২০১০-২০১৬

১৩

ভার্ক

শিক্ষা ও পুষ্টি  নিয়ে শরনার্থী ক্যাম্পে কাজ

৩০০০জন

২০১২-২০১৪

১৪

এসএআরপিভি

রিকেডস রোগ,মুগল পা, ঠোট কাটা

রাজাপালং/পালংখালী ইউনিয়ন সমগ্র ওয়ার্ড

চলমান

১৫

মুসলিম এইড

স্কুল ফিডিং

৩১২১৫জন

২০১৩-২০১৬

 

খেলার মাঠঃ

 

কয়টি

খেলার মাঠের নাম

কোথায় অবস্থিত

দুর্যোগের সময় কোন কাজে লাগে কিনা

কিভাবে

 

৫টি

সোনাইছড়ী খেলার মাঠ

সোনারপাড়া উচ্চ বি: মাঠ

নিদানিয়া সৈকত মাঠ

বাদামতলী এবতেদায়ী মাদ্রাসা মাঠনিদানিয়া স:প্রা:বি মাঠ

জালিয়াপালং ইউনিয়ন:-

২নং ওয়ার্ড:১টি

৩নং ওয়ার্ড:১টি

৪ নং ওয়ার্ড:৩টি

ত্রান বিতরন করার কাজে ব্যবহার করা হয়েছে

দুর্যোগের সময় পশু ও মালামাল রাখার কাজে, দূর্যোগ পরবর্তীতে ত্রান বিতরণের কাজে ব্যবহার করা হয়

 

২টি

ভালুকিয়া স:প্রা: স্কুলের মাঠ

পালং আদর্শ উচ্চ বি: খেলার মাঠ

 

রত্নাপালং ইউনিয়ন:-

২নং ওয়ার্ড:১টি

৮নং ওয়ার্ড:১টি

ত্রাণ বিতরণ করার  কাজে লাগিয়েছে

দূর্যোগের সময় পশু ও মালামাল রাখা এবং দূযোর্গ পরবর্তী ত্রাণ বিতরণের কাজে ব্যবহার করা হয়।

 

 

৯টি

মরিচ্যা পালং উচ্চ বিদ্যালয মাঠ

চন্ডবানিয়া খেলার মাঠ

গোরাইয়ার দ্বীপ সরকারী প্রা: বিদ্যা: মাঠ

উ: বড়বিল স: প্রা: বি: মাঠ

পাতাবাড়ি স: প্রা: বি: মাঠ

নলবনিয়া স: প্রা: বি: মাঠ

হিলটস স:প্রা: মাঠ

চন্দ্রবনিয়া খেলার মাঠ

চৌধুরী পাড়া স: প্রা: বি মাঠ

 

হলদিয়াপালং ইউনিয়ন:­-

১নং ওয়ার্ড :২টি

২নং ওয়ার্ড:১টি 

৩ নং ওয়ার্ড:১টি

৪নং ওয়ার্ড:১টি

৫নং ওয়ার্ড:১টি

৬নং ওয়ার্ড:১টি

৮নং ওয়ার্ড:১টি

৯নং ওয়ার্ড:১টি

 

ত্রাণ বিতরণ করার কাজে লাগিয়েছে

দূর্যোগের সময় পশু ও মালামাল রাখার কাজে, দূযোর্গ পরবর্তীতে ত্রান বিতরণের কাজে ব্যবহার করা হয়

 

 

৬টি

দরগাহ পালং সরকারী প্রা: বিদ্যা: মাঠ

উখিয়া উচ্চ বি: মাঠ

উখিয়া ডিগ্রী কলেজ মাঠ

উখিয়া মডেল সরকারী প্রা: বিদ্যা: মাঠ

রাজাপালং এ,কে,সি উচ্চ বিদ্যালয়

উখিয়া পাতাবাড়ি খেলার মাঠ

রাজাপালং ইউনিয়ন:

২ নং ওয়ার্ড-১ টি

৫ নং ওয়ার্ড-১ টি

৬ নং ওয়ার্ড-১ টি

৮ নং ওয়ার্ড-২ টি

৯ নং ওয়ার্ড-১ টি

 

ত্রাণবিতরন করার কাজে ব্যবহার করা হয়েছে

দূর্যোগের সময় পশু ও মালামাল রাখার কাজে, দূর্যোগ পরবর্তীতে ত্রান বিতরণের কাজে ব্যবহার করা হয়

 

৩টি

 

থেইং খালী উচ্চ বি: মাঠ

বালুখালী উচ্চ বি: মাঠ

পালংখালী উচ্চ বি: মাঠ

 

পালংখালী ইউনিয়ন:

১ নং ওয়ার্ড-১ টি

৪ নং ওয়ার্ড-১ টি

৮ নং ওয়ার্ড-১ টি

 

ত্রাণ বিতরণ করার কাজে লাগিয়েছে

দুর্যোগের সময় পশু ও মালামাল রাখার কাজে, দুযোর্গ পরবর্তীতে ত্রান বিতরণের কাজে ব্যবহার করা হয়

 

কবরস্থান/শ্মশানঘাটঃ

মোট ২০৩ এর মধ্যে ১৭৫টি করবস্থান, ৯টি হিন্দু শ্মশান ও ১৯টি বৌদ্ধ শ্মশান। 

 

ক্রমিক নং

কবরস্থান/শ্মশানঘাট এর সংখ্যা

কোথায় অবস্থিত

বন্যা লেভেলের উপরে কিনা

০১.

কবরস্থান-৩০ টি

হিন্দু শ্মাশান- নাই

বৌদ্ধ শ্মাশান- ৩টি

জালিয়াপালং ইউনিয়নের ১-৯ নং ওয়ার্ডে ৩০ টি কবরস্থান, ১, ৭ ,৮নং ওয়ার্ডে বৌদ্ধশ্মাশানঘাট ৩টি

বন্যা বা জলাবদ্ধতার সৃষ্ট পানির লেভেল এর উপরে অবস্থিত।

০২.

কবরস্থান- ২৯টি

হিন্দু শ্মাশান- নাই

বৌদ্ধ শ্মাশান- ১টি

রত্নাপালং ইউনিয়নের ১-৯ নং ওয়ার্ডে২৯টি  কবরস্থান আছে. ১নং ওয়ার্ড বৌদ্ধশ্মাশানঘাট-১ টি

বন্যা বা জলাবদ্ধতার সৃষ্ট পানির লেভেল এর উপরে অবস্থিত।

০৩.

কবরস্থান- ৪১টি

হিন্দু শ্মাশান-২টি

বৌদ্ধ শ্মাশান-৮টি

হলদিয়াপালং ইউনিয়নের ১-৯ নংওয়ার্ডে-৪১ টি  কবরস্থান আছ. ৮,৯ নং ওয়ার্ড হিন্দু শ্মাশানঘাট ২ টি এবং ১, ২, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড  বৌদ্ধশ্মাশান ঘাট-৮ টি

বন্যা বা জলাবদ্ধতার সৃষ্ট পানির লেভেল এর উপরে অবস্থিত।

০৪.

কবরস্থান-৫৭টি

হিন্দু শ্মাশান-৫টি

বৌদ্ধ শ্মাশান-৫টি

ইউনিয়নের ১-৯ নং ওয়ার্ডে ৫৭টি কবরস্থান আছে.২,৩,৬ ও ৯ নং ওয়ার্ড হিন্দু শ্মাশানঘাট ৫টি এবং ১,২,৫,৬ ও ৯ নং ওয়ার্ড  বৌদ্ধ শ্মাশানঘাট- ৫টি

বন্যা বা জলাবদ্ধতার সৃষ্ট পানির লেভেল এর উপরে অবস্থিত।

০৫.

কবরস্থান- ১৮টি

হিন্দু শ্মাশান-২ টি

বৌদ্ধ শ্মাশান- ২টি

ইউনিয়নের ১-৯ নং ওয়ার্ডে ১৮টি  কবরস্থান আছে. ১,৭ নং ওয়ার্ড হিন্দু শ্মাশানঘাট-২ টি এবং ৬ নং ওয়ার্ড  বৌদ্ধশ্মাশানঘাট-২ টি

বন্যা বা জলাবদ্ধতার সৃষ্ট পানির লেভেল এর উপরে অবস্থিত।

 

যোগাযোগ ও পরিবহনের মাধ্যমঃ

 

জেলা এবং অন্যান্য উপজেলার সাথে যোগাযোগের মাধ্যমঃ রিক্সা, টেক্সী, বাস, মাইক্রোবাস,জীপ, টেম্পু, নসিমন, টমটম এবং সিএনজি।

 

জেলা শহরের সাথে যোগাযোগঃ

·        ককসবাজার জেলা শহরের সাথে সড়ক পথে উখিয়া উপজেলার সরাসরি যেকোন ধরনের যানবাহনের মাধ্যমে যোগযোগ করা যায়।

 

উপজেলা শহরের সাথে যোগাযোগঃ

·        উখিয়া উপজেলার সাথে অন্যান্য উপজেলা যেমন- দÿÿণে টেকনাফ উপজেলা, উত্তরে রামু উপজেলা এবং উত্তর-পূর্বে  নাইÿ্যংছড়ি উপজেলার সাথে সরাসরি বাস, মিনিবাস, বেবি টেক্সি, মটরসাইকেল যোগে যাতায়াত করা য়ায়।

 

·        উখিয়া উপজেলা পরিষদের সাথে অন্যান্য ৫টি ইউনিয়নের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে। বাস, মিনি বাস, সিএনজি, রিক্সা, বেবি টেক্সি, মটরসাইকেল ইত্যাদি যোগে যাতায়াত করা সম্ভব।

 

১.৪.৩. আবহাওয়া ও জলবায়ু

 

বৃষ্টিপাতের ধারাঃ১৯৯১ সালের পূর্বে উখিয়া উপজেলার বৃষ্টিপাতের ধারা একটি নিয়মতান্ত্রিক ভাবে বিদ্যমান ছিল। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশেষ করে ২০০০ সালের পর থেকে নিয়মিত বৃষ্টিপাত পরিলÿÿত হচ্ছে না। ঋতুভেদে বৃষ্টির পরিমান, ধারা এবং স্থায়ীত্বকাল সমঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। লÿণীয় বিষয় হলো যে, ১৯৯৪ সালের পর থেকে হঠাৎ করে বৃষ্টিপাতের ধারার পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। পরিবর্তনের ধারা হিসাবে মাঘ মাস থেকে বৈশাখ মাসের আগে তেমন বৃষ্টি হতো না। জৈষ্ঠ্য-আষাঢ় মাসে হঠাৎ করে ভারি বৃষ্টি শুরম্ন হয়। গত ১০/১২ বছর যাবৎ বৃষ্টিপাতের ধারার এ পরিবর্তনে ফসল এবং জনজীবনের উপর বিরূপ প্রভাব করে চলেছে। ক্ষতিগ্রসত্ম হচ্ছে ধান ও পান উৎপাদন। স্থানীয় জনগণের মতে বিগত ৫-৭ বছর থেকে বৃষ্টিপাতের আমুল পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যেমন পূর্বে পৌষ মাসে বৃষ্টি হত কিন্তু বর্তমানে এই হঠাৎ বৃষ্টি বা মৌসুমী বৃষ্টি আর হয় না। আবার কখনও লাগাতার ১০-১৫ দিন লাগাতার অবিরাম বৃষ্টি হয় তখন অকস্মিক বন্যা দেখা দেয় যা ব্যাপক ÿয়ÿতির সৃষ্টি হয়। 

 

তাপমাত্রাtজলবায়ু পরিবর্তনের সাথে সাথে তাপমাত্রার উপর এক আমুল পরিবর্তন ও প্রভাব লÿ্য করা যাচ্ছে। এই পরিবর্তন ১৯৯১ সালের পর থেকে তাপমাত্রার আমুল পরিবর্তন অর্থাৎ তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি প্রতিয়মান হয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ের বনাঞ্চল কমে যাওয়ায় এই তাপমাত্রার তারতম্যের কারণ বলে এলাকার সচেতন জনগণ মনে করে।  সম্প্রতি বছরগুলোতে চৈত্র থেকে ভাদ্র মাস পর্যমত্ম সমযে এই উপজেলায় সবত্র অসহ্য গরম অনুভূত হচ্ছে।  স্থানীয় আবহাওয়া অফিস তথ্যসূত্র মতে এই সময় তাপমাত্রা ৩১ সেলসিয়াস থেকে প্রায় ৪১ সেলসিয়াস পর্যমত্ম বৃদ্ধি পায়।

 

ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তরঃউখিয়া উপজেলার ভূ-গর্ভস্থ পানির সত্মর এলাকা বা ইউনিয়ন ভেদে ভিন্নতা লÿ্য করা গেছে। তবে বিগত ১৫ বছর সময়ের মধ্যে ভূগর্ভস্থ পানির সত্মর একটি বিশাল পরিবর্তন লÿ্য করা গেছে। পূর্বে যেসব এলাকায় ৫০ ফুট গভীরে সুপেয় পানি পাওয়া যেতে সেই জায়গায় বর্তমানে ১০০-১৫০ ফুটের কমে সুপেয় পানি পাওয়া দুস্কর হয়ে পড়েছে। উলেস্নখ্য যে, উপজেলার  রত্নাপালং ইউনিয়নে ২০০ ফুট নীচে পানি পাওয়া যায় না।

 

১.৪.৪ অন্যান্য ঃ

 

ভূমি ও ভূমির ব্যবহারঃ উখিয়া উপজেলার ভূমির বৈচিত্রতা রয়েছে। এখানে রয়েছে উচু পাহাড়, সমতল ভূমি, নীচে এলাকা, সমুদ্র সৈকত, উচু-নীচু জমিন এবং অসমতল টিলা ইত্যাদি। সেইসাথে একফসলী জমির পরিমান খুব কম যেখানে তিনসফলী জমির পরিমান সবচেয়ে বেশী। এই উপজেলায় কোন লবন চাষ নাই। তবে এখানে রয়েছে চিৎড়ী, পান চাষের জমি যা মানুষের জীবিকার জন্য খুবই গুরম্নত্বপূর্ণ। নিমেণ উখিয়া উপজেলার খাতওয়ারী ভূমির পরিমান প্রদান করা হলোঃ   

 

মোট ভূমির পরিমাণ             ঃ ৬৪৬৬৫একর

আবাদী ভূমির পরিমাণ          ঃ ২৬৪৩১একর

অনাবাদী ভূমির পরিমাণ        ঃ ৬১৭১একর

বনভূমি                           ঃ ৩২০৬৩ একর

একফসলী                        ঃ ৪২৮০একর

দোফসলী                         ঃ ১৯৫০৩ একর

তিন ফসলী                       ঃ ২১৫৪ একর

লবন  চাষ                        ঃ নাই

চিংড়ী চাষ                       ঃ৭০০ একর

পান চাষ                          ঃ ৮৬৫ একর

নিচে ছক আকারে ইউনিয়ন ভিত্তিক জমির পরিমান ও ব্যবহারের বিসত্মারিত তথ্য প্রদান করা হলোঃ

ইউনিয়ন

জমির পরিমাণ (একর)

জমির ব্যবহার (একর)

আবাদী

অনাবাদী

একফসলী

দোফসলী

তিনফসলী

জালিয়াপালং

৫২১১

১২৪৫

৯৬৩

৪১০০

৪৫৫

রত্নাপালং

৩০৮১

৪৭০.৩০

৮৮৪

২৮৬৫

৩৭১

হলদিয়া

৫৮২৭

১০২৫

৫১৯

৩৯৬৭

৪৪৫

রাজাপালং

৭০৯৮

১১৮৪

১০২৫

৫২৮৬

৪৮৩

পালংখালী

৫১৪৪

১৮.১৪

৮৮৯

৩২৮৫

৪০০

মোট

২৬৪৩১

৩৯৪২.৪৪

৪২৮০

১৯৫০৩

২১৫৪

কৃষি ও খাদ্য ঃ উখিয়া উপজেলার লোকজনের প্রধান পেশা কৃষি। এছাড়াও এই এলাকার জনগণ পান এবং বিভিন্ন মৌসুম ভিত্তিক সবজী চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করছে। পাশাপাশি অর্থকরী ফসলের মধ্যে পাট, আখ, ডাল ইত্যাদি চাষবাদের নির্ভশীল। তবে উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের একটি বিরাট অংশ মানুষ মৎসজীবি যা বঙ্গোপসারের মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন।

 

উখিয়া উপজেলায় প্রাধান ফসলঃ

অর্থকরী ফসলঃ ধান, পাট, আখ, ডাল, মাছ, পান ও সুপারী।

শাক-সব্জী সমূহঃ টমেটো, আলু, বেগুন, মুলা, শিম, তিতকরলা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মরিচ, চিচিংগা, লালশাক, কলমি, ফেলন, মিষ্টিকুমড়া, লাউ, রাইশাক, ঢেঁড়শ, পালংশাক, শসা, ইত্যাদি। 

ফল সমূহঃ তরমুজ, বাঙ্গী, আম, পেয়ারা, আনারস, জাম, কুল, বেল, নারিকেল, পেঁপে ইত্যাদি।

 

নদী ঃ এই উপজেলার তেমন নদী নেই। একমাত্র নদী নাফ যার মোট ৮ কিলোমিটার উখিয়ার উপজেলার মধ্যদিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। পালংখালী ইউনিয়নের পালংথালী খালের মুখ থেকে শুরম্ন হয়ে বলুখালী খালের মুখ পর্যন্তবিসত্মৃত।

 

পুকুরঃ উখিয়াউপজেলায় ছোট বড় অনেকগুলো পুকুর দেখা যায়। এক সময় যখন এই এলাকায় তেমন নলকুপ ছিল না, তখন অধিবাসীগণ পুকুরের পানিকেই খাবার ও অন্যান্য গৃহস্থালী কাজে ব্যবহার করতেন। বতর্মানে অনেক পুকুরে মাছের চাষ করছে। উপজেলায় মোট পুকুরের সংখ্যা প্রায় ১৩০ টি। নিমেণ ইউনিয়ন ভিত্তিক পুকুরের বিসত্মারিত তথ্য প্রদান করা হলোঃ

 

সংখ্যা

কোন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে অবস্থিত

উপকারীতা

সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

    ৯ টি

জালিয়াপালং ইউনিয়নে ১-৯ নং ওয়ার্ড

তেলাপিয়া, কই, মাগুর, রম্নই, কাতলা, কার্পু, সরপুটি জাতীয় মাছের চাষ করা হয় এবং মিটা পানির মৎস চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে। ছোট মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপজেলার মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণে সহায়তা করছে। সর্বপরি পুকুরে মাছ চাষ করে মৎসজীবিরা জাতীয় অর্থনীতিতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে। উক্ত পুকুরের পানি চাষাবাদ কাজে ব্যবহার করা হয়।

উখিয়া

উপজেলার জনসাধরন দৈনন্দিন সাধারন কাজে পুকুরগুলো পানি ব্যবহার করে থাকে।

  ২৪ টি

রত্নাপালং ইউনয়নে ১-৯ নং ওয়ার্ডে

৫৮ টি

হলদিয়াপালং ইউনয়নে ১-৯ নং ওয়ার্ডে

২৯ টি

রাজাপালং ইউনয়নে ১-৯ নং ওয়ার্ডে

১০ টি

পালংখালী ইউনিয়নে ১-৯ নং ওয়ার্ড

মোট:১৩০ টি

 

খাল ঃ উখিয়া উপজেলার অধীনে ছোট-বড় মোট ১৫টি খাল বিভিন্ন ইউনিয়নের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। বিশেষ করে দুই/এক খাল সারা বছর প্রবাহমান থাকে এবং সেগুলো বঙ্গোপসারে গিয়ে পড়েছে। আর বাকী খালগুলো বর্ষার মৌসমে খরস্রোতা থাকে। নিমেণ উপজেলার ১৫ খালের অবস্থান বিসত্মারিতভাবে বর্ণনা দেয়া হলোঃ

 

কয়টি/ইউনিয়ন

সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

 

জালিয়াপালং ইউনিয়ন-৬টি

 

 

রেজুখাল:রেজুখালের ব্রীজের মুখ  হতে পূর্ব  পাইন্যাশিয়া পর্যন্ত। ছোট ছোট পাহাড়ি ঝর্ণা থেকে এই খালের উৎপত্তি হয়ে বঙ্গোপাসাগরের সাথে মিলিত হয়েছে। এই খাল হতে জেলেরা মাছ আহরন করে জীবন-জীবিকা পরিচালিত করে । তাছাড়া শীত মৌসুমে চাষাবাদের জন্য খালে বাঁধ দিয়ে পানি সংরক্ষণ করে ফসলে সেচ ব্যবস্থা করে থাকে। বর্ষাকালে অতিরিক্ত বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে এবং খালের দুই পাড়ে উঁচুও শক্ত বাঁধ না থাকার কারনে ইউনিয়নের বেশি ভাগ এলাকা বিশেষ করে পাইন্যাশিয়া, সোনাইছড়ি, সোনাপাড়া ,পূর্ব- পাইন্যাশিয়া,চরপাড়া, জুম্মাপাড়াএবং লম্বরীপাড়াবন্যা প্লাবিত হয়। সামুদ্রিক জোয়ারের ফলে পানিতে লবনাক্ততা বেড়ে যায় ও ফসলের ক্ষতি করে। ৭ কি:মি প্রায় (১, ২ ও ৩  নং ওয়ার্ড)।

 

মনখালীখাল: ৮কি.মি. প্রায়। মনখালী সমুদ্রের খালের মুখ হতে মনখালী নতুন চাকমা পাড়া  পর্যন্ত। শীত মৌসুমে চাষাবাদের জন্য খালে বাঁধ দিয়ে পানি সংরক্ষণ করে ফসলে সেচ ব্যবস্থা করে থাকে চাষীরা ( ৯ নং ওয়ার্ড)।

 

চোয়াংখালী খালঃ৫ কি.মি. প্রায়। চোয়াংখালী হতে শুরু হয়ে চোয়াংখালীর পূর্ব দিকে আঁকা-বাকা হয়ে পাহাড়ে প্রবেশ করেছে। শীত মৌসুমে চাষাবাদের জন্য খালে বাঁধ দিয়ে পানি সংরক্ষণ করে ফসলে সেচ ব্যবস্থা করে থাকে চাষীরা। ( ৮ নং ওয়ার্ড)।

 

ছেপটখালী খাল:১০ কি.মি. প্রায়।মাদারবনিয়া হতে মনখালী দিয়ে  ছেপটখালী পর্যন্ত, এই খাল হতে জেলেরা মাছ আহরন করে জীবন-জীবিকা পরিচাwলত করে । তাছাড়া শীত মৌসুমে চাষাবাদের জন্য খালে বাঁধ দিয়ে পানি সংরক্ষণ করে ফসলে সেচ ব্যবস্থা করে থাকে। বর্ষাকালে অতিরিক্ত বৃষ্টিও পাহাড়ি ঢলের কারণে এবং খালের দুই পাড়ে উচু্ও শক্ত বাঁধ না থাকার কারনে ইউনিয়নের বেশি ভাগ এলাকা মানুষ ক্ষতি গ্রস্থ হয়। ( ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড)।

 

ইনানী বড় খাল: 15কি.মি. প্রায়। ইনানী খাল  ছেয়ংচুলী হতে ইনানী পর্যন্ত । শীত মৌসুমে চাষাবাদের জন্য খালে বাঁধ দিয়ে পানি সংরক্ষণ করে ফসলে সেচ ব্যবস্থা করে থাকে।

 

ইনানী ছোট খাল: ২০কি.মি. প্রায়। ইনানী খাল  ছেয়ংচুলী হতে ইনানী পর্যন্ত । শীত মৌসুমে চাষাবাদের জন্য খালে বাঁধ দিয়ে পানি সংরক্ষণ করে ফসলে সেচ ব্যবস্থা করে থাকে (6, 7 ও 8)।

রত্নাপালং ইউনিয়নে-২ টি

রেজুখাল:হিজলিয়া হতে কুনারপাড়া ব্রীজ পর্যন্ত ৮ কি.মি. । ছোট ছোট পাহাড়ি ঝর্ণা থেকে এই খালের উৎপত্তি হয়ে বঙ্গোপাসাগরের সাথে মিলিত হয়েছে। এই খাল হতে শীত মৌসুমে চাষাবাদের জন্য খালে বাঁধ দিয়ে পানি সংরক্ষণ করে ফসলে সেচ ব্যবস্থা করে থাকে। বর্ষাকালে অতিরিক্ত বৃষ্টিও পাহাড়ি ঢলের কারণে এবং খালের দুই পাড়ে উঁচু ও শক্ত বাঁধ না থাকার কারনে ইউনিয়নের বেশি ভাগ এলাকা প্লাবিত হয়।বিশেষ করে ৮ ও ৯নং ওয়ার্ড বন্যা প্লাবিত হয়। সামুদ্রিক জোয়ারের ফলে পানিতে লবণাক্ততা বেড়ে যায় ও ফসলের ক্ষতি করে।

 

চেইংচুরী খাল: ভালুকিয়া  হতে পোষ্ট অফিস সড়ক  পর্যন্ত ৬ কি.মি.বর্ষাকালে অতিরিক্ত বৃষ্টিও পাহাড়ি ঢলের কারণে এবং খালের দুই পাড়ে উঁচু ও শক্ত বাঁধ না থাকার কারনে ইউনিয়নের বেশিভাগ এলাকা প্লাবিত হয়।শীত মৌসুমে চাষাবাদের জন্য খালে বাঁধ দিয়ে পানি সংরক্ষণ করে ফসলে সেচ ব্যবস্থা করে তাকে।

হলদিয়াপালং ইউনিয়ন-২টি

রেজুখাল:ধুরুমখালী হতে চৌধুরী পাড়া পর্যন্ত। ছোট ছোট পাহাড়ি ঝর্ণা থেকে এই খালের উৎপত্তি হয়ে বঙ্গোপাসাগরের সাথে মিলিত হয়েছে। এই খাল হতে শীত মৌসুমে চাষাবাদের জন্য খালে বাঁধ দিয়ে পানি সংরক্ষণ করে ফসলে সেচ ব্যবস্থা করে থাকে। বর্ষাকালে অতিরিক্ত বৃষ্টিও পাহাড়ি ঢলের কারণে এবং খালের দুই পাড়ে উঁচু শক্ত বাঁধ না থাকার কারনে ইউনিয়নের বেশিভাগ এলাকা বিশেষ করে চৌধুরী পাড়া, কুলাল পাড়া  ধুরংখালী, মহাজন পাড়া, জনবলি পাড়া, মধুঘোনা, পাগলির বিল এবং ঘোনারপাড়া বন্যা প্লাবিত হয়। সামুদ্রিক জোয়ারের ফলে পানিতে লবণাক্ততা বেড়ে যায় ও ফসলের ক্ষতি করে। ৮কি:মি প্রায় (২,৩,৪,৫,৬,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড)।

 

পাগলির খাল:  গুরাইয়ার দ্বীপ হতে ৪ নং ওয়ার্ডের পাতাবাড়ি পর্যন্ত  ৮কি.মি. প্রায় ( ১, ২, ৩ ও ৪ নং ওয়ার্ড)।

রাজাপালং ইউনিয়ন-৩ টি

রেজুখাল:25কি:মি: নাইÿংছড়ি পাহাড়ী হতে ছোট ছোট পাহাড়ি ঝর্না হতে  উৎপত্তি হয়ে বঙ্গপসাগরের সাথে মিলিত হয়েছে।ইউনিয়নে তুতুরবিল হতে দরগা বিল পর্যনমত্ম এই খাল বিসত্মৃত ভাবে ছড়িয়ে  আছে। বর্ষাকালে অতিরিক্ত বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে এবং খালের দুই পাড়ে উঁচু ও শক্ত বাঁধ না থাকার কারনে ইউনিয়নের বেশি ভাগ এলাকা পালাবিত হয়। সামুদ্রিক জোয়ারের ফলে পানিতে লবণাক্ততা বেড়ে যায় ও ফসলের ক্ষতি করে। শীত মৌসুমে চাষাবাদের জন্য খালে বাঁধ দিয়ে পানি সংরক্ষণ করে ফসলে সেচ ব্যবস্থা করে থাকে।

 

দুছড়ি খাল: ১৫কি.মি. তুতুরবিল হতে মধুরঘোনা পর্যমত্ম। দুছড়ি খালের কারণে ইউনিয়নের বেশিভাগ এলাকা প্লাবিত হয়। শীত মৌসুমে চাষাবাদের জন্য খালে বাঁধ দিয়ে পানি সংরক্ষণ করে ফসলে সেচ ব্যবস্থা করে থাকে।

 

গয়ালমারা খাল:১৮কি.মি. তুতুরবিল হতে মধুরঘোনা দিয়ে রত্নাপালং ইউনিয়নে প্রবেশ করেছে। বর্ষাকালে অতিরিক্ত বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে এবং খালের দুই পাড়ে উঁচু ও শক্ত বাঁধ না থাকার কারনে ইউনিয়নের বেশি ভাগ এলাকা প্লাবিত হয়।

পালংখালী ইউনিয়ন- ৪টি

বালুখালী খাল: - ৭কি.মি. প্রায়। মধুর ছড়া হয়ে চন্দ্রপাড়া দিয়ে নাফ নদীর  সাথে মিলিতহয়েছে। বর্ষাকালে অতিরিক্ত বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে এবং খালের দুই পাড়ে উঁচু ও শক্ত বাঁধ না থাকার কারনে ইউনিয়নের বেশি ভাগ এলাকা প্লাবিত হয়। সামুদ্রিক জোয়ারের ফলে পানিতে লবণাক্ততা বেড়ে যায় ও ফসলের ক্ষতি করে।

 

থাইংখালী খাল:- ৮কি.মি. প্রায়। আছড়তলীর ঘাটের দুই মুখা হতে তরুলাপাড়া ওফাসিয়াখালী পাড়ার মধ্যে দিয়ে নাফ নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।

 

পালংখালী খাল:- ১৪ কি.মি. প্রায়। নজুমোরা পূর্ব দিক হতে শুরু করে পালংখালী হয়ে সমিতি পাড়ার দক্ষিণে এবং টেকনাফ সীমান্তের উলুবনিয়া  উ: পাশ দিয়ে নাফ নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।

 

বালুখালী খাল:- ৬কি.মি. প্রায়। মধুর ছরার দক্ষিণ পাশ হতে শুরু হয়ে বিজিবি ক্যাম্পের দক্ষিণে চৌধুরী পেরা ও বড়ুয়া পেরা মাঝখান দিয়ে নাফ নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।এই খাল হতে পানি আহরন করে  মৎস চাষ করে থাকে। শীত মৌসুমে চাষাবাদের জন্য খালে বাঁধ দিয়ে পানি সংরক্ষণ করে ফসলে সেচ ব্যবস্থা করে থাকে।

 

বিলঃ

 

কয়টি/ইউনিয়ন

সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

রত্নাপালং ইউনিয়ন-৩ টি

কামরীয়ার বিল, ভালুকিয়া বিল ও খুয়া বিল।

হলদিয়াপালং ইউনিয়ন-৪ টি

উত্তর বড়বিল, পাতাবাড়ি বিল, চৌং বিল,পাগলির বিল।

রাজাপালং ইউনিয়ন-৫ টি

খইরাতির উত্তর বিল, মাছকারিয়া, সিকদার পাড়া বিল, প: দরগার বিল, পূর্ব দরগার বিল।

পালংখালী ইউনিয়ন-৪ টি

রহমতের বিল,আঞ্জুমান পাড়া, দÿÿণ রহমতের বিল।

 

উলেস্নখ্য উখিয়া উপজেলায় কোন হাওড় নাই। সাগর তীরবর্তী হলেও লবণাক্ততার কারণে ÿতিগ্রসত্ম হয় এমন কোন আপদ নেই। কেননা সাগরের পানি সহজে উপজেলার ভেতরে প্রবেশ করতে পারে না। এছাড়া এই উপজেলায় এই যাবৎ কোন আর্সেনিক দুষণ চিহ্নিত হয়নি। 

 

 

Rounded Rectangle: দ্বিতীয় অধ্যায়ঃ দূর্যোগ, আপদ এবং বিপদাপন্নতা

 

 

২.১. দূর্যোগের সার্বিক ইতিহাস

 

কক্সাবাজার জেলা হতে ৩২কি.মি. দÿÿণে বঙ্গোপাসাগরে কুল ঘেষে পাহাড় বেষ্টিত উখিয়া উপজেলা। বঙ্গোপাসাগরের সন্নিকটে হওয়ার কারণে বিভিন্ন সময়ে প্রাকৃতিক দূর্যোগ বিশেষতঃ ঘূর্ণিঝড়, সামুদ্রিক জলেস্নাচ্ছাস, পাহাড় নিধন, কালবৈশাখী/বজ্রপাত, ধান-পানে পোকার আক্রম, লবণাক্ততা ইত্যাদি’র প্রভাবে এতদাঞ্চলের মানুষ নানাভাবে ÿতিগ্রসত্ম ও ঝুuঁকর মধ্যে থাকে। এই উপজেলার প্রধান দূর্যোগের মধ্যে পাহাড়ী ঢলের কারণে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলাবদ্ধতা, গ্রীষ্ম মৌসুমে সেচ সমস্যা, খালের পাড় ভাঙ্গন, হাতির আক্রমন, পাহাড় কাটা, বৃÿ নিধন, কালবৈশাখী, বজ্রপাত, অতি বৃষ্টি, উলেস্নখ্যযোগ্যা।

 

বিশেষভাবে বছরেরর মার্চ-মে এবং অক্টোবর মাসে এই উপজেলায় পাহাড়ী ঢলের কারণেবন্যা, খালের পাড় ভাঙ্গন, হাতির আক্রমন, পাহাড় কাটা, বৃÿ নিধন এর মত প্রাকৃতিক দূর্যোগ হানা দেয়। যেহেতু পাহাড়াঞ্চল বঙ্গোপাসারের কুলবর্তী অঞ্চল হওয়ার কারণে খুব সহজে এই প্রাকৃতিক দূর্যোগের স্বীকার হয় এবং ব্যাপক ÿয়ÿতি ঘটে। সেই সাথে সামুদ্রিক জলোচ্ছাস এ অঞ্চলের  মানুষদের বিপদাপন্ন করে তোলে।

 

অতীত রেকর্ড থেকে দেখা যায় যে, ১৯৯১ সালে ঘূর্ণিঝড়ে জালিয়াপালং ইউনিয়নে ১২ ফুট উচ্চতায় জলোচ্ছাস হয়েছিল এবং বিসর্ত্মীণ এলাকা পস্নাবিত হয়। ১৯৯১, ১৯৯৪, ১৯৯৭সালে জলোচছাস ও ঘূর্ণিঝড়ে প্রবল বাতাসে গাছপালা, পাহাড়ী বন সম্পদ বা বনবৃÿÿর ব্যাপক ÿতি সাধিত হয় যা পূরন করার মত নয়। সাধারণত বর্ষা মৌসুমে সামুদ্রিক জোয়ার ৩-২০ফুট উচ্চতায় পস্নাবিত হয়ে থাকে এবং ৬ঘন্টা পর্যমত্ম স্থায়ী হয়। উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন পাহাড় বেষ্টিত হওয়া দ্রম্নত পানি নেমে যায়।

 

উখিয়া উপজেলার বন্যা সাধারনত পূর্ব বা পাহাড় থেকে এবং ঘূর্ণিঝড় সাধারনতঃ অঞ্চলের দÿÿণ-পশ্চিম দিক হতে আসে এবং জলোচ্ছাস পশ্চিম দিক থেকে ধেয়ে আসে। প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে এলাকার নানাবিধ সমস্যা ও অসুবিধা সম্মূখীন হতে হয় অধিবাসীদের যেমন- বসতবাড়ী ধবংস হয়ে যাওয়া, পানীয় জলের দুস্প্রাপ্যতা, যাতায়াতের সমস্যা, শিÿা প্রতিষ্ঠানের ধবংস হবার কারণে শিÿা কার্যক্রম ব্যাহত হয়, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের মারাত্বক হানি হয়ে থাকে।        

 

দূর্যোগের নাম

বছর

ÿতির পরিমান

কোন কোন খাতে উৎপাদন ÿতিগ্রসত্ম হয়

বন্যা

২০১০

·        ÿতিগ্রস্থ ইউনিয়ন ৫টি

·        ÿতিগ্রস্থ এলাকা ৬৪.৫বর্গকি.মি.

·        ÿতিগ্রসত্ম পরিবার ১৮৩৯টি আংশিক ৩৯৭৩টি

·        ÿতিগ্রস্থ লোক ১৯৫জন ও আংশিক ১৯,৮৬৫জন

·        মৃত্যুর সংখ্যা - ৯জন

·        ১০,৮৯২ একর জমির ২০% ফসল ÿতি হয় যার মূল্য প্রায় ২ কোটি টাকা।

·        চিংড়ি/মৎস খামার/হ্যাচারি খাতে ২২৯৭একর জমিসহ প্রায় ১০ কোটি টাকা

·        ২৮১টি নলকূপ, জলাশয়  রাসত্মাঘাটসহ অন্যান্য খাতে ÿতি হয় প্রায় ২০ কোটি টাকা।

অবকাঠামো, রাস্তা,  গবাদি পশু, ফসলিজমি, ধান,  পান বরজ, সুপারি বাগান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, চিংড়ী চাষ, হ্যাচারী, আবাসিক, বনভূমি, ঘরবাড়ী ইত্যাদি

 

 

ঘুর্ণিঝড়

আইলা

২০০৯

·        ÿতিগ্রসত্ম  ইউনিয়ন ৫টি

·        ÿতিগ্রসত্ম পরিবার ৮৭টি আংশিক ৩৯৭৩টি

·        ÿতিগ্রসত্ম লোক ৬১০জন

·        মৃত্যুর সংখ্যা - ১জন

·        ৫০০০ একর জমির ১৫% ফসল ÿতি হয় যার মূল্য প্রায় ১ কোটি টাকা।

·        চিংড়ি/মৎস/হ্যাচারি খাতে ১০০০ একর জমিসহ প্রায় ২ কোটি টাকা

অবকাঠামো, রাস্তা,  বেড়ী বাঁধ , গবাদি পশু, ফসলিজমি, ধান,  পান বরজ, সুপারি বাগান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, চিংড়ীর,  বনভূমি, ঘরবাড়ী ইত্যাদি

ঘূর্ণিঝড়

১৯৯৭

·        ÿতিগ্রস্থ ইউনিয়ন ৫টি, ÿতিগ্রসত্ম পরিবার ১৯,৯০০টি

·        ÿতিগ্রস্থ লোক ৯৬,৪৮৮জন

·        মৃত্যুর সংখ্যা - ৩জন (আহত-৩০০)

·        গবাদি পশু মৃত্যু সংখ্যা-৪৭২ এ খাতে ÿতির পরিমান ২৫ লÿ টাকা

·        টেলিযোগাযোগ খাতে ১০লÿ টাকা

·        ১৫টি শিÿা প্রতিষ্ঠন ÿতিগ্রসত্ম হয় যার মূল্য ২০ লÿ টাকা

·        ১৫০টি মসজিদ ও মন্দির ÿতিহয় যার মূল্য ৩০ লÿ টাকা

·        ২৫০০একর জমির ফসল ÿতিহয়, ৩০০ একর পানবরজ ÿতি হয় যার মূল্য প্রায় ১০ কোটি টাকা।

·        চিংড়ি/মৎস খামার/হ্যাচারি খাতে ২৪০০একর জমিসহ প্রায় ৭ কোটি টাকা

·        নলকুপ, বনভূমি, রাসত্মাঘাটসহ গাছপালা ÿতি হয়, পানবরজ, সুপারীবাগান, ঘরবাড়ী সহ ব্যাপক ÿতি হয়। যার মূল্য প্রায় ৫০ কোটি টাকা।

 

অবকাঠামো, রাস্তা,  বেড়ী বাঁধ , গবাদি পশু, ফসলিজমি, ধান,  পান বরজ, সুপারি বাগান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, চিংড়ীর,  বনভূমি, ঘরবাড়ী ইত্যাদি

ঘুর্ণিঝড়

 

১৯৯৪

·        ÿতিগ্রসত্ম ইউনিয়ন ৫টি

·        ÿতিগ্রসত্ম পরিবার ২২,০০০টি

·        ÿতিগ্রসত্ম লোক ১৯,৮৬৫জন

·        মৃত্যুর সংখ্যা - ৪০জন (বিদেশী-৭)

·        গবাদি পশু মৃত্যু সংখ্যা-৪০০ এ খাতে ÿতির পরিমান ৩৫ লÿ টাকা

·        টেলিযোগাযোগ খাতে ১০লÿ টাকা

·        ৪৫টি শিÿা প্রতিষ্ঠন ÿতিগ্রসত্ম হয় যার মূল্য ১,৪৭,৩০,০০০টাকা

·        ১৬৫টি মসজিদ ও মন্দির ÿতিহয় যার মূল্য ৪৫ লÿ টাকা

·        ৩৭৮০একর জমির ফসল ÿতিহয়, ৪০০ একর পানবরজ ÿতি  হয় যার মূল্য প্রায় ১৫ কোটি টাকা।

·        চিংড়ি/মৎস খামার/হ্যাচারি খাতে ২৫০০একর জমিসহ প্রায় ৮ কোটি টাকা

·        নলকূপ, বনভূমি, রাসত্মাঘাটসহ অন্যান্য খাতে ÿতি হয় প্রায় ১৫ কোটি টাকা।

ডিআরআরও তথ্য মতে ১৯৯৪ সালের ঘূর্ণিঝড়ে ÿতির পরিমান ৮০কোটি ৪৯ লÿ টাকা

 

অবকাঠামো, রাস্তা,  বেড়ী বাঁধ , গবাদি পশু, ফসলিজমি, ধান,  পান বরজ, সুপারি বাগান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, চিংড়ীর, বনভূমি, ঘরবাড়ী ইত্যাদি

ঘূর্ণিঝড় ও সামুদ্রিক

জলে­াচ্ছাস

১৯৯১

·        ÿতিগ্রসত্ম ইউনিয়ন ৫টি

·        ÿতিগ্রসত্ম পরিবার ১২,৫৫০টি

·        ÿতিগ্রসত্ম লোক ৬৭,২৫০জন

·        মৃত্যুর সংখ্যা-১৩জন  আহত -৯৭২০জন

·        গবাদি পশু মৃত্যু সংখ্যা-৯৮২০

·        ÿতিগ্রসত্ম কৃষি জমি -৩৬৫০একর

·        টলিযোগাযোগ খাতে ÿতিগ্রসত্ম ১কোটি ১০লÿ টাকা

·        ÿতিগ্রসত্ম শিÿা প্রতিষ্ঠন ৮৪টি

·        ১৫০০ একর পানবরজ ÿতি  হয়

·        বনজ সম্পদ/গাছপালার সংখ্যা ২,২০,০০০টি

·        ÿতিগ্রসত্ম চিংড়ি জমির পারিমান ২৭৫একর

·        ÿতিগ্রসত্ম রাসত্মা -১৪৪ কি.মি.

·        বিদ্যুত খাতে ৩৩ লÿটাকা

·        নলকূপ, বনভূমি, রাসত্মাঘাটসহ অন্যান্য খাতে ব্যাপক ÿতি হয়

ডিআরআরও তথ্য মতে ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে ÿতি পরিমান ১০৯কোটি ৩৬ লÿটাকা

 

অবকাঠামো, রাস্তা,  বেড়ী বাঁধ , গবাদি পশু, ফসলিজমি, ধান,  পান বরজ, সুপারি বাগান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, চিংড়ীর, বনভূমি, ঘরবাড়ী ইত্যাদি

 

২.২ উপজেলা আপদ সমূহঃ

 

ক্রমিক নং

আপদ

ক্রমিক নং

অগ্রাধিকার

০১.

ঘূর্নিঝড়/জলোচ্ছাস

০১.

পাহাড়ী ঢল/বন্যা

০২.

পাহাড়ী ঢল/বন্যা

০২.

ঘূর্নিঝড়/জলোচ্ছাস

০৩.

অতি বৃষ্টি

০৩.

অতি বৃষ্টি

০৪.

পাহাড় কাটা

০৪.

পাহাড় কাটা

০৫.

খরা/সেচ সমস্যা

০৫.

বৃÿ নিধন/বন ধ্বংস

০৬.

কালবৈশাখী / বজ্রপাত

০৬.

খরা/সেচ সমস্যা

০৭.

জলাবদ্ধতা

০৭.

কালবৈশাখী / বজ্রপাত. 

০৮.

বন্যহাতির আক্রমন

০৮

বন্যহাতির আক্রমন

০৯

খালের পাড় ভাঙ্গন

০৯

জলাবদ্ধতা      

১০

শৈত্য প্রবাহ

১০

শৈত্য প্রবাহ

 

২.৩ বিভিন্ন আপদ ও তার বর্তমান ও ভবিষ্যত চিত্র বিসত্মারিত বর্ণনাঃ

 

ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছাসঃ এ অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের কাছে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছাস সর্বাপেÿা বড় আপদ। ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল এ অঞ্চলের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় এখনো স্থানীয় অধিবাসিদের কাছে একটি বিভীশিকাময় স্মরণীয় অধ্যায়। স্ব^জন হারানোর বেদনা এখনো তাদেরকে তাড়িয়ে বেড়ায়। গত দশকে ১৯৯১ এর ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৪ এর ২রা মে, ১৯৯৫ সালের ১৫ মে, ১৯৯৭ সালের ১৯ মে ও ১৯৯৮ সালে ২০মে, ২০০১ সালের, ২০০৪ সালের ১৫ মে ও ২০০৭ সনের ১৪ মে উখিয়া উপজেলার উপর দিয়ে ঘূর্ণিঝড় প্রবাহিত হয়। এতে অনেক পরিবার তাদের আত্বীয়-স্ব^জন হারিয়েছেন, অনেকে বেঁচে থাকার সম্বল হারিয়েছেন। উখিয়ায় ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘূর্ণিঝড়ে ১৬০ কি.মি. এর বেশি বাতাসের গতিবেগ লÿ্য করা গেছে। সাইক্লোনের প্রচন্ড গতির টানে বিরাট জলরাশিসহ সমুদ্র উপকূল এবং উখিয়ার জালিয়াপালং সহ ৫টি ইউনিয়নের উপর দিয়ে অতিক্রম করে সবকিছু ভাসিয়ে নিয়ে যায়। এ জলোচ্ছাসে ৩ ফুট থেকে ২০ ফুট পর্যমত্ম পানির উচ্চতা ছিল। (সূত্র পিআইও দপ্তর, সিপিপি, মূল তথ্য প্রদানকারীর স্বাÿাৎকার)

 

পাহাড়ী ঢলে সৃষ্ট বন্যাঃউখিয়া উপজেলায় অতিবৃষ্টির কারণে পাহাড়ী ঢলের ফলে বন্যা সংগঠিত হয়। এ বন্যায়  ধান, সব্জী, ঘরবাড়ী, রাসত্মাঘাট এবং বাঁধ  ÿতিগ্রসত্ম হয়। উখিয়া উপজেলায় ১৯৮৮, ১৯৯৮, ২০১০সালে সংগঠিত ভয়াবহ পাহাড়ী ঢলের বন্যায় প্রতিটি ইউনিয়নেই ÿতিগ্রসত্ম হয়। পাহাড়ী ঢলের কারণে খাল, নদী ভাঙ্গনের প্রবনতা বেশী দেখা যায়। ফলে বসতবাড়ী ও কৃষি জমি বিলীন হওয়ার পাশাপাশি যোগাযোগ ব্যবস্থার বাধাগ্রসত্ম হয়।

 

অতি বৃষ্টিঃউখিয়া উপজেলার জালিয়া পালং, রাজাপালং, রত্নাপালং, হলদিয়া পালং, পালংখালী ইউনিয়নে প্রতি বছর প্রচুর বৃষ্টি হয়। প্রতিটি ইউনিয়নে পাহাড় থাকার কারণে পাহাড়ী ঢলের ফলে বন্যা সংগঠিত হয়। অতিবৃষ্টির কারণে ধান, সব্জী, ঘরবাড়ী, রাসত্মাঘাট এবং বাঁধ ÿতিগ্রসত্ম হয়। উখিয়া উপজেলায় ১৯৮৮,১৯৯৮, ২০১০সালে অতিবৃষ্টি হয়। ঢলের বন্যায় প্রতিটি ইউনিয়নেই ÿতিগ্রসত্ম হয়।

 

খরা/সেচ সমস্যাঃউপজেলার পালংখালী ইউনিয়নে মাঘ-বৈশাখ মাসে এখানকার খাল-বিলের পানি শুকিয়ে যায় এবং ভূ-গর্ভস্থ পানির সত্মর নিচে নেমে যায়। ফলে ফসলের উপাদন হ্রাস পায়। লোকজনের অসুখ-বিসুখ বেড়ে যায়। এ অবস্থা অব্যাহত জনজীবন, পরিবেশ মারাত্নক বিপর্যয়ের সম্মুখী হতে পারে।

 

কালবৈশাখীঃপ্রতি বছর বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে উপজেলার প্রায় ইউনিয়নে কালবৈশাখী হয়। অধিকাংশ জনগণ গরীব হওয়ায় দূর্বল অবকাঠামো ও অপরিকল্পিত বসতভিটা কালবৈশাখী সহনীয় নয়। বড় আকারে কালবৈশাখী হলে বা আঘাত হানলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশংকা রয়েছে।

 

জলাবদ্ধতাঃউপজেলার অধিকাংশ ইউনিয়নের ভূমি উঁচু ফলে দীর্ঘ মেয়াদী বন্যার সৃষ্টি হয় না। তবে অতি বৃষ্টির কারলে পাহাড়ী ঢলে অনেক স্থানে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। বাঁধ নির্মাণ, গাইড ওয়াল নির্মাণ, ও রাসত্মার দু‘পাশে বৃক্ষ রোপনসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে ভবিষ্যতে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা কমে আসবে।

 

বন্যহাতির আক্রমনঃউখিয়া উপজেলার ৬৪,৬৬৫একর ভূমি মধ্যে ৩২,০৬৩ একর পাহাড়ী বনভূমি হাতি অভয়ারণ্য হিসাবে নাম ছিল। এ পাহাড়ী অঞ্চলে অনেক বন্য প্রাণী বাস করে এবং এ প্রাণীর আক্রমনে কৃষি জমির ফসল ÿতিগ্রসত্ম হয়। বিশেষ করে ফসল কাটার সময় বন্যহাতির আক্রমন হয়ে থাকে। হাতির আক্রমে অনেক ঘরবাড়ী ভাংচুরসহ মানুষ গবাদিপুশুর মৃত্যুও হুমকির কারণ হয়ে দাড়ায়। 

 

খালের পাড় ভাঙ্গনঃ উখিয়া উপজেলার রাজাপালং, রত্নাপালং, হলদিয়া পালং ও জালিয়াপালং দিয়ে দু‘ছড়ি, রেজুর খাল, গয়ালমারা খাল, বালুখালী খাল, থাইংখালী খাল, পাগলীবিল খাল, চেইংচুরিখাল, ইনানী খাল, সেপটখালী খাল, চোয়াংখালী ও মনখালীখাল বয়ে যাওয়ায় পাহাড়ে অধিক বৃষ্টিপাত হলে খালগুলোতে পাহাড়ী ব্যাপক ঢলের সৃষ্টি হয়। এই সৃষ্ট ঢলের স্রোতে খালের দু’কূল ভাঙ্গনের কবলে পড়ে। উপজেলার প্রায় সব ইউনিয়নে অবস্থিত বিভিন্ন ছরাগুলোতেও ঢলের সৃষ্টি হয়। ফলে খালের দু’পাড়ের কৃষি জমি, রাসত্মাঘাট, ঘরবাড়ী নানাবিধ ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে থাকে। সরকারীভাবে খালগুলোর বস্নক, খাল ড্রেজিং করে খালের গতিপথ পরিশুদ্ধ করা না গেলে যোগাযোগ বন্ধ ও গ্রাম্য আবাসিক এলাকা বিলীন হয়ে যাবে।

 

পাহাড় কাটা ও উখিয়া উপজেলায় বিগত ৬-৭ বছর থেকে সমাজের উঁচু শ্রেনী লোকজন ব্যক্তিগত স্বার্থ উদ্ধার করার জন্য অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে অনিয়ন্ত্রিতভাবে পাহাড় কাটছে এর ফলে প্রাকৃতিক পরিবেশ ভার্সাম্য বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছে। অন্যদিকে জীব-বৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে ও এলাকায় জনসাধারণের রোগব্যাধি দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে অত্র এলাকায় বসবাস ও চাষ অনুপযোগী হয়ে পড়বে।

 

বৃÿ নিধনঃ উখিয়া উপজেলাটি বঙ্গোপাসাগরের উপকূলে পাহাড় বেষ্টিত হওয়ায় প্রাকৃতিক সবুজে আচ্ছাদিত ছিল। বর্তমানে অর্থনৈতিক এলাকার এক শ্রেনীর লোকজন লোভ লালসার কারণে অবাধে বৃক্ষ কাটে, ফলে পাহাড়ী বনভূমি উজার হচ্ছে। অনদিকে জনসংখ্যা বৃদ্ধিজনিত কারনে বসতবাড়ী নির্মাণে/সংস্থানে অবাধে পাহাড় কাটায় প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। বৃক্ষ নিধনের ফলে অত্র উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে বিপদাপন্নতা বাড়িয়ে দিচ্ছে, এর ফলে সংঘটিত হচ্ছে ছোট-বড় ধরণের অনেক দূর্যোগ ।

 

 

 

 

 

 

 

২.৪ বিপদাপন্নতা ও সÿমতা

 

আপদ

বিপদাপন্নতা

সÿমতা

ঘূর্নিঝড়/জলোচ্ছাস

·     অবকাঠামো ব্যাপক ÿতি হয়

·     চাষ যোগ্যজমির ÿতি হয়

·     জালিয়াপালং ইউনিয়নের প্রায় জায়গায়  পশ্চিমের মেরিন ড্রাইভ সড়ক বা বেড়ীবাঁধ না থাকায় লবণাক্ত পানি দ্বারা পস্নাবিত হয় ফলে প্রায় ১৫০০একর ফসলী জমিতে চাষাবাদ করা সম্ভব হয় না।

·     উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে নাফ নদী, দু‘ছড়ি, রেজুর খাল, গয়ালমারা খাল, বালুখালী খাল, থাইংখালী খাল, পাগলীবিল খাল, চেইংচুরিখাল, ইনানী খাল, সেপটখালী খাল, চোয়াংখালী ও মনখালীখাল এলাকায় পস্নাবিত হয়।

·     ঘরবাড়ী নষ্ট হয়।

·     ফসল  নষ্ট  হয়ে অর্থনৈতিক ভাবে  দুর্বল  হতে  পারে।

·     পেশা পরিবর্তন হতে পারে। 

·     যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ে।

·     ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়।

·     সমুদ্র উপকূলীয় এলাকা হওয়ায় তারা স্থানীয় পদ্বতিতে মাটিতে গর্ত করে ধান সংরক্ষণ করে।

·     মেরিন ড্রাইভ সড়ক

·     প্রতিটি ইউনিয়নে উঁচু পাহাড় আছে

·     ইউনিয়নে  আশ্রয় কেন্দ্র আছে।

·     মুলত অধিকাংশ কৃষক চাষ এর উপর র্নিভরশীল হওয়ায় তারা ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারে

·     নাফ নদীর বেড়ীবাঁধ

 

পাহাড়ী ঢল/বন্যা

·     বসতবাড়ীর ÿতি হয়

·     অবকাঠামোর নষ্ট হয়

·     ফসলের ÿতি হয়

·        যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ে

·        ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়

·        পানির সমস্যা দেখা দেয়

·        পানিবাহিত রোগ বেড়ে যায়

·     মশা, মাছি উপদ্রব বেড়ে যায়

·     নীচু এলাকা ডুবে যায়

- পাহাড়ী এলাকা হওয়া বৃষ্টি কমে গেলে পানি নেমে যায়

-      পাহাড়ী ছরা সংস্কার করা যেতে পারে

-      উঁচু বাঁধ দিয়ে ফসলের জমি রক্ষা করা যেতে পারে;

-      মূলত কিছু কৃষক চাষ, মাছধরার উপর নির্ভরশীল হওয়ায় তারা ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারে;

-      ইউনিয়ন পরিষদ এবং এনজিও যৌথ উদ্যোগে মাটি ভরাট কর্মসূচি;

অতিবৃষ্টি

·     ঘরবাড়ী নষ্ট হয়

·     যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ে

·     ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়

·     নীচু এলাকা তলিয়ে যায়;

·     অবকাঠামোর নষ্ট হয়

 

·     উঁচু এলাকা ও সমুদ্র উপকূলীয় এলাকা হওয়া পানি দ্রুত নেমে যায়।

·     মেরিন ড্রাইভ সড়ক আছে

·     প্রতিটি ইউনিয়নে উঁচু পাহাড় আছে

·     ইউনিয়নে  আশ্রয় কেন্দ্র আছে।

·     মুলত অধিকাংশ কৃষক চাষ এর উপর র্নিভরশীল হওয়ায় তারা ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারে

·     নাফ নদীর বেড়ীবা

পাহাড় কাটা

·        ঘরবাড়ী নষ্ট হয়

·        বনসম্পদের ব্যাপক ÿতিহয়

·        ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়

·     যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ে

·     আইনের ব্যবহার প্রয়োগ না থাকায় অবৈধভাবে পাহাড় কাটার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে;

·     প্রাকৃতিক পরিবেশ চরম বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছে। পাশাপাশি জীব-বৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে ও লোকজনের রোগব্যাধি বৃদ্ধি পাচ্ছে;

·        পাহাড় ধসে হঠাৎ মৃত্যুহয়

·        অবৈধভাবে ও অবাধে পাহাড় কেটে ফেলায় পানি সহজেই প্রবাহিত হয়ে মাটির ÿয় হয়।

-সরকারী ভাবে স্থানীয় সরকারের তত্তাবধানে আশ্রয়ন প্রকল্প গড়ে উঠছে

-সরকারীভাবে পাহাড়ে বনায়নের ব্যবস্থা নেয়া।

- পাহাড় কাটা বন্ধের আর্মির প্রচারে উদ্যোগ আছে।

খরা / মৌসুমী সেচ সমস্যা

·     কৃষি সেচ পানির অভাব

·     দীর্ঘদিন অনাবৃষ্টির জন্য ফসলের ÿতি হয়

·     অনাবৃষ্টির জন্য মাছ মারা গিয়ে উৎপাদন কমে যায়।

·     চাষীদের আর্থিক ÿতি হয়

·     খাদ্য ঘাটতি হয়

·     দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পায়

·     মৌসুমি শ্রমিক বেকার হয়

·     গভীর নলকুপ বসানো ব্যাবস্থা আছে

·     মাঠে বিদ্যুৎ নেয়ার ব্যাবস্থা আছে।

·     মটর পাম্পা এর সুযোগ আছে।

 

কালবৈশাখী

·     ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়।

·     ঘরবাড়ী নষ্ট হয়।

·     বসতবাড়ীর গাছপালা, পাহাড়ী বৃÿসহ বন সম্পদ নষ্ট হয়

 

·     আশ্রয় কেন্দ্র আছে।

·     মুলত অধিকাংশ কৃষক চাষ এর উপর র্নিভরশীল হওয়ায় তারা ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারে ।

·     সমুদ্র হতে মৎস আহরন করতে পারে

জলাবদ্ধতা

·     ফসলের ÿতি হয়

·     বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে যায়

·     ঘরবাড়ী নষ্ট হয়

·     যোগাযোগের ÿতি হয়

·     অমাবশ্যা, পূর্নিমার স্বাভাবিক জোয়ের পানি উঠার আগে স্থানীয় জনগণ পাশ্বর্বতী উঁচু গ্রামে চলে যায়

·     উঁচু জায়গায় আশ্রয় নেয়।

খালের পাড় ভাঙ্গন

·     উঁচু জলোচ্ছাস সৃষ্টি হতে পারে।

·     বেড়ীবাঁধ ভেঙ্গে যেতে পারে।

·     পস্নাবিত হয়ে ঘরবাড়ী ও জনবসাতির ব্যাপক ÿতি হতে পারে।

-      খালের দু‘পারে কোন কোন স্থানে সিমেন্টের বস্নক দেওয়ার পর্যাপ্ত জায়গা আছে ;

-      মাটি ভরাট করার সুযোগ আছে;

-  বেড়ীবাঁধ মজবুত করার সুযোগ আছে;

-      নতুন সস্নুইচ গেট করার সুযোগ আছে;

-      খাল ভাঙ্গন রোধে সিমেন্টের বস্নক/বালুর বসত্মা ফেলার ক্ষেত্রে সরকারীভাবে কার্যক্রম আছে;

-      ঘর-বাড়ি, রাসত্মাঘাট, গাছপালা খালের পার থেকে দূরে করার সুযোগ আছে;

-      পাহাড় এলাকা বিধায় জনগণ পাহাড়ে আশ্রয় নিতে পারে;

-      বৃক্ষ রোপন করার সুযোগ আছে;

- বাঁধ, মেরিন ড্রাইভ সড়ক জলোচ্ছাসকে

   কিছুটা প্রতিরোধ করতে পারে।

-আশ্রয় কেন্দ্রে নিরাপত্তার জন্য আশ্রয় নিতে পারে। 

বন্যহাতির আক্রমন

·     ফসলের ক্ষতি হয়।

·     ঘরবাড়ী নষ্ট হয়।

·     গাছপালা ÿতি হয়।

·     লোক জন মারা  যায়

·     উঁচু গাছে টং বেuঁধ পাহারা দেয়া

·     স্থানীয় লোকজন দলবদ্ধ হয়ে মশাল জ্বালিয়ে  হাতি তাড়ানো।

লবনাক্ততা

·     কৃষিজ ফসলের ÿতিগ্রসত্ম হয়।

·     সুপেয় পানির দুস্প্রাপ্যতা বেড়ে যায়।

·     মাটির উর্বরতা নষ্ট হয়।

·      উপজেলায় বঙ্গোপাসাগরের পাশদিয়ে  মেরিন ড্রাইভ সড়ক সহজে লবণের পানি প্রবেশের বাধা দিয়ে থাকে।

·     পালংখালীতে বেড়ীবাঁধ আছে।

ম্যালেরিয়া

- উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে পাহাড়ী এলাকায় ঘর বাড়ি ও জনবসতি, জীবন-জীবিকার উৎস;

-      অধিকাংশ লোক জীবিকার জন্য বাঁশ, কাঠ ইত্যাদি কাটতে গেলে মশার আক্রমণে ম্যালেরিয়া রোগে আক্রামত্ম হয়;

-      সঠিক চিকিৎসার অভাব;

-      বিশেষ করে এনজিওদের মাধ্যমে ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় এবং পাশাপাশি মশারী বিতরণ করা হয়;

 

২.৫ সবা©র্ধক বিপদাপন্ন এলাকাঃ

 

আপদ

সর্বাধিক বিপদাপন্ন এলাকা

বিপদাপন্নের কারণ

বিপদাপন্ন জনসংখ্যা

ঘূর্নিঝড়/জলোচ্ছাস

-জালিয়া পালং ইউনিয়নের সোনারপাড়া, ডেইলপাড়া, লম্বরীপাড়া, সোনাইছড়ি, নিদানিয়া, ইনানী, মোহাম্মদ শফির বিল, রম্নপপতি, বাইলাখালী, ঈমামের ডেইল, সেপটখালী, মাদারবনিয়া, ও মনখালী, পালং খালী ইউনিয়নের ফাড়িরবিল, আনজিমানপাড়া, নলবনিয়া, বালুখালী, গয়ালমারা, ধামনখালী থাইংখালী, রহমতের বিল সহ উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়ন সমূহ।

 - সঠিক সময়ে সর্তক সংকেত না পাওয়া

-আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়া অনিহা প্রকাশ

-দূর্বল অবকাঠামো ও অপরিকল্পিত বসতভিটা টর্নেডো/ ঘূর্ণিঝড় সহনীয় নয়

- বঙ্গোপাসাগরের সাথে লাগানো এলাকা হওয়ার    কারনে

 

 

সমগ্র উপজেলার জনগণ পরিবার

পাহাড়ী ঢল/বন্যা

উপজেলার পালংখালী, রাজাপালং, রত্নাপালং, হলদিয়া পালং ও জালিয়া পালং ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা।

-অতি বৃষ্টি,

-পর্যাপ্ত পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা না থাকা।

-ভরাট হয়ে খালের গভীর কমে যাওয়া।

-নদী/খাল দখল হয়ে স্থাপনা নির্মাণ

৩৫০০ পরিবার

অতিবৃষ্টি

উপজেলার পালংখালী, রাজাপালং, রত্নাপালং, হলদিয়া পালং ও জালিয়া পালং ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা।

-রাসত্মাঘাট উঁচু না থাকা,

-খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় বর্ষা মৌসুমে  গ্রাম গুলো পস্ন­vবিত হয়

 

১৫০০ পরিবার

পাহাড় কাটা

উপজেলার পালংখালী, রাজাপালং, রত্নাপালং, ও জালিয়া পালং ইউনিয়নের পাহাড়ী এলাকা সমূহ।

- জনসংখ্যা জনিত কারণে বসতি স্থাপন

- বিদ্যুৎ ঘাটতি

- নিচু জায়গা ভরাট

- জ্বালানী সরবরাহ

- জ্বালানী তৈলের মূল্য বৃদ্ধি

- ইট ভাটায় মাটি সরবরাহ

- জমি দখল

-১০০০ পরিবার

 

কালবৈশাখী

উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের সমগ্র এলাকা সমূহ

দূর্বল অবকাঠামো ও অপরিকল্পিত বসতভিটা টর্নেডো/ ঘূর্ণিঝড় সহনীয় নয়

সমগ্র ইউনিয়নের জনগন

জলাবদ্ধতা

উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের লম্বাঘোনা, ডেনলপাড়া, তুতুরবিল, দÿÿণ গয়ালমারা। রত্না পালং ইউনিয়নে ভালুকিয়া, থিমছড়ি, পেচাঁর ডেবা, রম্নহুল্যারডেবা ও তেলীপাড়া। হলদিয়াপালং ইউনিয়নে সাবেক রম্নমঁখা, চৌধুরীপাড়া এবং জালিয়াপালং ইউনিয়নের পাইন্যাশিয়া,লম্বরীপাড়া ও সোনাইছড়ি।

- অতি বৃষ্টি,

-পাহাড়ী ঢল,

-পানি নিস্কাষনের ব্যবস্থা না থাকা।

- খাল, নদী নালা সংস্কার না করা।

৫০০০ পরিবার

খালের পাড় ভাঙ্গন

জালিয়াপালং ইউনিয়নের পাইন্যাশিয়া,লম্বরীপাড়া ও সোনাইছড়ি, হলদিয়াপালং ইউনিয়নের  চৌধুরীপাড়ার পশ্চিম অংশ, গুরাইয়ার দ্বীপ, পূর্ব মরিচ্যা ও পশ্চিম মরিচ্যা এবং রত্নাপালং ইউনিয়নের পশ্চিম রত্না,

- অতি বৃষ্টি,

- পাহাড়ী ঢল,

- সামুদ্রিক জোয়ার

- পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকা।

- খাল সমূহ খনন না করা।

- খাল ভরাট হয়ে যাওয়া

- খালের পাড়গুলো রÿনাবেÿন না করা

- খালের দুইপারে গাছপালা না থাকা।

৫০০০ পরিবার

বন্যহাতির আক্রমন

পালংখালী, রাজাপালং ও জালিয়া পালং ইউনিয়নের পাহাড় সংলগ এলাকা ও পাহাড়ী উপত্যকা ।

- পাহাড়ে বন্য হাতির প্রয়োজনীয় খাদ্যের অভাব

- পাহাড়ে বসতি গড়ে উঠায়

- অধিক হারে বৃÿ নিধন

৫০০ পরিবার

 

 

 

 

 

২.৬  উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রধান খাতসমূহঃ

 

খাত

বিসত্মারিত বর্ণনা

ঝুকি হ্রাসের সাথে সমন্বয়

 

কৃষি

§     উখিায় উপজেলায় প্রতিবছর সব মৌসুমে কৃষি ফসল ও শস্য উৎপাদন হয়ে থাকে, তবে শীত মৌসুমে বেশী হয়।

§     উপজেলার পালংখালী, রাজাপালং, রত্নাপালং, হলদিয়া, জালিয়াপালং ইউনিয়নে বিভিন্ন খাল দিয়ে বৃষ্টির পানি প্রবাহিত হয়ে প্রায় ৪২৮০ একর জমির ২০% ফসল ও ১০% সব্জি ক্ষেত সম্পূর্ণ বিনষ্ট যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।

§     প্রতিবছর জোয়ারের পানি দ্বারা প্রায় ৪২৮০ একর জমির প্রায় ১৫% ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।

§     উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে বর্ষা মৌসুমে নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা হয়ে প্রায় ৪০০০ একর জমির ৩০% ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।

§     উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে ২০০ থেকে ২২০ কি.মি. বেগে ঘূর্ণিঝড় সংগঠিত হলে প্রায় ৫০% ফসলের ক্ষেত ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।

§        উপযুক্ত জায়গায় সস্নুইচ গেইট স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহন।

§        খালের গভীরতা সৃষ্টি করার ব্যবস্থা গ্রহন।

§        পালংখালী ইউনিয়নের বেড়ীবাঁধ মজবুত করারউদ্যোগ গ্রহন।

§        মেরিন ড্রাইভ সড়ক রÿনাবেÿন করা।

§        খাল সমূহ সংস্কারের মাধ্যমেজোয়ারের পানি থেকে ফসল রক্ষা পেতেপারে।

§        সরকারের কৃষি বিভাগ কর্তৃক জলাবদ্ধ এলাকায় বিকল্প ফসল ফলানোর উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে।

§        ঢলের পানি নদীতে বা খালে প্রবাহের ব্যবস্থা করা।

§        স্থানীয় সরকার ও সংশিস্নষ্ট দপ্তরের সমন্বয়ে খাল খনন এর উদ্যোগ গ্রহণ করা।

 

 

শিÿা

§       ১৯৯১ সালের মতো ঘূর্ণিঝড় হলে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ালেখা সাময়িক বন্ধ হতে পারে। শিক্ষা ব্যবস্থার ৫০% ক্ষতি হতে পারে। অনেক ছাত্র-ছাত্রীর লেখাপড়া সাময়িক ভাবে বন্ধ থাকতে পারে।

 

§      মেরিন ড্রাইভ সড়ক রÿনাবেÿন করা

§      পালংখালী ইউনিয়নের বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা।

§      শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো উঁচু স্থানে বা মজবুত ভাবে নির্মান করা।

§      অধিক বৃÿ রোপনের ব্যবস্থা করা।

§      খাল খননের ব্যবস্থা করা, রাসত্মা উঁচু করা।

§      গাইড ওয়াল দেয়া।

§      প্রয়োজনীয় ব্রীজ ও কালভার্ট নির্মাণ করা।

 

যোগাযোগ

§          ১৯৯১ইং সালের মত ২০০ থেকে ২২০ কি:মি: বেগে ঘূর্ণিঝড় সংগঠিত হলে উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নে ৫কি.মি. বেড়ীবাঁধ ভেঙ্গে যেতে পারে এবং ১৫কি.মি. মেরিন ড্রাইভ সড়ক ব্যাপক ÿতি হতে পারে।

§          অতিবৃষ্টির কারণে নীচু এলাকা গুলোয় বর্ষা মৌসুমে প্রায় ১৫ কি.মি. কাঁচা ও ২০ কি.মি.  ব্রিক সলিং রাসত্মা ডুবে গিয়ে যোগাযোগ ব্যাহত হবে।

§          উপজেলায় প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির কারণে প্রায় ২৫কি.মি. রাসত্মা ভেঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে।

§          উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে এর নিমণএলাকা সমূহ  জলাবদ্ধতার ফলে ৮কি.মি. রাসত্মা চলাচল অনুপযোগী হয়ে যেতে পারে।

§        রাসত্মা উঁচু করে তৈরী করা

§        যথাস্থানে  গাইডওয়াল দেয়া।

§        প্রয়োজনীয় কালভার্ট ও ব্রীজ নির্মাণ করা।

§        পর্যাপ্ত সাইক্লোন সেল্টার নির্মাণ করা।

§        বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও সংস্কারের ব্যবস্থা করা।

§        বৃÿ রোপন, ঝাউবন, প্যারাবন সৃষ্টির ব্যবস্থা করা

§        মেরিন ড্রাইভ সড়ক রÿানাবেÿন করা

 

স্বাস্থ্য

§     উখিয়া উপজেলায় পালংখালী, রাজাপালং, রত্নাপালং, হলদিয়াপালং, জলিয়াপালং ইউনিয়নে পর্যাপ্ত নলকূপ না থাকায় ডায়রিয়া, আমাশয়, কলেরাসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ দেখা দিতে পারে।

§     উপজেলার জালিয়াপালং এবং পালংখালী ইউনিয়নে লবণাক্ততা থাকলে পানীয় জলের অভাব জনিত কারনে নানাবিধ রোগ বালাই দেখা দিতে পারে।

§     উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে তাপমাত্রর বৃদ্ধির কারণে ডায়রিয়া এবং অন্যান্য রোগের কারণে  প্রায় ২০% লোক স্বাস্থ্যহানী।

§     উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে জলাবদ্ধতার কারণে পানি দূষণ হয়ে ১৫% লোক ডায়রিয়া, আমাশয়, টাইফয়েড ও চর্ম রোগে আক্রামত্ম হতে পারে।

§        স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করা

§        স্যানিটেশন বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো।

§        দূর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার জন্য ব্যাপক প্রস্ত্ততিমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা।

§        পর্যাপ্ত সাইক্লোন সেল্টার নির্মাণ করা।

§        পুরাতন সাইক্লোন সেল্টার সংস্কার করার উদ্যোগ গ্রহন

 

 

পরিবেশ

 

§     উপজেলায় ব্যাপকভাবে পাহাড়কাটা, পাহাড়ী বৃÿ নিধন, ঝাউবন নিধন, বসতবাড়ীর বৃক্ষ নিধনের কারণে প্রায় ৫০% বনজ সম্পদ ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।

§     জন সচেতনতার অভাবে বসতবাড়ীর বৃক্ষনিধন, প্যারাবন কাটার পর লবণ চাষ করার ফলে মারাত্নক পরিবেশ বিপর্যয় হতে পারে।

§      ব্যাপক ভাবে ঝাউবন সৃষ্টি করা উদ্যোগ গ্রহন

§      বনায়নে গণজাগরন সৃষ্টি করা

§      মেরিনড্রাইভ সড়কসহ রাসত্মা ও বেড়ী বাঁধের দুই পাশে বৃক্ষ রোপণ করা।

§      বাড়ির আশে পাশে বৃক্ষরোপণ করার জন্য জনগণকে উৎসাহিত করা।

§      পরিবেশ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

§      অবৈধভাবে গাছ কাটা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও প্রয়োগ করা।

 

বনজ সম্পদ

§       ১৯৯১ সালের মতো ঘূর্ণিঝড় হলে উপজেলার অধিকাংশ ঝাউবন, পাহাড়, বসতভিটার গাছ-পালা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গিয়ে ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে।

§       ১৯৯৭ সালের মতো ঘূর্ণিঝড় হলে অধিকাংশ পাহাড়কাটা, ঝাউবন, পাহাড়ী গাছ, গাছ-পালা নষ্ট হয়ে গিয়ে কয়েক ১.৫ কোটি  টাকার  ক্ষতি হতে পারে।

§       প্রতি বছরের ন্যায় পাহাড় ধ্বস বা পাহাড়ী ঢল হলে বিভিন্ন ইউনিয়নের বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা বিলুপ্ত হয়ে প্রায় ১০ কোটি টাকার ক্ষতি হতে পারে।

§       প্রতি বছরের ন্যায় টর্নেডো হলে উপজেলার কয়েক লক্ষ গাছপালা ভেঙ্গে গিয়ে কয়েক কোটি টাকার ক্ষতি হতে পারে।

§     রাসত্মার দুই পাশে বৃক্ষ রোপণ করা।

§     বাড়ির আশে পাশে বৃক্ষ রোপণ করার জন্য জনগণকে উৎসাহিত করা

§     পাহাড়ে ব্যাপক বনায়ন করা

§     সমুদ্র সৈকতের মেরিন ড্রাইভ সড়কে ঝাউবন সৃষ্টি করা।

§     পরিবেশ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

§     বৃÿ নিধন ও অবৈধভাবে গাছ কাটা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও প্রয়োগ করা।

মৎস

§     ১৯৯১সালে মত ঘূর্ণিঝড় হলে উপজেলায় পালংখালী ইউনিয়নে সমসত্ম চিংড়ি চাষ ধ্বংস হয়ে যেতে পারে

§     ২৯টি হ্যাচারির প্রায় ১০০০ কোটি পোন নষ্ট হয়, যার বাজার মূল্য ২০০কোটি টাকা হবে।

§     উপজেলায় কাল বৈশাখী হলে ১০% মৎসচাষ   ক্ষতি হতে পারে।

 

§      বেড়ীবাঁধ এলাকায় বনায়ন, ঝাউবন, প্যারাবন সৃষ্টি ও রÿনাবেÿন করা।

§      মাছ ধরার বোট ও জাল রক্ষা করার জন্য দূর্যোগ সহনশীল ও মজবুত স্থাপনা নির্মাণ করে বোট ও জাল রক্ষা করা ও মৎস্য উৎপাদনকে তরান্বিত করা।

§      পুকুরের পাড় উঁচুকরণ এবং পুকুর সংস্কার করা।

§      নদী/সাগর পাড়ের কম পক্ষে ১ কিলোমিটার দূরে বিহিঙ্গি জাল পাতা।

§      হ্যাচারি শিল্পে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

আবাসন

§       উপজেলায় ১৯৯১সালে মত সামুদ্রিক জলোচ্ছাসের কারণে প্রায় ৫০০০ মাটির বাড়ি ও আধাপাকা ÿতির সম্মুখিন হতে পারে

§       উপজেলায় ১৯৯১সালে মত ঘূর্ণিঝড় ২০০-২২০ কিলোমিটার বেগে ঘূর্ণিঝড় হলে ৪০% মাটির বাড়ি ও আধাপাকা বাড়ী ÿতি হতে পারে।

§       উপজেলায় কাল বৈশাখী হলে ২০ % ঘর বাড়ি  ÿতি হতে পারে।

§       উপজেলায় সামুদ্রিক জোয়ার, অতি বৃষ্টির কারণে প্রায় ১০% ঘরবাড়ী নষ্ট হতে পারে

§     মেরিন ড্রাইভ সড়কে বনায়ন, ঝাউবন, প্যারাবন সৃষ্টি ও রÿনাবেÿন করা।

§     ঘূর্ণিঝড় সহনীয় ঘর-বাড়ী নির্মাণ ও সংস্কার করা।

§     বসত বাড়িসহ বিভিন্ন স্থাপনা নদী হতে দূরে ও উঁচু স্থানে মজবুতভাবে নির্মাণ করা।

§     আবহাওয়া সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করা ও তাদের সÿমতা বাড়াতে সহায়তা করা।

§     বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও সংস্কার করা।

§     বসত বাড়িসহ বিভিন্ন স্থাপনার চারিদিকে, রাসত্মা ও খালসমূহের দুই ধারে বৃÿ রোপণ করা।

§     পর্যাপ্ত সাইক্লোন সেল্টার নির্মাণ করা।

 

 

 

২.৭ সামাজিক মানচিত্রঃ ।

 

এই মানচিত্রে উপজেলার সামাজিক অবস্থা এক নজরে দেখানো হলো।

 

২.৮ আপদ ও ঝুuঁক মানচিত্রঃ ‘‘মানচিত্রটি সংযুক্তি-৮’’ এর প্রদান করা হলো।

 

এই মানচিত্রে উখিয়া উপজেলার বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে সৃষ্ট আপদ ও ঝুকিঁ দেখানো হয়েছে। 

 

২.৯ আপদের মৌসুমী দিনপঞ্জিঃ

 

আপদ

বৈশাখ

জৈষ্ঠ্য

আষাঢ়

শ্রাবন

ভাদ্র

আশ্বিন

কার্তিক

অগ্রহায়ন

পৌষ

মাঘ

ফাল্গুন

চৈত্র

 

ঘূর্নিঝড়

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সামুদ্রিক জলোচ্ছাস

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

পাহাড়

 কাটা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

অতিবৃষ্টি

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

পাহাড়ী ঢল/বন্যা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

খরা/সেচ সমস্যা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

কাল-

বৈশাখী

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

খালের পাড় ভাঙ্গন

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

জলাবদ্ধতা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

বন্যহাতির আক্রমন

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

v        ৪.৫. মৌসুমী দিনপঞ্জী বিশেস্নষণ:

·        ঘূর্নিঝড়: উখিয়া উপজেলায় ঘূর্নিঝড় একটি অন্যতম আপদ। সাধারণত: বৈশাখ, জৈষ্ঠ্য মাস এবং আশ্বিন, কার্তিক ও অগ্রহায়ণ মাসে ঘূর্নিঝড় বেশী আঘাত হানে। ঘূর্নিঝড়ে এখানকার কাঁচা ঘরবাড়ি, পানের বরজ, কৃষি ফসল, গাছপালার ব্যাপক ÿতি হয়।

·        সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস: এটি এই জনপদের উপকূলবর্তী মানুষের জন্য আপদ হিসাবে বিবেচ্য। বছরের বর্ষা মৌসুমে এর প্রভাব বেশী। সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসের কারণে গ্রামীণ সড়ক, কাঁচা ঘরবাড়ী এবং ফসলের মারাত্মক ÿতি হয়। তাছাড়া পস্নাবিত জমিতে লবণাক্ততার পরিমাণ বেড়ে যায়। জৈষ্ঠ্য মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে অগ্রহায়ণ মাসের অর্ধেক সময়  অবদি এই দূর্যোগ বেশী সংঘটিত হয়।

·        পাহাড় কাটা ও বনাঞ্চল ধ্বংস: উখিয়া উপজেলার অধিকাংশ এলাকাজুড়ে পাহাড় ও বনাঞ্চল রয়েছে। নির্বিচারে পাহাড় কাটা ও বনাঞ্চল ধ্বংস করার বিষয়টি এই অঞ্চলের জন্য মারাত্মক আপদ হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে। এতে পরিবেশের মারাত্মক ÿতি হচ্ছে। সারাবছরই পাহাড় কাটা ও বনের গাছ কেটে বসতি স্থাপন এবং অন্যান্য দৈনন্দিন চাহিদা মেটাচ্ছে।

·        অতিবৃষ্টি: এই উপজেলার অধিবাসিদের মতে অতিবৃষ্টি এতদ অঞ্চলের জন্য একটি মাঝারি প্রকৃতির আপদ। অতিবৃষ্টির ফলে জলাবদ্ধতা তৈরী হয় এবং নিমণাঞ্চলের ফসল ও কাঁচাঘরবাড়ী ÿতিগ্রসত্ম হয়। বছরের আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে এর প্রভাব বেশী।

·        পাহাড়ি ঢল/বন্যা: ভৌগলিক অবস্থান ও ভূ-প্রাকৃতিক কারণে এই জনপদে অনেক ছোট বড় খাল, ছরা রয়েছে। বর্ষা মেীসুমে অতিবৃষ্টির সময়ে এই সমসত্ম খাল ও ছরা বেয়ে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল বৃষ্টির পানিতে অনেক এলাকা তলিয়ে যায়। তাই এটি উখিয়া উপজেলার জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টিকারী আপদ।এই আপদের কারণে  ফসল, বীজতলা, পুকুর ও ঘেরের মাছ ভেসে যায় এবং অপেÿাকৃত নিচু এলাকার কাঁচা ঘরবাড়ি ভেঙ্গে যায়।

·        খরা/সেচ সমস্যা: বছরের বৈশাখ, চৈত্র ও ফাল্গুন মাসে খরার প্রভাব দেখা যায়। এ সময় সেচের ÿÿত্রেও সমস্যা পরিলÿÿত হয়। এতে ফসল উৎপাদন ব্যহত হয় এবং পানীয় জলের অভাব দেখা দেয়।

·        কালবৈশাখী : কালবৈশাখীর কারণে পানের বরজ, ধান ও অন্যান্য ফসলের ÿতি হয়। তাছাড়া ব্যাপক পরিমাণ গাছ উপড়ে পড়ে এবং কাঁচা ঘরবাড়ী ভেঙ্গে যায়। কালবৈশাখী প্রধানত: বৈশাখ-জৈষ্ঠ্য মাসে আঘাত করে থাকে।

·        খালের পাড় ভাঙ্গন : এই জনপদে অনেক ছোট বড় খাল, ছরা রয়েছে। বর্ষা মেীসুমে অতিবৃষ্টির সময়ে এই সমসত্ম খাল ও ছরা বেয়ে নেমে আসা পাহাড়ি  ঢল, বৃষ্টির পানির স্রোতে খাল ও ছরার দু’পাড় ভেঙ্গে যায়। জৈষ্ঠ্য থেকে শ্রাবণ মাসের এই সময়ে এ আপদ বেশী ÿতি করে। খালের উভয় পাড়ের বসতবিটা, ফসলি জমি ও গাছপালা খালের ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে যায়।

·        জলাবদ্ধতা: উখিয়া এলাকায় জলাবদ্ধতা অতিসম্প্রতি ব্যাপক আকার ধারন করেছে। পানির প্রবাহের পথ সংকুচিত হওয়া, খাল-ছরা ভরাট হয়ে যাওয়া সহ নানা কারণে আষাঢ়, শ্রাবণ ও ভাদ্র এই তিন মাসে জলাবদ্ধত সৃষ্টি হয়।

·        বন্য হাতির আক্রমন: বনভূমি সমেত উখিয়ার বিভিন্ন এলাকায় বন্যহাতি ফসল নষ্ট করে এবং লোকালয়ে প্রবেশ করে মানুষের ইপর আক্রমন করে এবং গাছপালা-বাড়ীঘর ভেঙ্গে ফেলে। বছরের আষাঢ়, শ্রাবণ, ভাদ্র, অগ্রহায়ন ও পৌষ মাসে বন্যহাতির আক্রমন বেশী হয়ে থাকে।

 

২.১০ জীবিকার মৌসুমী দিনপঞ্জীঃ

 

জীবনযাত্রা

বৈশাখ

জৈষ্ঠ্য

আষাঢ়

শ্রাবন

ভাদ্র

আশ্বিন

কার্তিক

অগ্রহায়ন

পৌষ

মাঘ

ফাল্গুন

চৈত্র

 

ÿুদ্র ব্যবসা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

দিনমজুর

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

কৃষক

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

রিক্সা/টেক্সী চালক

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

মাছ ধরা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

মাছ চাষ

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

চিংড়ি চাষ

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

চাকুরী

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

২.১১ জীবন এবং জীবিকা সম্পর্কিত বিপদাপন্নতা

 

ক্র/নং

জীবিকাসমূহ

পাহাড়ী ঢল ও বন্যা

ঘূর্নিঝড়/ জলোচ্ছাস

পাহাড়কাটা

/বৃক্ষ নিধন

খালের দু‘পাড় ভাঙ্গন

ম্যালেরিয়া

অতিবৃষ্টি

বন্যহাতির আক্রমণ

কাল

বৈশাখী

পানির অভাব

০১

ÿুদ্র ব্যবসা

 

 

 

০২

দিনমজুর

 

০৩

কৃষক

০৪

রিক্সা/টেক্সী চালক

 

 

০৫

মাছ ধরা

 

 

 

০৬

মাছ চাষ

 

 

 

০৭

চিংড়ি চাষ

 

 

 

০৮

চাকুরী

 

 

 

 

 

 

 

২.১২ খাত ভিত্তিক আপদ ও ঝুuঁকর বর্ণনা ঃ

 

উখিয়া উপজেলার বিপদাপন্ন খাতসমূহ চিহ্নিতকরণ

 

আপদসমূহ

বিপদাপন্ন সামাজিক উপাদানসমূহ

ঘরবাড়ী

রাসত্মাঘাট

গাছপালা

ফসল

পরিবেশ

হাঁস মুরগী

গরম্ন ছাগল

খাবার পানি

হাট বাজার

নদ-নদী

মৎস

স্বাস্থ্য

শিÿা

আশ্রয়কেন্দ্র

পাহাড়ী ঢল ও বন্যা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ঘুর্ণিঝড় / জলোচ্ছাস 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

পাহাড়কাটা/বৃÿ নিধন

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

জোয়ারের পানি 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

খালের দু‘পাড় ভাঙ্গন

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

অতিবৃষ্ঠি 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ম্যালেরিয়া

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

কালবৈশাখী

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

পানির অভাব

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

বন্যহাতির আক্রমণ

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

                                 

 

1.    উখিয়া উপজেলায় ২০১০সালের মত পাহাড়ী ঢল বা বন্যা উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের ৩৭,৯৪০বাড়ীর ১৫,০০০বাড়ী ÿতিগ্রসত্ম হতে পারে, ৭৩৭কি.মি. রাসত্মার মধ্যে ৩০কিমি. পাকা রাসত্মা, ২১০কিমি. কাচাঁ রাসত্মা, ১২০কিমি. আধাপাকা রাসত্মা ÿতি হতে পারে, উপজেলার প্রায় ২৫,০০০টি গাছপালা সম্পুর্ণ ÿতি হতে পারে। ১৯,৫০৩একর জমির মধ্যে ৬,৫৫০ একর জমির আমন চাষের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে।৭০০ একর চিংড়ি, ১১০০একর বনভূমি, ৯০টি ব্রীজ, ২৩০টি কালভার্ট, ৫০০টি নলকূপ, ৩১০০টি জলাবদ্ধ পায়খানা, ১৫০ দোকান, ১৪৬টি শিÿা প্রতিষ্ঠানের ৭০টি, ১৫০টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক ÿতি হতে পারে। যার ফলে ২৫,০০০ পরিবার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতেপারে।

 
 

2.  উখিয়া উপজেলায় ১৯৯১সালের মত ঘূর্ণিঝড়ও জলোচ্ছবাস হলে ৫টি ইউনিয়নের ৩৭,৯৪০বাড়ীর ৩০,২০০বাড়ী সম্পূর্ণ ÿতিগ্রসত্ম হতে পারে, ৭৩৭টি রাসত্মার ৫১০কি.মি. ÿতি হতে পারে, উপজেলার প্রায় ৫,৭৫,০০০টি গাছপালা ÿতি হতে পারে। ১৯,৫০৩একর জমির মধ্যে ১৫,৫০০ একর জমির আমন চাষের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে।উপজেলা ৭০০ একর চিংড়ি, ৩২,০৩২একর বনাঞ্চল, ১৪০টি ব্রীজ, ২৩৫টি কালভার্ট, ৬৫০০টি নলকূপ, ১০৫০০টি জলাবদ্ধ পায়খানা, ১২টি বাজারের ২৫৫০ দোকান, ১৪০টি শিÿা প্রতিষ্ঠানের ১২০টি, ১৫০টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক ÿতি হতে পারে। যার ফলে ৩৭,৯৪০পরিবার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতেপারে।

 

3.   উখিয়া উপজেলায় পাহাড়কাটা ও বৃÿ নিধনের কারণে জালিয়াপালং, রাজাপালং, পালংখালী ইউনিয়নে প্রায় ১,২০,০০০ বনজ গাছ নিধন হতে পারে। উপজেলায় ৫টি পাহাড় নিঃশেষ হতে পারে। যার ফলে বন সম্পদের ব্যাপক ÿতি হবে। হঠাৎ পাহাড় ধ্বসে মানুষের মৃত্যু হতে পারে। প্রাকৃতিক পরিবেশ বিপর্যয় হয়ে জীব বৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়তে পারে।

4.   উখিয়া উপজেলায় কালবৈশাখীর কারণে উপজেলার রাজাপালং, জালিয়াপালং, হলদিয়া পালং, রত্নাপালং ও পালংখালী ইউনিয়নে প্রায় ৮০০০টি ঘরবাড়ী, ৭৫টি শিÿা প্রতিষ্ঠান, ৩৫০টি দোকান ঘর, ৩৫,৫০০টি গাছপালা সম্পূর্ণ ÿতি হতে পারে। ১১০০ একর জমির ধান চাষের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে।যার ফলে ৮,০০০ পরিবার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতেপারে।

5.  উখিয়া উপজেলায় ১৯৯৭সালের মত ঘূর্ণিঝড়হলে ৫টি ইউনিয়নের ১৮,০০০বাড়ী সম্পূর্ণ বিধ্বসত্মত্ম হতে পারে, উপজেলার প্রায় ২,৫০,০০০টি গাছপালা সম্পূর্ণ ÿতি হতে পারে। ৮০০০একর জমির আমন চাষের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে।উপজেলা ৭০০ একর চিংড়ি, ৩২,০৩২একর বনাঞ্চল, ৭৫টি ব্রীজ, ১৪০টি কালভাট, ৭০০০টি জলাবদ্ধ পায়খানা, ১২টি বাজারের ৭৫০টি দোকান, ১২০টি শিÿা প্রতিষ্ঠান, ১৫০টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক ÿতি হতে পারে। যার ফলে ২০,০০০ পরিবার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতেপারে।

6.   উখিয়া উপজেলায়ঘূর্ণিঝড়বাজলোচ্ছাসহলেকিংবা১৯৯১সা‡লরমত ঘূর্ণিঝড় হলে উপজেলারমোট ২,০৭,৩৭৯জন সংখ্যার মধ্যে ৩% লোক ডায়রিয়া, ২% লোক আমাশয় রোগে, ১% লোক টাইফয়েড, ১% লোক জন্ডিস, ৮% লোক ভাইরাসজনিত এবং ৩% চর্মরোগে, ২% ম্যালেরিয়া রোগে আক্রান্ত হয়েহতে  পারে। যার ফলে ইউনিয়নগুলোর প্রতিটি পরিবার আর্থিক অসচ্ছলতাসহ বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

7.        উপজেলার পালংখালী, রাজাপালং ও জালিয়া পালং ইউনিয়নের পাহাড় সংলগ্ন এলাকা ও পাহাড়ী উপত্যকায়বসতি গড়ে উঠায়, অধিক হারে বৃÿ নিধন কারণে পাহাড়ে বন্য হাতির প্রয়োজনীয় খাদ্যের অভাবে বন্যা হাতি লোকালয়ে, ফসলী জমিতে হানা দেয়। এ কারণে ৮০০ পরিবার ÿতি হতে পারে।

 

প্রতিটি খাত/ প্রতিষ্ঠান/ স্থাপনার বিপদাপন্নতার বিসত্মারিত বর্ণনাঃ

 

খাত/ প্রতিষ্ঠান/ স্থাপনাসমূহ

কেন বা কিভাবে বিপদাপন্ন

কি করলে বিপদাপন্নতা কমবে

 

পরিবেশ

পাহাড়, বৃÿ নিধন এর কারনে গাছপালা কমে গিয়ে পরিবেশ ভারসাম্য হারিয়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে পরিবেশর উপর বিরূপ প্রভাব দেখা যাচ্ছে।

পরিবেশের প্রয়োজনীয়তা, উপকারিতা সর্ম্পকে জনগণকে সচেতন করতে হবে। পাহাড়কাটা বন্ধের আইন কঠোরভাবে বাসত্মবায়ন করা। ইউনিয়ন পরিষদের সহযোগীতায় চারা রোপন করতে হবে। বিহিঙ্গি জাল দিয়ে মাছ ধরা বন্ধ করা সহ মাছের প্রজনন স্থান সুরÿÿত করতে হবে

 

রাসত্মাঘাট

সমাজের উচ্চ প্রভাবশালী লোকজন দ্বারা নিজেদের সেচ কাজের সুবিধার্থে রাসত্মা কেটে ড্রেন র্নিমান করা এবং অপরিকল্পিত চিংড়ি চাষ, রাসত্মায় ড্রেইন ব্যবস্থা না থাকা ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় রাসত্মার দুই পাশে ভেঙ্গে যাচ্ছে।

ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক রাসত্মা কেটে ড্রেইন র্নিমানে বাঁধা দেওয়া, রাসত্মার দুই পাশে বনায়ন উদ্যোগ নেয়া এবং অপরিকল্পিত চিংড়ী ঘের না করার জন্য মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক কঠোর আইন প্রয়োগ

 

গাছপালা

বৃÿ নিধনের কারনে ফলজ বনজ গাছ কমে যাচ্ছে, এছাড়া বয়সী চারা রোপন করায় গাছের মূল মাটির গভীরে না থাকার কারনে ঝুঁকিপূর্ণ গাছের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে

জনসাধারনকে সামাজিক বনায়নে উদ্বুদ্ধ করা সেই সাথে কম বয়সী চারা রোপন করার জন্য সকলকে উৎসাহিত করা এবং ঔষধি চারা রোপন করার উপকারিতা সর্ম্পকে প্রচার প্রচারনা করা

ফসল

অতিরিক্ত জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে ফসলী জমিতে বসতবাড়ী করা, সমুদ্র উপকূলীয় এলাকা হওয়ায় লবণাক্ততার কারণে মাটির  ফসল উৎপন্ন শক্তি হ্রাস পাওয়া

কৃষি অধিদপ্তর কর্তৃক স্যলাইনিটি সহনীয় ফসল উৎপাদনে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা

খাবার পানি

ভূগর্ভস্থ পানির সত্মর কমে যাওয়া ও সমুদ্র উপকূলীয় এলাকা হওয়ায় পানিতে লবণাক্ততার পরিমান বৃদ্ধি পাওয়া।

কম খরচে বিশুদ্ধ পানির  প্রযুক্তি ব্যবহার করে অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা দূরীকরণ সহজলভ্য ঢেঁকিকলের ব্যবহার বৃদ্ধি করা স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে রেইন ওয়াটার হারভেষ্ট করা

 

 

 

স্বাস্থ্য

বিচ্ছিন্ন পাহাড়ী অঞ্চল হতে জরম্নরী প্রয়োজনে  উন্নত চিকিৎসা সুবিধার জন্য জেলা বা বিভাগীয় শহরে যেতে না পারা, জনসংখ্যার তুলনায় অপ্রতুল হাসপাতাল ও চিকিৎসা সুবিধা, পাহাড়ী এলাকা বিধায় নিয়োগপ্রাপ্ত ডাক্তারগণ এলাকায় না থাকা, ওজা বৈদ্য, কবিরাজের প্রতি স্থানীয় জনসাধারণের দৃঢ় বিশ্বাস থাকা এবং স্বাস্থ্য সচেতন না হওয়া। জলাবদ্ধতা/বাড়ি ঘরে পানি জমে থাকা। স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতার অভাব।

 

 

স্থানীয় কমিউনিটি ক্লিনিক গুলোর সেবা জনগণের দৌড় গোরায় পৌছে দেওয়ার মাধ্যমে স্বাস্থ্য সচেতনতার ব্যাপারে জিও/ এজিওর মাধ্যমে প্রচার প্রচারনা চালানো গ্রাম পর্যায়ে সরকারী ও বেসরকারী উদ্যোগে স্বাস্থ্য দিবস উদ্যাপন। স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণে সচেতন ও উদ্যোগী করতে হবে। ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে কমিউনিটি ক্লিনিকের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে। স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিন ব্যবহারে ও স্বাস্থ্য বিষয়ে সামাজিক ও প্রশাসনিকভাবে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে।

তুলণামূলক উঁচু স্থানে স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিন নির্মাণ করতে হবে। টিউবওয়েলের চারপাশ পাকা করতে হবে।

 

শিÿা

দূর্যোগপ্রবন এলাকা হওয়ায়, স্কুল গুলোর  দূর্বল অবকাঠমোর ফলে ছাত্র ছাত্রীরা প্রতিনিয়ত শিÿা বঞ্চিত হচ্ছে 

স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে স্কুলগুলো পাকা ভবন নির্মাণ ও বেসরকারী আশ্রয়কেন্দ্র গুলোকে স্কুল হিসাবে ব্যবহার করার উদ্যোগ নেওয়া। দূর্যোগকালীন সময় স্কুল চালানোর ব্যবস্থা করা।

মৎস

মৎস্য প্রজননের ÿÿত্র গুলো ভরাট বা বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া ও র্নিবিচারে পোনা নিধন করা। খালের কাছাকাছি  বা নীচু এলাকায় পুকুরের অবস্থান। পুকুরের পাড় উঁচু না করা। পুকুরের চার পাশে গাছ না লাগানো। লবণাক্ত পানি সহজে পুকুরে প্রবেশ করে।

মৎস্য অধিদপ্তর কতৃক আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা এবং সেই সাথে মাছের ডিম ছাড়ার সময় মৎস্য আহরন না করার জন্য মৎস্য বিভাগ কর্তৃক তৃনমুল পর্যায়ে প্রচার প্রচারনা চালানো, পুকুরের পাড় উঁচু এবং পুকুর সংস্কার করতে হবে। পুকুরের চার পাশে গাছ লাগাতে হবে

হাট-বাজার

 

পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায়  হাট বাজার গুলো পস্নাবিত হয়ে  নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ ব্যাহত  হচ্ছে। দুর্বল অবকাঠামো।

পরিকল্পিত ভাবে ড্রেইন র্নিমান ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহে মজবুত রাসত্মা তৈরীর জন্য স্থানীয় সরকার কর্তৃক প্রকল্প হাতে নেওয়া এবং বাজারের চারপাশে বনজ ও ফলজ গাছ লাগাতে হবে।

ঘরবাড়ী

সমুদ্রের কাছাকাছি ও তুলণামূলক নীচু এলাকায় বসতভিটার অবস্থান অর্থাৎ অপরিকল্পিত বসতভিটা এবং দুর্বল অবকাঠামো

বসতভিটার অবস্থান নদী হতে দূরে ও উঁচু করতে হবে।

 

২.১৩ জলবায়ু পরিবর্তন এবং তার সম্ভাব্য প্রভাবঃ

 

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্থ খাতসমূহ : কৃষি, মৎস্য, গাছপালা, স্বাস্থ্য, জীবিকা, পানি, অবকাঠামো

 

খাতসমূহ

বর্ণনা

কৃষি

খালের পাড় ভাঙ্গন, অতি বৃষ্টি, পাহাড়ী ঢল ও বন্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষি খাত ব্যাপক হুমকির মুখে পড়বে। কৃষিজীবিরা পেশা পরিবর্তনে বাধ্য হবে। শহর ও শিল্পের প্রতি আগ্রহ তৈরি হবে। ফলে খাদ্য ঘাটতি হবে।  কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হবে। পাশাপাশি অন্যান্য কৃষিজ উৎপাদন মারাত্বকভাবে ব্যাহত হবার সম্ভাবনা রয়েছে।

মৎস্য/চিংড়ী

খাল বা নদীর গতি পথ পরির্তন হওয়ার প্রেÿÿতে চাহিদা মোতাবেক মাছ উৎপাদন হবে না। মাছের প্রজনন জায়গা বিলুপ্তি।  বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে ফলে মৎস্য ঘাটতি হতে পারে। পাশাপাশি মাছের প্রজনন স্থান বিলুপ্ত হয়ে যাবে। ফলে জেলে বা মৎস্যজীবিরা পেশা পরিবর্তনে বাধ্য হবে।

গাছপালা

(বনায়ন ও পরিবেশ)

পাহাড়, বৃÿ নিধন এর কারণে গাছ-পালা কমে গিয়ে পরিবেশ ভার্সাম্য হারিয়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে পরিবেশর উপর বিরূপ প্রভাব দেখা যাচ্ছে। অতিবৃষ্টি, পাহাড় নিধন, বন্যার কারণে পলিমাটি সাগরে পড়ে সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে। অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টির মত আপদের কারণে বিভিন্ন ফলজ, বনজ গাছসহ প্রভৃতি গাছ বিলুপ্ত হবে। প্রাকৃতিক বেড়ী বাঁধ ধ্বংস উপকূলীয় গ্রাম গুলো পস্নাবিত হবে, জীবন রÿাকারী গাছের সংখ্যা কমে যাবে।

স্বাস্থ্য

পাহাড়ী এলাকা মশার উপদ্রম্নপ বেশী, গাছপালা নিধন জনিত কারণে তাপমাত্র বৃদ্ধির ফলে বিভিন্ন রোগ ব্যাধি বৃদ্ধি পাবে, নতুন নতুন রোগের অবির্ভাব হবে। ফলে দারিদ্রতার কারণে সঠিক চিকিৎসা সেবা সুযোগ না পেয়ে অসুস্থতা বৃদ্ধি পেয়ে স্বাস্থ্য হানি গড়বে। ফলে তারা আয়মুলক কাজে অংশ নিতে পারবেনা। ফলে এলাকায় দারিদ্রতা বৃদ্ধি পাবে। 

জীবিকা

অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত, পাহাড়ী বন্যা, জলোচছাস, ঘূর্ণিঝড়সহ বিভিন্ন আপদ সময় ও অসময়ে হতে থাকায় কৃষি, শিÿা, অবকাঠামো ও  মৎস্যসহ বিভিন্ন খাতসমূহ ব্যাপক হুমকির মুখে পড়বে। এত্র এলাকায় জীবিকা নির্বাহের জন্য সাধারন জনগণ পেশা পরিবর্তনে বাধ্য হবে। পরিবর্তিত নতুন পেশায় দক্ষতা কম থাকায় কাজ করতে কষ্ট হবে ফলে ভুক্তারা আর্থিক সংকটে পড়বে।

পানি

তাপমাত্র জনিত কারণে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্থর নীচে নেমে যাওয়ায় পানি সংকট তীব্র আকার ধারণ করবে ফলে পানি দূষণের মাত্রা বৃদ্ধি পাবে। পানির অভাব জনিত কারণে পানিবাহিত রোগ বাড়বে। পানির কারণে দুভোর্গ বৃদ্ধি পাবে।

অবকাঠামো

অতিবৃষ্টি, জলোচ্ছাস, ঘূর্ণিঝড় কারণে উপকূলীয় এলাকা সমুদ্র গর্ভে ও খালের দুপাড় ভাঙ্গে তীরবর্তী এলাকা বিলীন হবে। ফলে রাসত্মাঘাট, ঘরবাড়ী, সেন্টার, দালান সহ সকল অবকাঠমো রক্ষা করা কঠিন হবে। অমাবশ্যা পূর্ণিমার নিত্য জোয়ারের প্রভাবে গ্রামগুলো পস্নাবিত হবে। অনেক লোকজন গৃহহীন হয়ে বসতি এলাকা পরিবতর্ন করবে।

শিক্ষা

আর্থিক সংকটে পড়ায় শিশুরা লেখা পড়ার চেয়ে কাজের দিকে ঝুঁকে পড়বে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

তৃতীয় অধ্যায়: দূর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস

৩.১ ঝুঁকির কারণসমূহ চিহ্নিতকরণঃ

 

ঝুঁকির বর্ণনা

কারণ

তাৎক্ষণিক

মাধ্যমিক

চূড়ান্ত

ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছাস

১৯৯১,১৯৯৪ ও ১৯৯৭ সালের মত ১৩০-১৮০ কিলোমিটার বেগে ঘূর্ণিঝড় হলে জালিয়াপালং ইউনিয়নের সোনাইছড়ি, সোনারপাড়া, ডেইলপাড়া, নিদানিয়া, ইনানী, মোহাম্মদ শফির বিল, রম্নপপতি, ছোয়াংখালী, ইমামের ডেইল, বাইলাখালী, সেপটখালী ও মনখালী এবং পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী, আনজিমানপাড়া, নলবনিয়া, ফাড়িরবিল, থাইংখালী গ্রামের ১২৫০ একরজমির ধান, ৬০% পানের বরজ, ৪০% মাটির তৈরী বাড়ি ও ২০% টিনের বাড়ী ÿতি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তাছাড়া রেজু খাল ব্রিজ এলাকা হতে দÿÿণে মনখালী পর্যমত্ম সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় গড়ে উঠা ৪০টি ছোট বড় চিংড়ি হ্যাচারির  ব্যাপক ÿতি হবে। পাশাপাশি পর্যটন শিল্প বিকাশের লÿÿ্য নির্মানাধীন মেরিন ড্রাইভ সড়ক বিলীন হওয়া এবং হোটেল-মোটেল সমুহের ÿতি হতে পারে। অন্যদিকে পালংখালী ইউনিয়নের-ফসল১৫০০ একর  জমির চিংড়ি ঘের, বেড়ি বাঁধ এবং প্যারাবন নষ্ট হয়ে যাবে।  পাহাড়ী  ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত প্রায় ২০০০ পরিবার ক্ষতির সম্মুখিন  হতে পারে ।

-তাৎÿনিক কারণগুলো যেমন, তাপ মাত্রা বৃদ্ধি,

-সংকেত না পাওয়া,

-আশ্রয় কেন্দ্রে মহিলাদের আলাদা থাকার ব্যবস্থা না থাকা, 

-সর্তক বানীর অর্থ না বুঝা,

-স্যানিটেশন সুবিধা না থাকার ফলে মহিলারা আশ্রয় কেন্দ্রের যেতে চায়না ।

 

-সচেতনতার অভাব,

-সর্তক বানীর গুরম্নত্ব না দেওয়া,

-শক্ত ও মজবুত করে ঘর তৈরী না করা ।

-দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নাই,

-প্যারাবন না থাকা.

-বেড়ী বাঁধ না থাকা,

-পাহাড় কাটা,

-পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকা,

-আবহাওয়া পরিবর্তন,

- পর্যাপ্ত সময় নিয়ে আগাম সংকেত না দেওয়া।

-অপরিকল্পিত পর্যটন শিল্প ও হ্যাচারি জোন গড়ে উঠা।

পাহাড়ী ঢল /বন্যাঃ

উখিয়া উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে ২০ টির অধিক ছোট বড় খাল ও ছরা  প্রবাহিত হয়ে নাফ নদী  এবং বঙ্গোপসাগরে মিশেছে। অধিকাংশ খাল, ছরা পার্শ্ববর্তী জেলা বান্দরবান এর পাহাড় হতে উৎপন্ন হয়ে লোকালয় দিয়ে একেবেঁকে প্রবাহিত হয়েছে। ফলে বর্ষা মৌসুমে ভারী বর্ষনের সময় এ সমসত্ম খালের দু’পাশের গয়ালমারা, তানজিমারখালা, নলবনিয়া, পাইন্যাশিয়া, চৌধুরী পাড়া, রম্নমখা, মরিচ্যা, ভালুকিয়া, মাচকারিয়া, চাকবৈটা, তুতুরবিল, কতুপালং সহ বিভিন্ন গ্রাম পস্নাবিত হয়ে জমির ফসল, ঘরবাড়ি এবং গাছপালা নষ্ট হতে পারে। পাহাড়ি ঢল বা আকস্মিক বন্যার ফলে চিংড়ি ঘের,পুকর, জলাশয়ের মাছ ভেসে বা পানিতে তলিয়ে গিয়ে ব্যাপক ÿতি হতে পারে। অন্যদিকে এখানে ১৯৮৭ ও ২০০৯ সালের মত বন্যা হলে গ্রামীণ রাসত্মা ঘাট পানিতে ডুবে গিয়ে বা পানির স্রোতে ভেঙ্গে গিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থায় সংকট তৈরী হতে পারে। 

-    পাহাড় কেটে বসতি স্থাপন ও চাষাবাদের জমি তৈরী করা,

-    নির্বিচারে বৃÿ নিধন,

-    খাল ও ছরা সমুহের দু’পাশ দখল হয়ে যাওয়া,

-    জলবায়ু পরিবর্তন জনিত কারণে অতিবৃষ্টি

-    বন্যা সহায়ক চাষাবাদ না করা।

-    বন্যার লেভেল অনুযায়ী বাড়ী ঘর তৈরী না করা,

 

-    বনজ সম্পদের আনুপাতিক মাত্রা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাওয়া, 

-    পাহাড়ি ঢলের সাথে নেমে আসা মাটি ও বালি দ্বারা খাল এবং ছরা ভরাট হয়ে যাওয়া,

-    প্রবাহমান খাল এবং ছরা সমুহের  দুই পাড়ে পর্যাপ্ত গাছ না থাকা,

-    পানি নিষ্কাশনের পরিকল্পিত ব্যবস্থা না থাকা।

- খাল ও ছরার সীমানা  যথাযথভাবে নির্ধারণ না করা এবং দখল মুক্ত না করা।

- পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য খাল খনন ও ছরা সংস্কার না করা,

 

 জলাবদ্ধতাঃ

পাহড়ি ঢল, অতিবৃষ্টির কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা এই উপজেলার গয়ালমারা, তানজিমারখালা, নলবনিয়া, পাইন্যাশিয়া, চৌধুরী পাড়া, রম্নমখা, মরিচ্যা, ভালুকিয়া, মাচকারিয়া, চাকবৈটা, তুতুরবিল, কতুপালং এলাকার নিচু ভূমির কৃষি ফসল, কাঁচা ঘরবাড়ি মারাত্মক ÿতি হতে পারে। শিÿা প্রতিষ্ঠান সমুহের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে।

-   জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে গড় বৃষ্টির পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়া,

- আবাদি জমির অবস্থান নিচু এলাকায় হওয়া।

-নিচু এলাকায় বসতবাড়ি নির্মাণ করা।

-   অপরিকল্পিত বাঁধ ও রাসত্মা নির্মাণ,

-পানি নিষ্কাশনের পরিকল্পিত ব্যবস্থা না থাকা

-   খাল ও ছরা দিয়ে পানি প্রবাহের পথ সংকুচিত হয়ে যাওয়া,

 

 

বৃÿ নিধন/পাহাড় কাটাঃ

এটি একটি মানব সৃষ্ট দূর্যোগ। উখিয়া উপজেলার ৫টি ইউনিয়নেই ছোটবড় পাহাড় ও টিলা রয়েছে। এক সময় এসব পাহাড় জুড়ে প্রচুর গাছপালা,বন্যপ্রাণী ছিল। কিন্তু বিগত দু’দশকে নির্বিচারে বৃÿ নিধন, পাহাড় কেটে ঘরবাড়ি নির্মাণ ও আবাদি জমি তৈরীর ফলে বনভূমির পরিমাণ বহুলাংশে কমে গেছে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য হুমকির মুখে পড়তে পারে। তাছাড়া বন উজাড় হওয়ার ফলে বন্যপ্রাণী বিলুপ্ত হয়ে জীব বৈচিত্র ধ্বংস হতে পারে। 

 

-   পাহাড় ও গাছপালার প্রয়োজনীয়তা  সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান না থাকা।

-   আয়ের উৎস হিসাবে গাছ কেটে বিক্রি করা,

-   সরকারী জমি বিধায় সহজে দখল করা যায় আবার প্রভাবশালী লোকজনের দখলে থাকা পাহাড় কম দামে কিনতে পাওয়া,

-   অসাধু চক্রের অসৎ উপার্জনের পথ হিসাবে কাজে লাগানো।

- অথের্র লোভে পাহাড়ের গাছ ও মাটি বিক্রি করা,

-জনসংখ্যার আধিক্যের কারণে জ্বালানি কাঠের চাহিদা ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাওয়া,

-   দৈনন্দিন জীবনের ব্যবহারের জন্য কাঠের  আসবাবপত্র তৈরী,

-   পর্যটন শিল্পের উন্নয়নের প্রেÿাপটে পাহাড় ও টিলা কেটে হোটেল মোটেল তৈরীর জন্য নীচু জমি ভরাট,

-   রোহিঙ্গারা অবৈধভাবে প্রবেশে করে পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাস করা ও গাছ কেটে জীবিকা নির্বাহ করা।

-   বন বিভাগের আধুনিক সরঞ্জাম ও পর্যাপ্ত লোকবল না থাকা,

-   সরকারী ভাবে অংশিদারিত্বমূলক সামাজিক বনায়নের পরিধি বৃদ্ধি না করা,

-   বনবিভাগের একশ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীর  যোগসাজশে কতিপয় প্রভাবশালী মহলের সহযোগিতায় নির্বিচারে গাছ কেটে ফেলা।

-   বন আইন ও পরিবেশ বিষয়ে প্রণীত আইনের যথাযথ প্রয়োগ ও কার্যকারিতা না থাকা,

-   কাঠের বিকল্প জ্বালানীর অধিকমূল্য ও দুষ্প্রাপ্যতা।

কালবৈশাখীঃ

কালবৈশাখীর ঝড়ের কারণে উখিয়া উপজেলার সব ইউনিয়নের কৃষিখাত ব্যাপকভাবে ÿতিগ্রসত্ম হতে পারে । বিশেষ করে  ধান, পানের বরজ, সবজ্বি চাষ এর মধ্যে অন্যতম। তাছাড়া গাছপালারও ÿতি হয়ে যায়। অন্যদিকে গাছ উপড়ে পড়ে, চাল উড়ে গিয়ে মাঠি-শনের তৈরী ঘরবাড়ির প্রচুর ÿতি সাধিত হয়।

-জলবায়ু পরিবর্তনন  আবহাওয়ার বৈরী আচরণ,

-সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকা হওয়াতে মৌসুমী বায়ুর অধিক প্রভাব।

 

 

-আধুনিক পদ্ধতিতে কৃষি চাষ না করা,

 

-পরিবেশের ভারসাম্য নষ্টকরা,

পাহাড় ধ্বসঃ

উখিয়া উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের পাহাড়ি এলাকার সরকারী-বেসরকারী জমিতে প্রচুর লোক বসবাস করে। বর্ষা মৌসুমে ভারী বর্ষনের ফলে অনেক জায়গায় পাহাড়ের ঢালু  অংশ ধ্বসে পড়ে প্রাণহানি ঘটে, ঘরবাড়ি ভেঙ্গে যায় এবং গাছপালা ও ফসলের  ÿতি হয়।

-সরকারি ভূমিতে সহজে বসবাসের সুযোগ পায়,

-কম মূল্যে কিনতে পাওয়া যায়,

-নতুন বসতি স্থাপন করা,

 

-অবৈধ ভাবে টাকা আয় করা,

সরকারী সম্পত্তি দখল ।

-সরকারর প্রশাসন কতৃক পাহাড়ে নতুন বসতি স্থাপনে কড়া নজরদারি না করা এবং আইনের প্রয়োগ না থাকা,

 

খাল ও ছরার পাড় ভাঙ্গনঃ

বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের প্রবল স্রোতের কারণে এই উপজেলার ৫টি ইউনিয়নসহ  অনেক  এলাকার খাল ও  ছরার দু’পাশের ঘর বাড়ি ভেঙ্গে যায়, কৃষি জমি বিলিন হয়ে যাবে এবং গাছপালা উপড়ে পড়বে।

-খাল ও ছরা দিয়ে পানি প্রবাহের পথ সংকুচিত হয়ে যাওয়া

-  খাল ও ছরা ভরাট হয়ে যাওয়া,।

- খালের স্রোতের গতি পরিবর্তন হয়ে যাওয়া।

- খাল ও ছরার দুই পাড়ে পর্যাপ্ত গাছ রোপন না করা ,

 

-   ভরাট হয়ে যাওয়া খাল ও ছরা খনন না করা,

-   ভাঙ্গন রোধ করার জন্য স্থা্য়ী সমাধানের লÿÿ্য বস্নক না দেয়া।

 

৩.২ ঝুuঁক নিরসনের উপায় চিহ্নিতকরণঃ

 

ঝুকির বিবরণ

ঝুকিঁ নিরসনের সম্ভাব্য উপায়

তাৎÿনিক

মাধ্যমিক

চুড়ামত্ম

ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছাস

১৯৯১, ১৯৯৪ ও ১৯৯৭ সালের মত ১৩০-১৮০ কিলোমিটার বেগে ঘূর্ণিঝড় হলে জালিাপালং ইউনিয়নের সোনাইছড়ি, সোনারপাড়া, ডেইলপাড়া, নিদানিয়া, ইনানী, মোহাম্মদ শফিরবিল, রম্নপপতি, ছোয়াংখালী, ইমামের ডেইল, বাইলাখালী, সেপটখালী ও মনখালী এবং পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী, আনজিমানপাড়া, নলবনিয়া, ফাড়িরবিল, থাইংখালী গ্রামের ১২৫০ একরজমির ধান, ৬০% পানের বরজ, ৪০%মাটির তৈরী বাড়ি ও ২০% টিনের বাড়ী ÿতি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তাছাড়া রেজু খাল ব্রিজ এলাকা হতে দÿÿণে মনখালী পর্যমত্ম সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় গড়ে উঠা ৪০টি ছোট বড় চিংড়ি হ্যাচারির  ব্যাপক ÿতি হবে। পাশাপাশি পর্যটন শিল্প বিকাশের লÿÿ্য নির্মানাধীন মেরিন ড্রাইভ সড়ক বিলীন হওয়া এবং হোটেল-মোটেল সমুহের ÿতি হতে পারে। অন্যদিকে পালংখালী ইউনিয়নের-ফসল১৫০০ একর  জমির চিংড়ি ঘের, বেড়ি বাঁধ এবং প্যারাবন নষ্ট হয়ে যাবে।  পাহাড়ী ঝুঁকি পূর্ণ এলাকায় বসবাসরত প্রায় ২০০০ পরিবার ক্ষতির সম্মুখিন  হতে পারে ।

-সচেতনতা সৃষ্টি করা,

-যথা সময়ে পূর্বাভাসেরব্যবস্থা করা, 

-বীজ সংরক্ষনের কৌশল জানানো,

- বন নিধন বন্ধ করা,

-বেড়ীবাধ নির্মান করা ।

 

-সংকেত প্রচার করা,

-প্যারাবন সৃষ্টি করা,

-সর্তক বানীর সময় নিয়ে ব্যাখ্যা সহ প্রচার করা

-নিয়মিত রেড়িও শোনার অভ্যাস করা,

-পর্যাপ্ত স্যানিটেশন সুবিধা বৃদ্ধি করা ।

 

-কমিউনিটি রেডিও চালু করা দূর্যোগ সংকেত স্থানীয় ভাষায় প্রচার করা,

-দূর্যোগের সংকেত সম্পর্কে এবং ঝুঁকি হ্রাস  সম্পর্কে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচীতে অন্তর্ভূক্তকরা,

-প্যারাবন সৃষ্টি করা,

-পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা,

-উঁচু করে বেড়ীবাধ নির্মান করা,

-বৃক্ষ রোপন করা।

পাহাড়ী ঢল /বন্যাঃ

উখিয়া উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে ২০টির অধিক ছোট বড় খাল ও ছরা  প্রবাহিত হয়ে নাফ নদী  এবং বঙ্গোপসাগরে মিশেছে। অধিকাংশ খাল, ছরা পার্শ্ববর্তী জেলা বান্দরবান এর পাহাড় হতে উৎপন্ন হয়ে লোকালয় দিয়ে একেবেঁকে প্রবাহিত হয়েছে। ফলে বর্ষা মৌসুমে ভারী বর্ষনের সময় এ সমসত্ম খালের দু’পাশের গয়ালমারা, তানজিমারখালা, নলবনিয়া, পাইন্যাশিয়া, চৌধুরী পাড়া, রম্নমখা, মরিচ্যা, ভালুকিয়া, মাচকারিয়া, চাকবৈটা, তুতুরবিল, কুতুপালং সহ বিভিন্ন গ্রাম পস্নাবিত হয়ে জমির ফসল, ঘরবাড়ি এবং গাছপালা নষ্ট হতে পারে। পাহাড়ি ঢল বা আকস্মিক বন্যার ফলে চিংড়ি ঘের, পুকর, জলাশয়ের মাছ ভেসে বা পানিতে তলিয়ে গিয়ে ব্যাপক ÿতি হতে পারে। অন্যদিকে এখানে ১৯৮৭ও ২০০৯ সালের মত বন্যা হলে গ্রামীণ রাসত্মা ঘাট পানিতে ডুবে গিয়ে বা পানির স্রোতে ভেঙ্গে গিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থায় সংকট তৈরী হতে পারে। 

-   পাহাড় ও বন সংরÿণের কার্যকরি ব্যবস্থা নেয়া,

-   পানি প্রবাহের জায়গা সংকুচিত না করা, 

 

-খাল ও ছরা সমুহ খনন করা,

-   বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলে উজানে নেমে আসা পানি নদী/সাগরে নেমে যাওযার ব্যবস্থা করা।

-   প্রতি বছর খাল খনন ও ছরা সংস্কার করা,

-    খাল খনন ও ছরার দুই পাশে বনায়ন করা,

-বন্যা সহনশীল জাতের ধান চাষ করা।

জলাবদ্ধতাঃ

পাহাড়ি ঢল, অতিবৃষ্টির কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা এই উপজেলার গয়ালমারা, তানজিমারখালা, নলবনিয়া, পাইন্যাশিয়া, চৌধুরী পাড়া, রম্নমখা, মরিচ্যা, ভালুকিয়া, মাচকারিয়া, চাকবৈটা, তুতুরবিল, কতুপালং এলাকার নিচু ভূমির কৃষি ফসল, কাঁচা ঘরবাড়ি মারাত্মক ÿতি হতে পারে। শিÿা প্রতিষ্ঠান সমুহের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে।

-নিচু এলাকায় বসতবাড়ি নির্মান না করা,

- পাইপ দিয়ে পানি সরানোর ব্যবস্থা করা।

-                                                                                                                        

-                                                                                                                       -

- পানি নিষ্কাশনের জন্য সস্নুইচ গেট স্থা্পন করা,

- খাল পুন: খনন করা।

-গ্রাম্য রাসত্ম তৈরীর সময় পানি সরানোর ব্যবস্থা  রাখা।

-  পরিকল্পিতভাবে রাসত্মা ঘাট তৈরি করা।

 - বেড়ী বাঁধের সাথে সস্নুইচ গেইট দেয়া।

বৃÿ নিধন/পাহাড় কাটাঃ

এটি একটি মানব সৃষ্ট দূর্যোগ। উখিয়া উপজেলার ৫টি ইউনিয়নেই ছোটবড় পাহাড় ও টিলা রয়েছে। এক সময় এসব পাহাড় জুড়ে প্রচুর গাছপালা, বন্যপ্রানী ছিল। কিন্তু বিগত দু’দশকে নির্বিচারে বৃÿ নিধন, পাহাড় কেটে ঘরবাড়ি নির্মাণ ও আবাদি জমি তৈরীর ফলে বনভুমির পরিমাণ বহুলাংশে কমে গেছে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য হুমকির মুখে পড়তে পারে। তাছাড়া বন উজাড় হওয়ার ফলে বন্যপ্রাণী বিলুপ্ত হয়ে জীববৈচিত্র ধ্বংস হতে পারে। 

 

-   জীবন,পরিবেশের সাথে গাছপালা ও পাহাড়ের সম্পক,র্   প্রয়োজনীয়তা  বিষয়ে জনগণকে সচেতন করা,

-   বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরী করা,

-    

-   কাঠের জ্বালানীর বিকল্প জ্বালানীর সরবরাহ এবং দাম সাশ্রয়ী করা

 

 

-ব্যাপক হারে সামাজিক বনায়ন সৃজনের উপর গুরম্নত্ব দেয়া,

-   বনবিভাগকে শক্তিশালী করা,

-   অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থার বিধান করা,

-   সরকারের পÿ থেকে বৃÿ নিধন, পাহাড় কাটা সহ পরিবেশ সংরÿণ আইনের  সঠিক প্রয়োগ করা।

কালবৈশাখীঃ

কালবৈশাখীর ঝড়ের কারণে উখিয়া উপজেলার সব ইউনিয়নের কৃষিখাত ব্যপকভাবে ÿতিগ্রসত্ম হতে পারে । বিশেষ করে  ধান,পানের বরজ,সবব্জিচাষ এর মধ্যে অন্যতম। তাছাড়া গাছপালারও ÿতি হয়ে যায়।অন্যদিকে গাছ উপড়ে পড়ে,চাল উড়ে গিয়ে মাঠি-শনের তৈরী  ঘরবাড়ির প্রচুর ÿতি সাধিত হয়।

বাড়ির পাশে শক্ত কাটের গাছ রোপন বৃদ্ধি করা, ইটের ভাটায় লাকড়ি পোড়া বন্ধ করা, বসত ঘর শক্ত করে তৈরী করা। 

 

প্যারাবন সৃষ্টি ও সংরক্ষণ, পাহাড় কাটা রোধ করা,  বন নিধন বন্ধ করা।

আইনের প্রয়োগ করা, জাতীয় ভাবে পরিকল্পনা ও প্রণয়ন বাসত্মবায়ন করা, পাহাড় সংরক্ষনের ব্যবস্থা করা ও সংরক্ষন করা ।

পাহাড় ধ্বসঃ

উখিয়া উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের পাহাড়ি এলাকার সরকারী-বেসরকারী জমিতে প্রচুর লোক বসবাস করে।বর্ষা মৌসুমে ভারী বর্ষনের ফলে অনেক জায়গায় পাহাড়ের ঢালু  অংশ ধ্বসে পড়ে প্রাণহানি ঘটে, ঘরবাড়ি ভেঙ্গে যায় এবং গাছপালা ও ফসলের  ÿতি হয়।

 

সচেতনতা বৃদ্ধি,  প্রশাসনকে জানানো ।

 

আইনের প্রয়োগ করা,  প্রশাসনের সহায়তা।অংশীদারের ভিত্তিতে পাহাড়ে ফলজ বৃক্ষ রোপন করা।

পাহাড় কাটা আইনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

খাল ও ছরার পাড় ভাঙ্গনঃ

বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের প্রবল স্রোতের কারণে এই উপজেলার ৫টি ইউনিয়নেরসহ  অনেক  এলাকার খাল ও  ছরার দু’পাশের ঘর বাড়ি ভেঙ্গে যায়, কৃষি জমি বিলিন হয়ে যাবে এবং গাছপালা উপড়ে পড়বে

ছড়া পুনঃখনন করা, ছরর দু’পাশে বৃক্ষ রোপন করা, পাহাড়ে বৃক্ষ রোপন করা।

পাহাড় ব্যবস্থাপনা ও রক্ষনাবেক্ষন করা, পাহাড় কাটা রোধ করা ।

ছরার উভয় পাশে বৃক্ষ রোপন ও রÿণাবেÿণ জন্য এলাকার জনগণকে উদ্ভুদ্ধ করা ।

 

 

৩.৩ এনজিওদের উন্নয়ন পরিকল্পনাঃ

 

 

ক্র/নং

এনজিও

কি বিষয়ে কাজ করে

উপকারভোগী সংখ্যা

প্রকল্প মেয়াদকাল

বিজিএস

মাইক্রো-ক্রেডিট

২৪০২ জন

চলমান

সিডিএমপি( দুযোগবিষয়)

৫ টি ইউনিয়ন

জুলাই-১৩-আগষ্ট ১৪

ঘরনী

ম্যালেরিয়া রোগ প্রতিরোধ

১৯৬জন

২০১৪-২০১৫

বু¨রোবাংলাদেশ

খুদ্র ঋণ প্রকল্প ও মানি ট্রাস্নফার

১২৩০জন

চলমান

এস ডি আই

খুদ্র ঋণ প্রকল্প

১৩১০জন

চলমান

গ্রামীণ ব্যাংক

খুদ্র ঋণ প্রকল্প

১৯৭০জন

চলমান

আশা

খুদ্র ঋণ প্রকল্প,শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

৫৬০০জন

চলমান

 

কোডেক

শিক্ষা

২৯০০জন

২০১৪

শিশু রক্ষা প্রকল্প

৬০০০জন

মার্চ-২০১৪

আরটিএমআই

শরনার্থী ক্যাম্পে স্বাস্থ্য বিষয়ক কাজ

১৩০০০জন

২০১১-২০১৬

কোষ্ট

খুদ্র ঋণ প্রকল্প

২২৫০জন

চলমান

প্রি-প্রাইমারি

৪২০জন

২০১৩-২০১৪

১০

শেড

ইনানীরক্ষিতবনাঞ্চলসহব্যবস্থাপনাপ্রকল্প

১৫৬০জন

২০০৯-২০১৪

সোহাদ্য(দূর্যোগঝুঁকি, প্রশমনওজলবায়ুপরির্বতন

৭৯৯৩জন

২০১০হতে২০১৫সালপর্যন্ত

 

 

১০

 

 

হেলপ কক্সবাজার

 

 

আইজিএ

২৪৫জন

চলমান

আনন্দ স্কুল

৮৭০জন

২০১৪

বন্দ্বু চুলা

২৪৪০জন

চলমান

পারিবারিক  সহিংসতা প্রতিরোধ

২২৪০জন

চলমান

নারী -শিশু পাচার  ও নির্যাতন প্রতিরোধ

১২০০জন

চলমান

ভিজিডি

২৪২৪ জন

২০১৩-২০১৪

যুব উন্নয়ন ও যুব নেটওয়ার্কিং

৩৬জন

চলমান

১১

আইডিএফ

খুদ্র ঋণ প্রকল্প

২৩০০জন

চলমান

 সৌর বিদ্যুৎ

৪৯৮জন

চলমান

 

 

১২

 

ব্র্যাক  

ঋণ প্রকল্প

৭৫০০জন

চলমান

এইচ,এন,পি পি

৫০০জন

চলমান

ভিপিএস

৬৫০জন

চলমান

সিফোডি

৫ টি ইউনিয়ন

চলমান

এইচআরএলএস

৫ টি ইউনিয়ন

চলমান

এস,ডি

৫ টি ইউনিয়ন

চলমান

জি পি পি

১৫২৪জন

চলমান

এ ডি পি

৪৫০জন

চলমান

ওয়াশ

২১০০জন

২০১০-২০১৬

১৩

ভার্ক

শিক্ষা ও পুষ্টি  নিয়ে শরনার্থী ক্যাম্পে কাজ

৩০০০জন

২০১২-২০১৪

১৪

এসএআরপিভি

রিকেডস রোগ,মুগল পা, ঠোট কাটা

রাজাপালং/পালংখালী ইউনিয়ন সমগ্র ওয়ার্ড

চলমান

১৫

মুসলিম এইড

স্কুল ফিডিং

৩১২১৫জন

২০১৩-২০১৬

 

 

৩.৪ দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা

 

৩.৪.১ দূর্যোগ পূর্ব প্রস্ত্ততিঃ

 

ক্রমিক

নং

কার্যক্রম

লÿ্যমাত্রা

সম্ভাব্য বাজেট

কোথায় করবে

বাসত্মবায়নের সম্ভাভ্য তারিখ

কে করবে এবং কতটুকু করবে

উন্নয়ণ পরিকল্পনার সাথে সমন্বয়

উপজেলা প্রশাসন

কমিউনিটি

ইউপি

এনজি্ও

১.

ওয়ার্ড বা গ্রাম পর্যায়ে দল গঠন

৪৬টি দল

১৩৮,০০০

৫টি ইউনিয়ন পরিষদ

ফেব্রম্নয়ার- মার্চ

৩৫%

১৫%

৩০%

২০%

 

 কার্যক্রমগুলো উপজেলার  জনগণকে তাৎক্ষণিক দূর্যোগঝুঁকি হ্রাস করার লক্ষে পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণে সচেতন । ফলে মানুষের জীবন ও  সহায় সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি কমবে।  কার্যক্রমগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে সার্বিক আর্থ-সামাজিক ও জাতীয় উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখবে।

স্থানীয় পর্যায়ে বার্তা প্রচারে স্থানসমূহ চিহ্নিতকরণ

৪৬টি

১৫,০০০

৬টি ইউনিয়ন পরিষদ

ফেব্রম্নয়ার- মার্চ

৩৫%

১০%

৪০%

১৫%

বন্যার আগাম বার্তা প্রচারে পতাকা ব্যবস্থা উন্নয়ন

৪৬টি

১৫,০০০

৬টি ইউনিয়ন পরিষদ

ফেব্রম্নয়ার- মার্চ

৩৫%

১০%

৪০%

১৫%

স্থানীয় পর্যায়ে বন্যার আগাম সংবাদ প্রচারে লÿÿ পরিকল্পনা প্রণয়ন

৪৬টি

৯২,০০০

ইউনিয়ন পরিষদ

ফেব্রম্নয়ার- মার্চ

৩৫%

১০%

৪০%

১৫%

স্থানীয় বিপদ সীমা নির্ধারণ ও দূর্যোগ পূর্ব সর্তক বার্তা ও জরম্নরী সর্তক বার্তা প্রচার

৪৬টি

৯২,০০০

ইউনিয়ন পরিষদ

ফেব্রম্নয়ার- মার্চ

৩৫%

১০%

৪০%

১৫%

পারিবারিক ও সামাজিক পর্যায়ে সচেতনতা সৃষ্টি

৪৬টি

৪৬,০০০

ইউনিয়ন পরিষদ

ফেব্রম্নয়ার- মার্চ

৩৫%

১০%

৪০%

১৫%

মহড়ারআয়াজন

৬টি

৬০,০০০

ইউনিয়ন পরিষদ

ফেব্রম্নয়ার- মার্চ

৩৫%

১০%

৪০%

১৫%

দূর্যোগ ওপ্রাথমিকচিকিৎসাবিষয়কপ্রশিক্ষন

৬টি

৩০,০০০

ইউনিয়ন পরিষদ

ফেব্রম্নয়ার- মার্চ

৩৫%

১০%

৪০%

১৫%

শুকনাখাবার, জীবনরক্ষvকারী ঔষধ সংগ্রহওপ্রস্ততরাখা

শুকনো-৩টন

চাল/ডাল-৪টন

৩,০০,০০০

ইউনিয়ন পরিষদ

ও ৫৪টি ওয়ার্ড

ফেব্রম্নয়ার- মার্চ

৩৫%

১০%

৪০%

১৫%

১০

দূর্যোগ বিষয়ে স্কুল ছাত্র ছাত্রীদের প্রশিক্ষণ প্রদান

প্রতিটি স্কুলে

৮০টি

১,৬০,০০০

স্কুলে

ফেব্রম্নয়ার- মার্চ

৩৫%

৫%

৩০%

৩০%

১১.

আশ্রয়ন কেন্দ্রের মেরামত

২৫টি

১২,৫০,০০০

ইউনিয়ন পরিষদ

ফেব্রম্নয়ার- মার্চ

৩৫%

৫%

৩০%

৩০%

১২.

মোবাইল স্বাস্থ্য ক্লিনিক পরিচালনা

৩টি

৩,০০,০০০

ইউনিয়ন পরিষদ

ফেব্রম্নয়ার- মার্চ

৩৫%

৫%

৩০%

৩০%

 

 

 

 

 

৩.৪.২ দূর্যোগকালীনঃ

 

ক্র/ নং

কার্যক্রম

লÿ্যমাত্রা

সম্ভাব্য বাজেট

কোথায় করবে

বাসত্মবায়নের সম্ভাভ্য তারিখ

কে করবে এবং কতটুকু করবে

উন্নয়ন পরিকল্পনার সাথে সমন্বয়

উপজেলা প্রশাসন

কমিউনিনিট

ইউপি

এনজিও

ইউনিয়ন পরিষদের সাথে সার্বÿনিক যোগাযোগ

৬টি

১৮,০০০

উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ ও ওয়ার্ড

দূর্যোগ মুহুর্তে

৩৫%

৫%

৩০%

৩০%

 

কার্যক্রমগুলো উপজেলার দূর্যোগ কালীন সময়ে মানুষের জীবন ও সহায় সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সহায়তা করবে।  তাই

কার্যক্রমগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে সার্বিক আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে ও জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক অবদান রাখবে।

নারী, শিÿা, বৃদ্ধা, অসুস্থ, ও প্রতিবন্ধীদের জন্য জরম্নরীভাবে আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়ার ব্যবস্থা করা

৪৬টি

৪৬,০০০

দূর্যোগ মুহুর্তে

৩৫%

৫%

৩০%

৩০%

উদ্ধার ও আশ্রয় ও হাসপাতালে নেয়া

২০,০০০ পরিবার

১,০০,০০০

দূর্যোগ মুহুর্তে

৩৫%

৫%

৩০%

৩০%

উজানে নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করার সম্ভাবনা থাকলে জরম্নরী সভা আয়োজন এবং বার্তা প্রচারের জন্য সার্বিক প্রস্ত্ততি গ্রহণ

৪৬টি

-

দূর্যোগ মুহুর্তে

৩৫%

৫%

৩০%

৩০%

বিশুদ্ধ পানি ও পায়খানার ব্যবস্থা

২০,০০০ পরিবার

-

দূর্যোগ মুহুর্তে

৩৫%

৫%

৩০%

৩০%

শুকনো খাবার বিতরণ

৪৬টি

-

দূর্যোগ মুহুর্তে

৩৫%

৫%

৩০%

৩০%

আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা

৬টি

-

দূর্যোগ মুহুর্তে

৩৫%

৫%

৩০%

৩০%

বিপদ সীমার অতিক্রম করলে পরিকল্পনা অনুযায়ী বার্তা প্রচার

৪৬টি

-

দূর্যোগ মুহুর্তে

৩৫%

৫%

৩০%

৩০%

আইন শৃঙাখলা ও সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা

৬টি

-

দূর্যোগ মুহুর্তে

৩৫%

৫%

৩০%

৩০%

১০

প্রতিদিন পরিস্থিতি পর্যবেÿণ

৪৬টি

-

দূর্যোগ মুহুর্তে

৩৫%

৫%

৩০%

৩০%

 

 

 

 

 

৩.৪.৩. দূর্যোগ পরবর্তীঃ

 

ক্র/ নং

কার্যক্রম

লÿ্যমাত্রা

সম্ভাব্য বাজেট

কোথায় করবে

বাসত্মবায়নের সম্ভাভ্য তারিখ

কে করবে এবং কতটুকু করবে

উন্নয়ন পরিকল্পনার সাথে সমন্বয়

উপজেলা প্রশাসন

কমিউনিটি

ইউপি

এনজিও

দ্রুত উদ্ধার কাযক্রর্ম শুরু করা

৪৬টি

১,৩৮,০০০

ইউনিয়ন পরিষদ

দূর্যোগের পরবর্তী সময়ে

৩৫%

০৫%

৩০%

৩০%

 

আহতমানুষউদ্ধারওপ্রথমিকচিকিৎসারব্যবস্থাগ্রহনকরা

৪৬টি

৯২,০০০

ইউনিয়ন পরিষদ

দূর্যোগের পরবর্তী সময়ে

৩৫%

০৫%

৩০%

৩০%

 

মৃত মানুষ দাফন  ও গবাদি পশু অপসারনের ব্যবস্থা গ্রহন করা

৫০০০

১,০০,০০০

ইউনিয়ন পরিষদ

দূর্যোগের পরবর্তী সময়ে

৩৫%

০৫%

৩০%

৩০%

 

৭২ ঘন্টার মধ্যে ক্ষয়-ক্ষতি নিরুপন ও চাহিদা পুরণ এবং  চাহিদা পত্র দাখিল করা

৬টি

-

ইউনিয়ন পরিষদ

দূর্যোগের পরবর্তী সময়ে

৩৫%

০৫%

৩০%

৩০%

 

যোগাযোগ পুন:প্রতিষ্ঠা করা

৪৬টি

২,০০,০০০

ইউনিয়ন পরিষদ

দূর্যোগের পরবর্তী সময়ে

৩৫%

০৫%

৩০%

৩০%

 

ধবংসাবশেষপরিষ্কারকরা

৪৬টি

২,০০,০০০

ইউনিয়ন পরিষদ

দূর্যোগের পরবর্তী সময়ে

৩৫%

০৫%

৩০%

৩০%

 

প্রশাসনিক পুন:প্রতিষ্ঠা

৫টি

-

ইউনিয়ন পরিষদ

দূর্যোগের পরবর্তী সময়ে

৩৫%

০৫%

৩০%

৩০%

 

জরুরী জীবিকা সহায়তা করা

৫টি

-

ইউনিয়ন পরিষদ

দূর্যোগের পরবর্তী সময়ে

৩৫%

০৫%

৩০%

৩০%

 

 

 

 

 

 

 

৩.৪.৪. স্বাভাবিক সময়ে/ঝুuঁক হ্রাস সমন্বয়ঃ

 

ক্র/ নং

কার্যক্রম

লÿ্যমাত্রা

সম্ভাব্য বাজেট

কোথায় করবে

বাসত্মবায়নের সম্ভাভ্য তারিখ

কে করবে এবং কতটুকু করবে

উন্নয়স পরিকল্পনার সাথে সমন্বয়

উপজেলা প্রশাসন

কমিউনিনিট

ইউপি

এনজি্ও

উপজেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে যোগাযোগ

১২টি

১২,০০০

উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ ও ওয়ার্ড

অক্টোবর-এপ্রিল

৩৫%

১০%

১০%

৪৫%

 

সরকার কর্তৃক নির্ধারিত দিনে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দূর্যোগ দিবস পালন করা

৭টি

৩৫,০০০

উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ ও ওয়ার্ড

অক্টোবর-এপ্রিল

৩৫%

১০%

১০%

৪৫%

 

স্থানীয় জনগণের দূর্যোগের ঝুঁকি হ্রাসকরণ ও দূর্যোগ মোকাবেলা পদ্ধতি উদ্ভাবনের স্ব স্ব এলাকার স্বেচ্ছাসেবক দলের মাধমে সব ধরণের কার্যক্রমকে উৎসাহিত করা

৪৬টি

৪৬,০০০

উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ ও ওয়ার্ড

অক্টোবর-এপ্রিল

৩৫%

১০%

১০%

৪৫%

 

দূযোর্গসর্ম্পকিতকর্মপরিকল্পনাহালনাগাদকরণওপরিক্ষন

৪৬টি

৪৬,০০০

উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ ও ওয়ার্ড

অক্টোবর-এপ্রিল

৩৫%

১০%

১০%

৪৫%

 

খাল খনন

১৫টি

প্রতিকিমি. ১৫লÿ টাকা

উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ ও ওয়ার্ড

অক্টোবর-এপ্রিল

৩৫%

১০%

১০%

৪৫%

 

আশ্রয় কেন্দ্র নির্মান

৫টি

প্রতি ১কোটি ২০লÿ টাকা

জালিয়াপালং : ৫টি

 

অক্টোবর-এপ্রিল

৫০%

-

-

৫০%

 

কালভার্ট

৫০টি

প্রতিটি ২.৫লÿ টাকা

প্রতি ইউনিয়নে ১০টি করে

অক্টোবর-এপ্রিল

৩৫%

১০%

১০%

৪৫%

 

স্যানিটেশন

৫,০০০টি

প্রতি ২৫০০০ টাকা

প্রতি ইউনিয়নে ১০০০ করে

অক্টোবর-এপ্রিল

৩৫%

১০%

১০%

৪৫%

 

৯.

গভীর নলকূপ

৫০০টি

প্রতি ৭৫০০০ টাকা

প্রতি ইউনিয়নে ১০০টি করে

অক্টোবর-এপ্রিল

২০%

১০%

১০%

৬০%

 

 

 

 

 

 

Rounded Rectangle: চতুর্থ অধ্যায়ঃ জরম্নরী সাড়া প্রদান

 

 

৪.১ উখিয়া উপজেলা জরম্নরী অপারেশন সেন্টার (EOC)

 

যেকোন দূর্যোগ জরুরী অপারেশন সেন্টার যেকোন সাড়া প্রদানে কার্যকরী ও সমন্বয় প্রদান করে থাকে। উখিয়াউপজেলায় দূর্যোগকালে একটি জরুরী অপারেশন সেন্টার গঠিত হয়।উক্ত সেন্টার দূর্যোগ কালে সাড়া প্রদানের কার্যকরী ভূমিকা পালন করে ও সাথে সাথে সমন্বয় প্রদান করে থাকে ।উল্লেখ্য যে, জরুরী অপারেশন সেন্টার ২৪ ঘন্টা খোলা থাকে।উক্ত সময়ে ঐ সেন্টার তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ পরীক্ষন,পরিদর্শন ও সম্পদের ব্যবস্থাপনা করে থাকে ।

 

জরুরী অপারেশন সেন্টারটি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার এর রুমে খোলা হয়। ঐ সেন্টারে একটি অপারেশন সেন্টার ১ টি, একটি কন্টোল রুম ও ১টি যোগাযোগ সেল থাকে।নিম্নে ছকের মাধ্যমে দায়িত্বপ্রাপ্ত  ব্যক্তির নাম, পদবী ও মোবাইল নম্বরের তালিকা প্রদান করা হলোঃ

 

ক্রমিক

নাম

পদবী

মোবাইল

জনাব সরওয়ার জাহান চৌধুরী

উপজেলা চেয়ারম্যান

০১৮১৫ ১৫৩০৩৯

জনাব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

০৩৪২৭-৫৬০০১ 

জনাব মো: শফিউল আলম

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা

০১৮৩৪৩৭৯২৭৭

জনাব মো: জামাল উদ্দিন

উপজেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তা

০১৮১৫১২০৭০৫

জনাব আবু কাউসার মো: সরোয়ার

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা

০১৭১২৫১৩২৮৮

জনাব মো: জাহেদুল আলম

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উখিয়া থানা

০৩৪২৭-৫৬১০৩

জনাব মো: সাজ্জাদুল হক

উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা

০১৮১৯৮১৯২৪১

জনাব  নুরুল কবির চৌধুরী

চেয়ারম্যান রত্নাপালং ইউনিয়ন

০১৮২৬৩০৬০৮০

 

৪.১.১ জরম্নরী কন্ট্রোল রম্নম পরিচালনা ঃ

 

·         দূর্যোগ সংগঠনের পরপরই উপজেলা কার্যালয়ে কন্টোল রুম স্থাপন করতে হবে । সেখানে পালাক্রমে একসাথে কমপক্ষে ৩/৪ জন সেচ্ছাসেবক ও পুলিশ সদস্য উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।

·         উপজেলা দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ কন্টোল রুমের সার্বিক দায়িত্বে থাকেন রুমে ৩ জন করে মোট ৩টি স্বেচ্ছাসেবক দল পালাক্রমে দিবারাত্রি(২৪ ঘন্টা) কন্টোল রুমের দায়িত্ব পালন করে ।

·         জেলা সদরের সাথে সাবর্ক্ষনিক যোগাযোগ রক্ষা করবেন।

·         কন্ট্রোল রম্নমে একটি কন্ট্রোর রম্নম রেজিষ্ট্রার থাকবে। উক্ত রেজিষ্ট্রারে কোন সময় কে দায়িত্ব পালন করবেন দায়িত্বকালীন সময়ে কি সংবাদ পাওয়া গেল এবং কি সংবাদ কোথায় কার নিকট প্রেরণ করা হলো তা লিপিবদ্ধ করতে হবে।

·         দেয়ালে টাঙ্গানো একটি উপজেলা ম্যাপ বিভিন্ন ইউনিয়নের অবস্থান, বিভিন্ন গ্রামে যাতায়াতের রাসত্মা, খাল, বাধ ইত্যাদি চিহ্নিত থাকবে। দূর্যোগ পরবর্তী সময়ে কোন কোন এলাকায় সবচেয়ে বেশী ÿতি হয়েছে তা চিহ্নিত করতে হবে।

·         কন্ট্রোল রম্নমের দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে রেডিও, টর্চ লাইট, চার্জার লাইট, লাইফ জ্যাকেট, ব্যাটারী, রেইন কোর্ট প্রভৃতি চাহিদা অনুযায়ী মজুদ থাকবে।

 

 

 

৪.২  উখিয়া উপজেলার আপদকালীন পরিকল্পনা ঃ

 

ক্র নং

কাজ

লÿ্যমাত্রা

কখন করবে

কে করবে

কার সাহায্যে করবে

কিভাবে করবে

যোগাযোগ

১.

স্বেচ্ছাসেবকদের প্রস্ত্তত রাখা

মার্চ মাসে

ইউনিয়ন পরিষদ

জিও,এনজিও, কমিউনিটি

ট্রেনিং, ওরিয়েন্টেশ, মিটিং

ইউনিয়ন ও উপজেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রতিনিধির সাথে যোগাযোগ।

২.

সতর্ক বার্তা প্রচার

মার্চ মাসে

ইউনিয়ন পরিষদ

জিও,এনজিও, কমিউনিটি

ট্রেনিং, ওরিয়েন্টেশ, মিটিং

ইউনিয়ন দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির  দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রতিনিধির সাথে যোগাযোগ।

৩.

নৌকা, গাড়ী, ভ্যান প্রস্ত্তত রাখা

মার্চ মাসে

ইউনিয়ন পরিষদ/ উপজেলা পরিষদ

জিও,এনজিও, কমিউনিটি

ট্রেনিং, ওরিয়েন্টেশ, মিটিং

ইউনিয়ন দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির  দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রতিনিধির সাথে যোগাযোগ।

৪.

উদ্ধার কাজ ব্যবস্থাপনা

মার্চ মাসে

ইউনিয়ন পরিষদ

জিও,এনজিও, কমিউনিটি

ট্রেনিং, ওরিয়েন্টেশ, মিটিং

ইউনিয়ন ও উপজেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির  দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রতিনিধির সাথে যোগাযোগ।

৫.

প্রাথমিক চিকিৎসা/স্বাস্থ্য সেবা/মৃত ব্যবস্থাপনা

মার্চ মাসে

ইউনিয়ন পরিষদ/ উপজেলা পরিষদ

জিও,এনজিও, কমিউনিটি

ট্রেনিং, ওরিয়েন্টেশ, মিটিং

উপজেলা  স্বাস্থ্য কেন্দ্রের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ।

৬.

শুকনা খাবার, জীবন রÿাকারী ঔষধ সংগ্রহ ও প্রস্ত্তত রাখা

মার্চ মাসে

ইউনিয়ন পরিষদ/ উপজেলা পরিষদ

জিও,এনজিও, কমিউনিটি

ট্রেনিং, ওরিয়েন্টেশ, মিটিং

ইউনিয়ন দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি ও উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের  দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রতিনিধির সাথে যোগাযোগ।

৭.

গবাদী পশু চিকিৎসা, টিকা

মার্চ মাসে

ইউনিয়ন পরিষদ

জিও,এনজিও, কমিউনিটি

ট্রেনিং, ওরিয়েন্টেশ, মিটিং

ইউনিয়ন ও উপজেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির  দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রতিনিধি এবংউপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা সাথে যোগাযোগ।

৮.

মৃত ব্যবস্থাপনা

মার্চ মাসে

ইউনিয়ন পরিষদ

জিও,এনজিও, কমিউনিটি

ট্রেনিং, ওরিয়েন্টেশন, মিটিং

ইউনিয়ন ও উপজেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির  দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধির সাথে যোগাযোগ।

৯.

আশ্রয়কেন্দ্র রÿণাবেÿণ

মার্চ মাসে

ইউনিয়ন পরিষদ

জিও,এনজিও, কমিউনিটি

ট্রেনিং, ওরিয়েন্টেশ, মিটিং

ইউনিয়ন ও উপজেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির  দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রতিনিধির সাথে যোগাযোগ।

১০.

ত্রাণ কার্যক্রম সমন্বয় করা

মার্চ মাসে

ইউনিয়ন পরিষদ/ উপজেলা পরিষদ

জিও,এনজিও, কমিউনিটি

ট্রেনিং, ওরিয়েন্টেশ, মিটিং

ইউনিয়ন ও উপজেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির  দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রতিনিধির সাথে যোগাযোগ।

১১.

মহড়া আয়জন করা

মার্চ মাসে

ইউনিয়ন পরিষদ/ উপজেলা পরিষদ

জিও,এনজিও, কমিউনিটি

ট্রেনিং, ওরিয়েন্টেশ, মিটিং

ইউনিয়ন ও উপজেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির  দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধির সাথে যোগাযোগ।

১২

জরম্নরী কন্ট্রোল রম্নম পরিচালনা

মার্চ মাসে

ইউনিয়ন পরিষদ

জিও,এনজিও, কমিউনিটি

ট্রেনিং, ওরিয়েন্টেশ, মিটিং

উপজেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির  দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধির সাথে যোগাযোগ।

 

 

আপদকালীন পরিকল্পনা বান্তবায়নের নির্দেশনা

 

 

..স্বেচ্ছাসেবকদেরপ্রস্তুতরাখা

·         ওয়ার্ড পর্যায়েইউপি সদস্যদের নেতৃত্বে দল গঠন করা।

·         স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে গ্রামে গ্রামে তথ্য ও সতর্কীকরণ বার্তা প্রচার করা।

·         স্বেচ্ছাসেবক দলে সদস্যদের মধ্যে বিভিন্ন প্রকার দায়িত্ব যথা- সংকেত, বার্তা, উদ্ধার, অপসারণ ‍ও আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা, দূর্যোগ ঝুঁকিহ্রাসের উপর প্রশিক্ষণ আয়োজন করা।

 

..২সতর্কবার্তা প্রচার

·         প্রত্যেক ওয়ার্ড ইউপি সদস্য তার এলাকার প্রত্যেক বাড়ীতে সতর্ক সংকেত প্রচারের বিষয়টি ব্যক্তিগত দায়িত্বে নিশ্চিত করবেন।

·         ৫নং সতর্ক সংকেত রেডিও, টেলিভিশনের মাধ্যমে প্রচারিত হওয়া পযর্ন্ত ঘন্টায় অন্তত একবার মাইকের ঘোষনা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। মহা বিপদ সংকেত রেডিও, টেলিভিশনের মাধ্যমে প্রচারের সংগে সংগে  মাইক বাজিয়ে ও স্কুল মাদ্রাসার ঘন্টা বিপদ সংকেত হিসাবে একটানা ভাবে বাজানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

 

..৩জনগণকেঅপসারনেরব্যবস্থাদি

·         রেডিও, টেলিভিশন মারফত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে অপসারনের কাজ শুরু করা বার্তা প্রচারের সংগে সংগে স্ব স্ব ওয়ার্ড ইউপি সদস্য তার এলাকার স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় অপসারনের কাজ শুরু করবেন।

·         ৮ নং মহাবিপদ সংকেত প্রচারের সংগে সংগে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার জনগণকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় গ্রহণ করিবার জন্য মাইকে প্রচার করতে হবে। এবং স্বেচ্ছাসেবক দল বাড়ী গিয়ে আশ্রয় গ্রহণের জোর তাগিদদেবেন। প্রয়োজনে অপসারণ করতে হবে। কোন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার লোক কোন আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিবে তা জানিয়ে দিবেন।

 

..৪উদ্ধারওপ্রাথমিকচিকিৎসাপ্রদান

·       অত্যাধিক ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার ‍সংশ্লিষ্ট জেলা/উপজেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের তত্বাবধানে ন্যাস্ত করার ব্যবস্থা করতে হবে।

·       উদ্ধার কাজ পরিচালনার জন্য জেলা/উপজেলার দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির তত্বাবধানে একটি স্থায়ী তহবিল গঠন করবেন।

·       অস্থায়ী স্বাস্থ্য ক্যাম্প স্থাপন ও পরিচালনা করবেন।

·       আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান গ্রহণকারী অসুস্থ্য ব্যক্তি, বয়োবৃদ্ধ, শিশু ও আসন্ন প্রস্রবী মহিলাদের জরুরী ভিত্তিতে হাসপাতালে প্রেরণ করতে হবে।

·       মৃতদেহ সৎকার ও গবাদিপশু মাটি দেবার কাজ সকল ইউপি সদস্য স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় ওয়ার্ড ভিত্তিক দায়িত্ব পালন করবেন।

 

..৫আশ্রয়কেন্দ্ররক্ষনাবেক্ষণ

·         দূর্যোগপ্রবণ মৌসুমের শুরুতেই আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রয়োজনীয় মেরামত করে ব্যবহার উপযোগী রাখা।

·         জরুরী মুহুর্তে কোন কোন নিদির্ষ্ট নিরাপদ স্থানের বা আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেবে তা ঠিক করা।

·         দূর্যোগকালীন সময়ে মহিলা, শিশু ও প্রতিবন্ধীদের সতর্ক নিরাপত্তা (আশ্রয়কেন্দ্র ও অন্যান্য স্থানে আশ্রয় নেয়া) নিশ্চিত করণ।

·         আশ্রয় কেন্দ্রে নিরাপদ পানি সরবরাহ ও অন্যান্য সেবা সমূহ নিশ্চিত করা।

·         জনসাধারণকে তাদের প্রয়োজনীয় সম্পদ (গবাদিপশু, হাঁস-মুরগী, জরুরী খাদ্য ইত্যাদি) নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরে সহায়তা করণ।

 

..৬নৌকাপ্রস্তুতরাখা

·         জেলা/উপজেলা দূযোর্গ ব্যবস্থাপনা কমিটি ইউনিয়নে কতগুলি ইঞ্জিন চালিত নৌকা আছে তার হিসাব রাখবেন এবং কয়টি ও কোনগুলো দূর্যোগ সময় জরুরী কাজে ব্যবহার হবে তা ঠিক করবেন।

·         নৌকার মালিকগণ তাদের এ কাজে সহায়তা করবেন।

·         জরুরী কন্ট্রোলরুমে নৌকার মালিক ও মাঝিদের মোবাইল নম্বর সংরক্ষিত থাকবে।

 

..৭দূর্যোগেরক্ষয়-ক্ষতি, চাহিদানিরুপনওপ্রতিবেদনপ্রেরণ:

·         দূর্যোগ অব্যহতির পর পরবর্তী ২৪ ঘন্টার মধ্যে“এসওএস ফরম” ও অনধিক ৭ দিনের মধ্যে “ড” ফরমে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের নিকট পাঠাবেন।

·         ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউপি সচিবের মাধ্যমে প্রত্যেক ওয়ার্ড প্রতিবেদন একত্রিত করে পরবর্তী ১২ ঘন্টার মধ্যে উপজেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যানের নিকট প্রেরণ করবেন।

 

..৮ত্রাণকার্ক্রমসমন্বয়করা

·         ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিভিন্ন ত্রাণ ও পুনঃবাসন সহায়তাকারী দলের ত্রাণ কাজ সমন্বয় করবেন।

·         বাইরে থেকে ত্রাণ বিতরণকারী দল আসলে তারা কি পরিমান ত্রাণ সামগ্রী, পুনঃবাসন সামগ্রী এনেছেন তা একটি রেজিষ্টারে লিপিবদ্ধ করতে হবে। উক্ত দল কোন এলাকায় ত্রাণ কাজ পরিচালনা করবেন তা কন্ট্রোল রুমকে জানাতে হবে।

·         ইউনিয়ন দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি দুস্থতা ও ক্ষয়ক্ষতির ভিত্তিতে ওয়ার্ড পর্যায়ে ত্রাণ সামগ্রী বরাদ্দের পরিমান ঠিক করবেন এবং বরাদ্দকৃত ত্রাণ সামগ্রীর পরিমান/সংখ্যা ওয়ার্ড জনগণের মধ্যে বিতরণের ব্যবস্থা করবেন।

 

..৯শুকনাখাবার, জীবনরক্ষাকারীঔষধসংগ্রহওপ্রস্তুতরাখা

·         তাৎক্ষনিক ভাবে বিতরণের জন্য শুকনা খাবার যেমন-চিড়া, মুড়ি ইত্যাদি স্থানীয় ভাবে হাট/বাজার থেকে সংগ্রহ করতে হবে।

·         চাল, ডাল, আটা, তেল ইত্যাদি উপকরণ ও গৃহ নির্মাণের উপকরণ যথা- ঢেউটিন, পেরেক, নাইলনের রশি ইত্যাদি স্থানীয় বাজার থেকে সংগ্রহ করতে হবে।

·         ইউনিয়ন পর্যায়ে স্বাস্থ্য সহকারী ও পরিবার কল্যাণ সহকারীর সহায়তায় প্রয়োজনীয় ঔষধপত্রের তালিকা তৈরী ও স্থানীয় বাজার থেকে সংগ্রহ করবে।

·         ত্রাণ সামগ্রী পরিবহন ও ত্রাণ কর্মীদের যাতায়াতের জন্য প্রয়োজনীয় রিক্সা, বেবীটেক্সি ও অন্যান্য যানবাহন ইত্যাদি সমন্বয়ের দায়িত্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের উপর থাকবে।

 

..১০গবাদিপশুরচিকিৎসা/টিকা

·         উপজেলা প্রানীসম্পদ হাসপাতাল থেকে অবস্থা বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ঔষধ সংগ্রহ করে ইউনিয়ন ভবন অথবা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সংরক্ষণ করতে হবে।

·         ইউনিয়ন দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের ‍প্রানী চিকিৎসা বিষয়ক প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করতে হবে।

·         প্রয়োজনে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের আপদকালীন সময়ে প্রানী চিকিৎসা কাজের সাথে সম্পৃক্ত করানোর ব্যবস্থা করতে হবে

 

..১১মহড়ারআয়োজনকরা

·         সতর্কবার্তা/পূর্বাভাস প্রচার, অপসারণ, উদ্ধার ও প্রাথমিকত্রান কার্য পরিচালনা বিষয়ে মহড়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা।

·         ঘূর্ণিঝড়/বন্যা প্রবণ এলাকাসমূহে অব্যাহতভাবে দূর্যোগ মহড়া আয়োজন করা।

·         প্রতি বছর এপ্রিল এবং সেপ্টেম্বরে জনগোষ্টিকে নিয়ে মহড়ার মাধ্যমে প্রস্তুতির অবস্থা পরীক্ষা করা।

·         মহড়া অনুষ্ঠানের সময় অসুস্থ, পঙ্গু, গর্ভবতী মহিলা ও শিশুদের আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়াকে বিশেষ ভাবে উল্লেখ করা।

·         ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার লোকজন আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য মহড়া অনুষ্ঠান, ইউপি কার্যালয়ে না করে ঝুঁকিপূর্ণ গ্রামে করতে হবে।

 

..১২জরুরীকন্ট্রোলরুমপরিচালনা

·         দূর্যোগ সংগঠিত হওয়ার পরপরই জেলা/উপজেলা/ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে জরুরী কন্ট্রোল রুম স্থাপন করতে হবে। সেখানে পালাক্রমে একসংগে কমপক্ষে ৩/৪ জন স্বেচ্ছাসেবক ও গ্রাম পুলিশ সদস্য উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।

·         ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ও দায়ীত্বশীল ব্যক্তিবর্গ  কন্ট্রোল রুমের সার্বিক দায়িত্বে থাকবেন। প্রতি দলে কমপক্ষে ৩ জন করে মোট ৩টি স্বেচ্ছাসেবক দল পালাক্রমে দিবা-রাত্রি কন্ট্রোলরুমে দায়ীত্ব পালন করবেন। ইউনিয়ন পরিষদের সচিব সার্বক্ষনিক ভাবে তত্ত্বাবধান করবেন।

 

..১৩আশ্রয়কেন্দ্র/নিরাপদস্থানসমূহ

·         বন্যার সময় ডুবে যাবে না, নদীভাঙ্গন থেকে দূরে এমন স্থান আশ্রয়কেন্দ্র হিসাবে ব্যবহৃত হতে পারে।

·         নির্ধারিত আশ্রয়কেন্দ্র, স্থানীয় স্কুল, কলেজ, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, উঁচু রাস্তা, বাঁধ আশ্রয়কেন্দ্র হিসাবে ব্যবহৃত হতে পারে।

·         প্রতিটির বিস্তারিত বর্ণনা লিখতে হবে।

·         নিম্নে টেবিলের মাধ্যমেও দেখাতে হবে।

 

৪.৩. উখিয়া উপজেলার নিরাপদ স্থান সমূহের তালিকা ও বর্ণনা ইউনিয়ন ভিক্তিক পর্যায়ক্রমে প্রদান করা হলোঃ

 

আশ্রয়কেন্দ্র

নাম

ইউনিয়নের নাম

ধারণ ÿমতা

মমত্মব্য

জালিয়াপালংইউনিয়ন

 

স্কুল কাম সাইক্লোন সেল্টার

 

জালিয়াপালং সরকারি প্রা: বি

জালিয়াপালং ১নং ওয়ার্ড

১০০

 

 

 

প্রতিটি সেন্টারে টিউবওয়েল ও ল্যাট্রিনসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সামগ্রী মেরামত ও সংস্কার করা প্রয়োজন

নিদানিয়া সরকারি প্রা: বি-

জালিয়াপালং ৫নং ওয়ার্ড

১৫০০

চোয়াংখালী সরকারি প্রা: বি-

জালিয়াপালং ৮নং ওয়ার্ড

১৫০০

ছেপটখালী সরকারি প্রা: বি

জালিয়াপালং ৯নং ওয়ার্ড

১৫০০

মনখালী সরকারি প্রা: বি-

জালিয়াপালং ৯নং ওয়ার্ড

১৫০০

ইনানী সরকারি প্রা: বি-

জালিয়াপালং ৬নং ওয়ার্ড

১৫০০

মাদার বনিয়া সরকারি প্রা: বি-

জালিয়াপালং ৭নং ওয়ার্ড

১০০

লম্বরীপাড়া সরকারি প্রা: বি

জালিয়াপালং ২নং ওয়ার্ড

১০০

  ডেইলপাড়া সরকারি প্রা: বি-

জালিয়াপালং ৪নং ওয়ার্ড

১০০০

সোনাইছড়ি সরকারি প্রা: বি-

জালিয়াপালং ২নং ওয়ার্ড

১০০

সোনারপাড়া সরকারি প্রা: বি-

জালিয়াপালং ৩নং ওয়ার্ড

৫০০

মো: শফিরবিল সরকারি প্রা: বি-

জালিয়াপালং ৭নং ওয়ার্ড

১৫০০

    ঝুঁকিপূর্ণ

রত্নাপালংইউনিয়ন

স্কুল কাম সাইক্লোন সেল্টার

গয়ালমারা সরকারী প্রা: বি:

রত্নাপালং-    ৬নং ওয়ার্ড

১৫০০

 

আমতলী সরকারী প্রা: বি:

রত্নাপালং-    নং ওয়ার্ড

৫০০

 

থিমছড়ি সরকারী প্রা: বি:

রত্নাপালং-    ৩নং ওয়ার্ড

৫০০

 

হলদিয়াপালংইউনিয়ন

স্কুল কাম সাইক্লোন সেল্টার

 

নলবনিয়া সরকারী প্রা: বিদ্যা

হলিদয়া পালং  5নং ওয়ার্ড

৫০০

 

মরিচ্যা সরকারী প্রা: বিদ্যা 

হলিদয়া পালং 1নং ওয়ার্ড

১৫০০

 

পাগলির বিল সরকারী প্রা:

হলিদয়া পালং -2 নং ওয়ার্ড

৫০০

 

রুমখা পালং সরকারী প্রা:

হলিদয়া পালং 9নং ওয়ার্ড

১৫০০

 

রাজাপালং ইউনিয়ন

 স্কুল কাম সাইক্লোন সেল্টার

উখিয়া মডেল সরকারী প্রা: বি:

রাজাপালং- ৫নং ওয়ার্ড

১৫০০

 

ডেইল পাড়া সরকারী প্রা: বিদ্যালয়

রাজাপালং-৭ নং ওয়ার্ড

১৫০০

 

কুতুপালং সঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়

রাজাপালং-৯ নং ওয়ার্ড

১৫০০

 

মধ্য রাজা পালং সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়

রাজাপালং-২ নং ওয়ার্ড

১০০০

 

খয়রাতি সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়

রাজাপালং-৬ নং ওয়ার্ড

১৫০০

 

 

পূর্ব ডিগলিয়া সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়

রাজাপালং- ৪নং ওয়ার্ড

১৫০০

 

চাকবৈঠা সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়

রাজাপালং-৪ নং ওয়ার্ড

১৫০০

 

পালংখালী ইউনিয়ন

স্কুল কাম সাইক্লোন সেল্টার

বালুখালী সরকারী প্রা: বিদ্যালয়

পালংখালী- ১নং ওয়ার্ড

১০০০

 

রহমতের বিল সt প্রা: বিদ্যালয়

পালংখালী- ৩ নং ওয়ার্ড

৫০০

 

আনজুমানপাড়া সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়

পালংখালী- ৯ নং ওয়ার্ড

১৫০০

 

দ: বালুখালী লতিফুন্নছা সঃ প্রা: বিঃ

পালংখালী-২ নং ওয়ার্ড

১৫০০

 

ফারিরবিল সরকারী প্রা: বিদ্যালয়

পালংখালী- ৮ নং ওয়ার্ড

১০০০

 

 

বেসরকারী প্রতিষ্ঠান কাম সাইক্লোন সেল্টার

উখিয়া ডিগ্রী কলেজ

রাজাপালং

২০০০

 

উখিয়া বালিকা বিদ্যালয়

রাজাপালং

২০০০

 

উখিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়

রাজাপালং

২০০০

 

রাজাপালং একেসি চৌধুরী উচ্চ বিদ্যা

রাজাপালং

 

 

পালং আদর্শ উচ্চ বিদ্যায়

পালংখালী

১০০০

 

মুক্তি যোদ্ধা উচ্চ বিদ্যালয়

হলদিয়াপালং

১০০০

 

পালং আদর্শ উচ্চ বিদ্যায়

রত্নাপালং

১০০০

 

ভালুকিয়া পালং উচ্চ বিদ্যালয়

রত্নাপালং

১০০০

 

ভালুকিয়া পালং উচ্চ বিদ্যালয়

রত্নাপালং

১০০০

 

সোনারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়

জালিয়া পালং

১০০০

 

 

৪.৪. আশ্রয়কেন্দ্রের ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনঃ

 

উখিয়া উপজেলায় বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রের কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রায় ৪০টি বিভিন্ন ধরণের আশ্রয় কেন্দ্রের যেমন- মাটির কেলস্না, স্কুল কাম শেস্নটার সেন্টার, সরকারী/বেসরকারী প্রতিষ্ঠান যেগুলো দূর্যোগের সময় আশ্রয় কেন্দ্র হিসাবে ব্যবহার হতো যেসব কেন্দ্রের কমিটির তালিকা ও প্রত্যেকটি কমিটি’র সদস্যদের তালিকা ‘‘সংযুক্তি - ৪’’ এ সন্নিবেশিত করা হলো। স্কুল কাম শেল্টার ঃ  ৩১টি

আশ্রয়কেন্দ্রের নাম

দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি

মোবাইল

মন্তব্য

জালিয়াপালং সরকারি প্রা: বিদ্যালয় 

বেলাল উদ্দিন-এমইউপি-১ নং ওয়ার্ড

০১৮১৫৬৩৭১৭৩

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সোনারপাড়া সরকারি প্রা: বিদ্যালয় 

ছৈয়দ কাসেম (প্রধান শিক্ষক)

০১৮১৯৯৭৪২৩৪

নিদানিয়া সরকারি প্রা: বিদ্যালয় 

জাকের হোছন-এমইউপি- ৫নং ওয়ার্ড

০১৮১৭০৫৩৭৫১

ইনানী সরকারি প্রা: বিদ্যালয় 

শামশুল আলম -এমইউপি- ৬নং ওয়ার্ড

০১৮১৯৫১৯৪৭৫

ডেইলপাড়া সরকারি প্রা: বিদ্যালয় 

হাজী শামশুল আলম -এমইউপি-৪নং

০১৮১৩৯০৬১৩৮

চোয়াংখালী সরকারি প্রা: বিদ্যালয় 

জমির উদ্দিন (প্রধান শিক্ষক)

০১৮১৮৪৬৪৯৯২

ছেপটখালী সরকারি প্রা: বিদ্যালয় 

সুলতান আহমদ -এমইউপি- ৯নং ওয়ার্ড

০১৮১৫১১৪৫৭৪

মনখালী সরকারি প্রা: বিদ্যালয় 

সুলতান আহমদ -এমইউপি- ৯নং ওয়ার্ড

০১৮১৫১১৪৫৭৪

লম্বরীপাড়া সরকারি প্রা: বিদ্যালয় 

আবুল হোসেন -এমইউপি- ২নং ওয়ার্ড

০১৮১৮১৬৬৪৪৯

সোনাইছড়ি সরকারি প্রা: বিদ্যালয় 

আবুল হোসেন -এমইউপি- ২নং ওয়ার্ড

০১৮১৮১৬৬৪৪৯

মাদার বনিয়া সরকারি প্রা: বিদ্যালয় 

এমইউপি- ৮ নং ওয়ার্ড

০১৮২৯২৯৫৫২১

গয়ালমারা সরকারী প্রা: বিদ্যালয়

হাবিবুল রহমান (প্রধান শিক্ষক)

০১৮১৪১১১৩৬০

থিমছড়ি সরকারী প্রা: বিদ্যালয়  

কামাল উদ্দিন (প্রধান শিক্ষক)

০১৮১৮৯৫৬০৩০

আমতলী সরকারী প্রা: বিদ্যালয়

টটি বড়ুয়া (প্রধান শিক্ষক)

০১৮১২৯১৮৩০৬

নলবনিয়া স প্রা: বিদ্যা:কাম সাই সেল্টার

মনোজ বড়ুয়া (প্রধান শিÿক)

০১৮১২৫৮০০৬১

মরিচ্যা সর প্রা: বিদ্যাকাম সাইক্লোন সেল্টার

মো: ইসলামএমউপি-১ নং ওয়ার্ড

 

 পাগলির বিল স প্রা: বিদ্যাকাম সাই সেল্টার

সাবেকুন নাহার ( প্রধান শিÿক)

০১৭১০১০৮৯৫৫

রুমখা পালং সঃ প্রা: বি:কাম সাইক্সেল্টার

আলহাজ্ব মো রফিক-এমউপি-৯নং ওয়ার্ড

০১৮১৪৩৭১৫৪৭

উখিয়া মডেল সরকারী প্রা: বিদ্যালয়

সরওয়ার কামাল

০১৮১৭৭৫৪২৯৭

ডেইল পাড়া সরকারী প্রা: বিদ্যালয়

মোরশেদ আলম

০১৮২৪৮৫৭৪৭২

খয়রাতি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

রম্নহুল আমিন

০১৮১৮৯০৯০১৫

চাকবৈঠা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

সাহেদুল ইসলাম

০১৮১৮৬০৫৬০৬

পূর্ব ডিগলিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যা

সাহেদুল ইসলাম

০১৮১৮৬০৫৬০৬

মধ্য রাজা পালং স প্রাথমিক বিদ্যালয়

সালাহ উদ্দীন

০১৮১৯৫২০৪৫০

কুতুপালং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

আবদুল হক

০১৮১৮২৪৫১৩১

বালুখালী সরকারী প্রা: বিদ্যালয় 

জনাব,আব্দুর রহিম রাজা(এম,ইউ,পি-১)

০১৮১৭-৩১৩৯৪৩

রহমতের বিল সরকারী প্রা: বিদ্যালয়

জনাব, মফিদুল আলম (এম,ইউ,পি-৩)

০১৮১৫-৮১০৩৮৬

আনজুমানপাড়া সরকারী প্রা: বিদ্যা

হামিদ হোসাইন সাগর (এম,ইউ,পি-৯)

০১৮১৯৬০৬১৬৯

ফারিরবিল সরকারী প্রা: বিদ্যালয়

আব্দুল মাবুদ সওদাগর (এম,ইউ,পি-৮)

০১৮১৭-৬৬৭০৮৯

দ: বালুখালী লতিফুন্নছা স প্রা: বিদ্যা   

জনাব ফজল কাদের ভূট্টো(এম,ইউ,পি-২)

০১৮১৮-৫৯৪০১২

 

সরকারী/বেসরকারী প্রতিষ্ঠানঃ  ৯টি

 

আশ্রয়কেন্দ্রের নাম

দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি

মোবাইল

মন্তব্য

উখিয়া ডিগ্রী কলেজ

জনাব আবদুল হক

০১৮১৭৭৫৪৩০০

 

উখিয়া বালিকা বিদ্যালয়

জনাবা রোকিয়া খানম

০১৮১৯৮০৩০৪৫

উখিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়

জনাব আবুল হোসেন সিরাজি

০১৮১৮১৯৫৫৯১

পালং আদর্শ উচ্চ বিদ্যায়

জনাব নুরম্নল হক

০১৮১৬০৮৮৫০৮

পালং খালী উচ্চ বিদ্যালয়

জনাব আবুল হাসেম

০১৮১৩৮৪৬৩৭৯

মুক্তি যোদ্ধা উচ্চ বিদ্যালয়

জনাবা সুলতানা রাজিয়া

০১৮১২৭২৩০৯৮

রাজাপালং একেসি চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়

জানব আলমগীর কবির

০১৮১৯৫১৯৪৫৭

ভালুকিয়া পালং উচ্চ বিদ্যালয়

জনাব লিয়াকত আলী

০১৮১৬০২৪৭০৬

সোনারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়

জনাব শফিউল করিম

০১৮১৮৯৮৪৪৫৮

 

৪.৫. উখিয়া উপজেলার সম্পদের তালিকা (যা দুর্যোগকালে ব্যবহৃত হতে পারে)ঃ

 

উপজেলার দূর্যোগকালীন সময়ে সম্পদ যেমন- মাটির কেলস্না, মাটির কেলস্নার কাম সাইক্লোন সেন্টার, স্কুল কাম সাইক্লোন সেল্টার, ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র, ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ইত্যাদি স্থাপনাগুলো সম্পদ হিসাবে বিবেচিত সেগুলোর পূর্ণাঙ্গ তথ্য নিমেণ প্রদান করা হলোঃ 

 

অবকাঠামো/সম্পদ

সংখ্যা

দায়িপ্তপ্রাপত ব্যক্তি

সংÿÿপ্ত বর্ণনা

 

স্কুল কাম সাইক্লোন সেল্টার

 

 

৩১টি

সংশিস্নষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিÿক,

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার, চেয়ারম্যান ও সেল্টার ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রতিনিধি

৩১টি স্কুল কাম সাইক্লোন সেল্টারে প্রায় ৩৪,০০০জন আশ্রয় নিতে পারে। সেন্টারগুলো আশ্রয়ের উপযোগী করতে মেরামত ও সংস্কার করা প্রয়োজন।

 

 

ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র

 

 

 

৭টি

সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধান

চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রতিনিধি

৭টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ১০,৫০০জন আশ্রয় নিতে পারে। সেন্টারগুলো আশ্রয়ের উপযোগী করতে মেরামত ও সংস্কার করা প্রয়োজন।

ইউনিয়ন পরিষদ ভবন

৩টি

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান

দূর্যোগ হলে ৫টি ইউপি ভবনে প্রায় ৪৫০০ লোক আশ্রয় নিতে পারে।

 

ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র

 

৪টি

দায়িত্বরত সংশিস্নষ্ট স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার, চেয়ারম্যান ও সেল্টার ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রতিনিধি

দূর্যোগ হলে প্রায় ইউনিয়নের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলো ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কেন্দ্র গুলোতে ২৪০০ লোক আশ্রয় নিতে পারে।

মেগাফোন

২০টি

সিপিপি টিম লিডার ও ইউপি

দীর্ঘ সময় ধরে বড় ধরনের কোন দুর্যোগ না হওয়ায় দুযোর্গ কাজে ব্যবহৃত সমসত্ম সম্পদ ইউনিয়ন পরিষদের তত্বাবধানে সিপিপি ইউনিয়ন টিম লিডারের কাছে রয়েছে।

 

অধিকাংশ ইউনিয়নে লাইফ জ্যাকেট, গামবুট, রেইন কোর্ট, রেডিওসহ প্রায় সব জিনিষই নষ্ট হয়ে গেছে।

সাইরেন

২টি

রেডিও

-

বাইসাইকেল

-

রেইন কোর্ট

১৬৮টি

হেলমেট

১৬৮টি

গামবুট

২০জোড়া

স্ট্রেচার

৩টি

লাইফ জ্যাকট

১০টি

টর্চ লাইট

১৬৮টি

ট্রাক / বাস

১৫টি

মালিক

 

 

 

৪.৬. অর্থায়ন ঃ

পরিষদের আয়

(ক) নিজস্ব উৎস

·        বসত বাড়ী মূল্যের উপর ট্যাক্স                                        ঃ ৪,১৩,৪৮০ টাকা

·        ব্যবসা, পেশা ও জীবিকার উপর কর (ট্রেড লাইসেন্স)            ঃ ৫,৩৫,১৫৫ টাকা

·        পরিষদ কর্তৃক ইস্যুকৃত লাইসেন্স ও পারমিট ফিস                ঃ

·        ইজারা বাবদ (হাটবাজার, ঘাট, খাল, খেয়াঘাট)                  ঃ ৯,৬৭,১০০ টাকা 

·        মটরযান ব্যতীত অন্যান্য যানবাহনের উপর কর                  ঃ

·        সম্পত্তি হতে আয়                                                        ঃ

·        ইউপি সাধারণ তহবিল - জন্ম সনদ                                  ঃ ৫১,৩১৭ টাকা

                                মৃত্যু সনদ                                 ঃ

                                ওয়ারিশ সনদ                            ঃ

                                জন্ম নিবন্ধন ও জাতীয় সনদ          ঃ

(খ) সরকারী সূত্রে অনুদান

·        সংস্থাপন                                                                   ঃ ৪১,০০,০০০ টাকা

·        উন্নয়ন (এলজিএসপি)                                                   ঃ ৯২,৫৫,০১৪ টাকা।

·        স্থানীয় সরকার (&উপজেলা)                                          ঃ ৫,৫০,০০০টাকা

·        অন্যান্য                                                                     ঃ ১৩,৬৩৯ টাকা

·        সংস্থাপন:

চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সম্মানী ভাতা:

চেয়ারম্যান (৫জন) প্রতি:  সরকারী: ১৪৭৫ এবং পরিষদ থেকে: ১৫২৫/-

এম ইউ পি (৬০জন) প্রতি: সরকারী: ৯৫০/-,পরিষদ থেকে: ১,২০০/-

সচিব (স্কেল) ৫ জন প্রতি: ১০,৪০০স্কেলে = ৫২,০০০টাকা

দফাদার (৫টি ইউনিয়ন) প্রতি জন:  ২১০০/-

গ্রাম পুলিশ(৫টি ইউনিয়ন) প্রতি জন: ১৯০০/-

·        ভূমি হসত্মামত্মর ১%                                                   ঃ ৮৫,৪৭,৮৮৬টাকা

·        অন্যান্য

 

(গ) স্থানীয় সরকার সূত্রে

(ঘ) বে-সরকারী উন্নয়ন সংস্থা

 

৪.৭ কর্মপরিকল্পনা হালনাগাদ ও পরীÿাকরণঃ

 

1.        পরিকল্পনা ফলোআপ কমিটি

2.       পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও রক্ষনাবেক্ষন কমিটি

 

পরিকল্পনা ফলোআপ কমিটি

 

ক্রমিক

নাম

পবদী

মোবাইল নম্বর

জনাব সরওয়ার জাহান চৌধুরী

উপজেলা চেয়ারম্যনে

০১৮১৫ ১৫৩০৩৯

জনাব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

০৩৪২৭-৫৬০০১ 

জনাব মো: শফিউল আলম

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা

০১৮৩৪৩৭৯২৭৭

জনাব আব্দুল কুদ্দুছ

এনজিও প্রতিনিধি (বিজিএস)

০১৮১৯৬৩৩০৮১

জনাব মো:মোজাফফর আহমদ

উপজেলা শিক্ষা অফিসার

০১৮১৩৩১৬৮৪২

৬.

জনাব আব্দুল মান্নান

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা

০৩৪২৭-৫৬০১২

৭.

জনাব মো: ওসমান গনি

উপজেলা সমবায় কর্মকতা

০৩৪২৭-৫৬০৩৮

         

 

কমিটির কাজ

·        খসড়া পরিকল্পনা পর্যালোচনা ও চুড়ামত্ম পরিকল্পনা প্রণয়ন

·        বিষয় ভিত্তিক পরিকল্পনা কার্যক্রম যেমন- কৃষি, মৎস, পশুপালন এর জন্য উপসহকারী কৃষি কর্মকতার সহায়তা নেয়া

·        দূর্যোগ পরিকল্পনা বাসত্মবসম্মত অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট কাজ এবং অর্থায়ন বিষয়টি গুরম্নত্ব দেয়া।

 

পরিকল্পনা ও বাসত্মবায়ন রÿাণাবেÿণ কমিটি

৭ সদস্য বিশিষ্ট পরিকল্পনা বাসত্মবায়ন ও রÿণাবেÿণ কমিটি

1.       চেয়ারম্যান

2.      সচিব

3.      মহিলা সদস্য

4.       সরকারী প্রতিনিধি

5.      এনজিও প্রতিনিধি

6.      সদস্য ২ জন (সাধারণ কমিটি থেকে)

 

 পরিকল্পনা ও বাসত্মবায়ন রÿাণাবেÿণ কমিটি

 

ক্রমিক

নাম

পবদী

মোবাইল নম্বর

1

জনাব সরওয়ার জাহান চৌধুরী

উপজেলা চেয়ারম্যনে

০১৮১৫ ১৫৩০৩৯

2

জনাব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

০৩৪২৭-৫৬০০১ 

3

জনাব সোলতান মাহমুদ

উপজেলা ভাইস -চেয়ারম্যান

০১৮১৮০৫৫৯১৭

4

জনাব মো: মনিরুজ্জামান

উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা

০৩৪২৭-৫৬০৪৩

5

জনাব আব্দুল কুদ্দুছ

এনজিও প্রতিনিধি (বিজিএস)

০১৮১৯৬৩৩০৮১

6

জনাব জাহান্গীর কবির চোধুরী

চেয়ারম্যন রাজাপালং ইউনিয়ন

০১৮১৯৬০৮৩৩০‌

জনাব মো: শফিউল আলম

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা

০১৮৩৪৩৭৯২৭৭

8.

জানব মরজিনা বেগম

মহিলা মেম্বার জালিয়াপালং

০১৮২৫১১০৭৫৭

 

কমিটির কাজ

·           প্রতি বৎসর এপ্রিল/মে মাসে বর্তমান পরিকল্পনা, আগাগোড়া, পরীÿা প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সংযোজনের মাধ্যমে হালনাগাদ করতে হবে। কমিটি সদস্য সচিব এ ব্যাপারে ব্যক্তিগত উদ্যোগ নেবেন। দূর্যোগের অব্যবহিত পর ব্যবস্থাপনার ত্রম্নটিসমূহ পর্যালোচনা করে পরিকল্পনার প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনতে হবে।

·           প্রতি বৎসর এপ্রিল/মে মাসে একবার জাতীয় দূর্যোগ দিবসে,একবার ব্যবস্থাপনা ব্যুরো’র নির্দেশনা মত দূর্যোগ ব্যবস্থাপনার মহড়া অনুষ্ঠান করিতে হইবে।

·           দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনাটি জেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির নিকট হতে অনুমোদন।

·           পরিকল্পনা বাসত্মবায়ন তদারকি।

·           বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

পঞ্চম অধ্যায়ঃ উদ্ধার ও পুনর্বাসন পরিকল্পনা

 

৫.১. ÿয়ÿতি মূল্যায়ন

 

ভৌগলিক অবস্থান এবং বিগত সময়ের দূর্যোগর পর্যায়ক্রমিক রেকর্ডসমুহ বিবেচনায় নিলে দেখা যায় যে, এ অঞ্চলে ঘটে যাওয়া নানা প্রাকৃতিক দূর্যোগ মানুষের জীবনে বিভিন্ন ÿতির কারণ হয়ে দাড়ায়। নিমেণ দূর্যোগের কারণে ÿতিগ্রসত্ম খাতসম~ূহর বর্ণনা প্রদান করা হলোঃ

 

খাতসমূহ

বর্ননা

 

কৃষি

যে কোন প্রাকৃতিক দূর্যোগে কৃষির উপর সবচেয়ে বেশি নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। কৃষি ফসল, বীজতলা নষ্ট, জমিতে লবণাক্ততার মাত্রা বৃদ্বিসসহ নানাবিধ কারণে কৃষি ÿÿত্রে ÿতির সম্ভাবনা বেশী থাকে।

·        ১৯৯৪ ও ১৯৯৭ সালের মতো ঘূর্ণিঝড় হলে প্রায় ২৬০০০ একর জমির ৬০% কৃষি ফসল, ৮৬৫ একর জমির ৪০% পানের বরজ নষ্ট হয়ে  ১০ কোটি টাকা ÿতি হতে পারে।  

·        ২০১০ সালের মত বন্যা হলে কৃষি জমির প্রায় ৫০% ফসল বিনষ্ট হতে পারে।

·        প্রতিবছর অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলের কারণে কৃষি জমির প্রায় ৪০% ফসল বিনষ্ট হতে পাবে।পাকা ধানের প্রায় ৬০% ফসল সম্পূর্ণ বিনষ্ট হয়ে যেতে পারে।

·        প্রতিবছর পোকার আক্রমণে জমির প্রায় ২০% ধান নষ্ট হতে পারে এবং ৫০০একর পানের বরজ বিভিন্ন রোগ বালাই ও  পোকার আক্রমনে ক্ষতি হতে পারে।

·        বন্যহাতির আক্রমণে ধান জমির প্রায় ৫% ফসল নষ্ট হতে পারে।

·        কালবৈশাখী হলে জমির ৩০% পান সম্পূর্ণ বিনষ্ট হয়ে যেতে পারে। ২০০-২২০ কিলোমিটার বেগে ঘূর্ণিঝড় হলে পাহাড়ী জমির ৭০% পান  ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। বর্ষা কালে অতিবৃষ্টির ও পাহাড়ী বন্যার কারণে প্রায় ৪০% পানের ক্ষতি হতে পারে।

 

মৎস্য/চিংড়ী

·        উখিয়া বাংলাদেশের অন্যতম চিংড়ি হ্যাচারী অঞ্চল। প্রতি বছর ৩০০ কোটি টাকা চিংড়ি পোনা উৎপাদিত হয়। যদি চিংড়ি পোনা উৎপাদন মৌসুমে ১৯৯১/১৯৯৪/১৯৯৭ ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, সুনামী হলে হ্যাচারী / মৎস / চিংড়ি খাতে ৩০০কোটি টাকা ÿতি হতো পারে্।

·        ২০১০ সালের মতো বন্যা হলে চিংড়ি ঘের/হ্যাচারী পানিতে পস্নাবিত হয় তাহলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়কারী চিংড়ি উৎপাদন ÿতির মুখে পড়বে এবং ১০ কোটি টাকা ÿতি হতে পারে।

·         অতিবৃষ্টি, পাহাড়ী ঢল বা বন্যার কারণে পুকুর,খাল-বিল, জলাশয়ে মাছ চাষ পানিতে তলিয়ে গিয়ে ব্যাপক ÿতি হতে পারে। খালের পার ভাঙ্গন, বৃক্ষ নিধন, পাহাড় কাটা, রাসায়নিক সারের ব্যবহারের কারণে মাছের প্রজনন ও আবাসস্থল মারাত্নকভাবে ক্ষতির সম্মূখীন হতে পারে।

 

 

অবকাঠামো

·        ঘূর্ণিঝড়,জলোচ্ছ্বাস, জোয়ারের পানি বৃদ্ধি, সুনামী, ভূমিকম্প, কালবৈশাখী সহ অন্যান্য প্রাকৃতিক দূ©র্যাগে অবকাঠামোগত ÿতির ঝুঁকি খুব বেশী। পাহাড়ী আঞ্চল বিধায় ঘূর্ণিঝড়, পাহাড় নিধন, পাহাড়ী বন্যা, সুনামী’র মত দূ©র্যাগে প্রতিরÿা বেড়ীবাধ, মেরিন ড্রাইভ সড়ক  বিলীন হয়ে যেতে পারে ভূখন্ডের অভ্যমত্মরে প্রবেশ করলে রাসত্মাঘাট, গ্রামীণ সড়ক, ব্রীজ-কালভার্ট, শিÿা প্রতিষ্ঠান, হাট বাজার সহ অন্যান্য সামাজিক সম্পদ ও  অবকাঠামোর ব্যাপক ÿতি হতে পারে।

·        ২০০-২২০ কি:মি: বেগে ঘূর্ণিঝড় হলে ৫০% মাটির ও ৩০% টিনের বাড়ির ক্ষতি হতে পারে।

·        বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলের কারণে নীচু এলাকার প্রায় ৩০% ঘরবাড়ী নষ্ট হতে পারে।

·        পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ গ্রামগুলোতে পাহাড় ধ্বস হলে ২৫% ঘর বাড়ী সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।

·        কালবৈশাখী হলে উখিয়া উপজেলার  ৩৫% মাটির বাড়ি ও ১৫০% টিনের বাড়ী  ক্ষতি হতে পারে

গাছপালা ও পরিবেশ

·        এ সমসত্ম প্রাকৃতিক দূর্যোগের ফলে ২০% ঝাউগাছ মারাত্মক ÿতির মুখে পড়বে।

·        ৩২০৬৩ একর বনভূমির ৪০% এবং বসতভিটা, রাসত্মাঘাটে রোপনকৃত গাছপালার শতকরা ৫০ ভাগ উপড়ে-ভেঙে পড়তে পারে। এতে আর্থিক ÿতির পাশাপাশি পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।

আবাসন

·        এখানকার অধিকাংশ ঘরবাড়ি মাটি, কাঠ এবং বেড়া দিয়ে তৈরী। তাই এই লোকালয়ে ঘূর্ণিঝড়, কালবৈশাখী ও ভূমিকম্পের ফলে ৭০% ঘরবাড়ি ভেঙ্গে যেতে পারে।

 

 

পানি

·        ঘূর্ণিঝড়,জলোচছবাস,জলাবদ্ধতা,বন্যা সহ অন্যান্য প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে উখিয়ার ১৩৯৫ টি গভীর এবং ১৬৩১টি অগভীর  নলকূপের মধ্যে ১০% নলকূপ নষ্ট বা পানিতে ডুবে যাবে। তাছাড়া মিঠা পানির অন্যান্য আধার যেমন- পুকুর পাহাড়ী ঢলের পানিতে ডুবে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়বে।

·         সুনামী, ভূমিকম্পের কারণে ভূগর্ভস্থ পানির সত্মরে পরিবর্তন  বা লবণাক্ততা বৃদ্ধি পেয়ে সংকট তৈরী হতে পারে।

 

জীবিকা

·        ঘূর্ণিঝড়,জলোচছবাসের কারণে মৎস্যজীবী মানুষ তাদের দৈনিক আয়ের সুযোগ হারায় এবং তাদের উপকরণ সমুহ নষ্ট হয়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে। ।

·        বন্যা,অতিবৃষ্টি,পাহাড়িঢল, ঘূর্ণিঝড়,জলোচছবাসের কারণে কৃষি নির্ভর পেশাজীবি ৮০% মানুষের দৈনন্দিন কাজ বন্ধ হয়ে সর্বোপরি অবকাঠামো নষ্ট হওয়ার ফলে স্থানীয় অধিবাসীদের আয়ের উৎস কমে যায়। তাছাড়া শ্রমজীবি মানুষের কর্মসংস্থানের পরিধি সংকুচিত হওয়ার কারণে জীবিকা-জীবিকা অভাব নেমে আসে।

যোগাযোগ

·        ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাসের কারণে উখিয়া উপজেলার পশ্চিমাংশ অর্থাৎ বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী এলাকায় নির্মানাধীন প্রায় ১৫ কি.মি. মেরিনড্রাইভ সড়ক মারাত্মকভাবে ÿতিগ্রস্থ হতে পারে। তাছাড়া গ্রামীন সড়ক ভেঙ্গে এবং রাসত্মার দু’পাশের গাছপালা উপড়ে পড়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে।

·         বন্যা,পাহাড়ী ঢলের ফলে এলাকার যোগযোগ বিশেষভাবে ৪১৭কি.মি. কাঁচা রাসত্মা, ২২৫ কি.মি. এইচ,বি,বি রাসত্মার ৫০% ÿতিগ্রসত্ম হয়ে মানুষে চলাফেরা মারাত্বক ঝুঁকির মধ্যে পড়বে।

 

৫.২ দ্রম্নত ও আগাম পুনঃরম্নদ্ধার

 

৫.২.১ প্রশাসনিক পুনঃপ্রতিষ্ঠাঃ

 

ক্র/নং

নাম

পবদী

মোবাইল নম্বর

১.

জনাব সরওয়ার জাহান চৌধুরী

উপজেলা চেয়ারম্যান

০১৮১৫ ১৫৩০৩৯

জনাব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

০৩৪২৭-৫৬০০১ 

জনাব মো: জাহেদুল আলম

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উখিয়া থানা

০৩৪২৭-৫৬১০৩

জনাবা ছেনুয়ারা বেগম

উপজেলা ভাইস -চেয়ারম্যান (মহিলা)

০১৭১৫১৪৮৫২৪

জনাবা শিরিন ইসলাম

উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা

০৩৪২৭-৫৬০১৪

৬.

জনাব মো: ফখর উদ্দীন রাজিব

উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা

০৩৪২৭-৫৬০০৬

 

5.2.2    ধ্বংসাবশেষ পরিস্কার

 

ক্র/নং

নাম

পবদী

মোবাইল নম্বর

জনাব মো: মনিরুজ্জামান

উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা

০৩৪২৭-৫৬০৪৩

জনাব আনোয়ার হোছাইন চৌধুরী

চেয়ারম্যন জালিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদ

০১৮১৭০১৭২৬৩

জনাব মো: ফখরুদ্দিন রাজিব

উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা

০৩৪২৭-৫৬০০৬

জনাব ডা: নাজমুল হাসান

উপজেলা প:প: কর্মকর্তা

০৩৪২৭-৫৬০০৮

জনাব মো: ইকবাল হোসেন

উপ-সহকারী প্রকৌশলী (জনস্বাস্হ্য)

০১৮২০২৩১১৯১

 

 

5.2.3    জনসেবা পুনঃরারম্ভ

 

ক্র/নং

নাম

পবদী

মোবাইল নম্বর

১.

জনাব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

০৩৪২৭-৫৬০০১ 

২.

জনাব আবু কাউসার মো: সরোয়ার

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা

০১৭১২৫১৩২৮৮

৩.

জনাব মো: শফিউল আলম

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা

০১৮৩৪৩৭৯২৭৭

৪.

জনাব আনোয়ার হোছাইন চৌধুরী

চেয়ারম্যন জালিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদ

০১৮১৭০১৭২৬৩

৫.

জনাব ওমর আলি গাজী

বনবিট কর্মকর্তা জালিয়াপালং

০১৭২৩০০৬৭৬৬

 

5.2.4     জরম্নরী জীবিকা সহায়তা

 

ক্র/নং

নাম

পবদী

মোবাইল নম্বর

১.

জনাব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

০৩৪২৭-৫৬০০১ 

২.

জনাব মো: শফিউল আলম

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা

০১৮৩৪৩৭৯২৭৭

৩.

জনাব হামিদুল হক চৌধুরী

অধ্যক্ষ - বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মঃ কঃ

০১৮১৯৫১৯৯০২

৪.

জনাব হুমায়ুন কবির চৌধুরী

চেয়ারম্যান  উপজেলা বিআরডিবি

০১৭২৫৫০৫৯২৬,

৫.

জনাব নুরুল কবির চৌধুরী

চেয়ারম্যান-২নং রত্নাপালং পালং ইউ পরিষদ

০১৮২৬৩০৬০৮০

 

 

 

 

সংযুক্তি-১

 

আপদকালীন পরিকল্পনাবাস্তবায়নের চেক লিষ্ট

চেক লিষ্ট

রেডিও ও টিভি মারফত আপদ/দূর্যোগের বিপদ সংকেত প্রচারের সংগে সংগে নিমণলিখিত ছক অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

 

ক্রঃ নং

বিষয়

হ্যাঁ/না

১.

সতর্ক বার্তা প্রচারে নির্বাচিত স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্যদের ডেকে আসন্ন বিপদ সম্পর্কে প্রচার কাজ শুরম্ন করতে বলা হয়েছে।

হ্যাঁ

২.

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার লোকজনকে উদ্ধার করার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা দল ঠিক করা হয়েছে।

হ্যাঁ

৩.

২/৩ দিনের জন্য শুকনো খাবার ও নিরাপদ পানীয় জল নিরাপত্তা মোড়কে মাটির নিচে পুতে রাখার জন্য প্রচার করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

হ্যাঁ

৪.

স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যদের নিরাপত্তার জন্য লাইফ জ্যাকেট সরবরাহ করা হয়েছে।

হ্যাঁ

৫.

ইউনিয়ন নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সার্বক্ষণিক চালু রাখার জন্য প্রয়োজনীয় জনবলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

হ্যাঁ

৬.

ইউনিয়ন খাদ্যগুদাম/ত্রাণ গুদাম এর প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আছে।

হ্যাঁ

৭.

অন্যান্য

হ্যাঁ

চেক লিষ্ট

প্রতি বছর এপ্রিল-মে মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে ইউনিয়ন দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় আলাপ আলোচনা করে নিমণলিখিত ছক পুরণ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেলা প্রশাসনে পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

 

ক্রমিক নং

বিষয়

উপযুক্ত স্থানে টিক চিহ্ন

১.

প্রতিটি ইউনিয়নের খাদ্য গুদামে পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্য মজুদ আছে

ü

২.

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার শিশুদের টিকা/ভ্যাকসিক দেয়া হয়েছে

ü

৩.

১ - ৬ বছরের শিশু ও মায়েদের ভিটামিন খাওয়ানো হয়েছে

ü

৪.

স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যদেরকে বাৎসরিক প্রশিÿণ প্রদান করা হয়েছে

ü

৫.

স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যদেরকে নির্ধারিত দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করা হয়েছে

ü

৬.

ইউপি ক্লিনিক হাসপাতালে প্রয়োজনীয় ঔষধ ও ওরস্যালাইন মজুদ আছে

 

৭.

প্রতিটি আশ্রয়কেন্দ্রের জন্য প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জামাদি ও ঔষধ আছে

 

৮.

প্রতিটি আশ্রয়কেন্দ্রের জন্য নির্বাচিত পলস্নী চিকিৎসক এলাকায় উপস্থিত আছেন

ü

৯.

প্রতিটি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় ব্যবহার উপযোগী নলকূপ আছে

 

১০.

প্রতিটি আশ্রয়কেন্দ্রের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবহার উপযোগী ল্যাট্রিন আছে

 

১১.

প্রতিটি আশ্রয়কেন্দ্রের দরজা জানালা ঠিক আছে

 

১২.

প্রতিটি আশ্রয়কেন্দ্রে মহিলাদের জন্য আলাদা নিরাপদ ব্যবস্থা আছে

ü

১৩.

প্রতিটি আশ্রয়কেন্দ্রে নির্বাচিত বিকল্প কেয়ার টেকার উপস্থিত আছে

 

১৪.

প্রতিটি আশ্রয়কেন্দ্রে গর্ভবতী মায়েদের দেখা শুনা করার জন্য নির্বাচিত ধাত্রী আছে

 

১৫.

গরম্ন-ছাগল হাঁস মুরগী রাখার জন্য উঁচু স্থান কিংবা কিলস্না নির্ধারণ করা হয়েছে

ü

১৬.

আবহাওয়া ও বিপদ সংকেত প্রচারের জন্য প্রয়োজনীয় মাইক্রোফোন চালু আছে

ü

১৭.

কমপÿÿ ২/ ৩ দিনের জন্য শুকনো খাবার, পানীয় জল সংরÿণ করার জন্য জনগণকে সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে

ü

১৮.

অন্যান্য

ü

 

 

 

সংযুক্তি - ২

 

উখিয়া উপজেলা দূয়োর্গ ব্যবস্থাপনা কমিটি

 

ক্রমিক

নাম

পদবী

সদস্য

মোবাইল

1.        

জনাব সরওয়ার জাহান চৌধুরী

উপজেলা চেয়ারম্যান

সভাপতি

০১৮১৫ ১৫৩০৩৯

2.       

জনাব মো: সাইফুল ইসলাম

উপজেলা নিবার্হী অফিসার, উখিয়া,কক্সবাজার

সহ-সভাপতি

০১৭১২০২৯৫১৮

3.       

জনাব সুলতান মাহমুদ চৌধুরী

ভাইস চেয়ারম্যান,

উপজেলা পরিষদ, উখিয়া

সদস্য

০১৮১৮০৫৫৯১৭

4.        

জনাবাছেনুয়ারা বেগম

উপজেলা ভাইস -চেয়ারম্যান(মহিলা)

সদস্য

০১৭১৫১৪৮৫২৪

5.       

জনাব আনোয়ার হোছাইন চৌধুরী

চেয়ারম্যান-১নং জালিয়া পালং ইউনিয়ন পরিষদ

সদস্য

০১৮১৭০১৭২৬৩

6.       

জনাব নুরুল কবির চৌধুরী

চেয়ারম্যান-২নং রত্নাপালং পালং ইউনিয়ন পরিষদ

সদস্য

০১৮২৬৩০৬০৮০

7.       

জনাব কামাল উদ্দিন মিন্টু

চেয়ারম্যান-৩নং হলদিয়া পালং ইউনিয়ন পরিষদ

সদস্য

০১৮১৭৭৫০৫২৮

8.       

জনাব জাহানঙ্গীর কবির চৌধুরী

চেয়ারম্যান-৪নং রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদ

সদস্য

০১৮১৯৬০৮৩৩০

9.       

জনাব এম,গফুর উদ্দিন চৌধুরী

চেয়ারম্যান-৫নং পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদ

সদস্য

০১৮১৯০৩৫৮৭৬

10.    

জনাব আবু কাউসার মো: সরোয়ার

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, উখিয়া,কক্সবাজার

সদস্য

০১৭১২৫১৩২৮৮

11.    

জনাব ডা:এস,এম, আবু সাঈদ

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, উখিয়া,কক্সবাজার

সদস্য

০১৮১৮১২৬৩২২

12.    

জনাব মো: মনিরুজ্জামান

উপজেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা, উখিয়া,কক্সবাজার

সদস্য

০৩৪২৭-৫৬০৪৩

13.   

জনাব হুমায়ুন মোর্শেদ

উপজেলা মৎস কর্মকর্তা,  উখিয়া,কক্সবাজার

সদস্য

০১৮১২৩৮৩০৭০

14.    

জনাব মো:মোজাফফর আহমদ

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, উখিয়া,কক্সবাজার

সদস্য

০১৮১৩৩১৬৮৪২

15.    

জনাব মো: জামাল উদ্দিন

উপজেলা প্রকৌশলী উখিয়া,কক্সবাজার

সদস্য

০১৮১৫১২০৭০৫

16.   

জনাব আব্দুল মান্নান

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা,  উখিয়া,কক্সবাজার

সদস্য

০৩৪২৭-৫৬০১২

17.    

জনাব ডা: নাজমুল হাসান

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা,  উখিয়া,কক্সবাজার

সদস্য

০৩৪২৭-৫৬০০৮ ০১৭১১৪৬৬৫২৩

18.    

জনাব এম.ই.এম ইকবাল হোসেন

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক,উখিয়া,কক্সবাজার

সদস্য

০১১৯৯২২৯১৭২

19.    

জনাব মো: জাহেদুল আলম

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা,উখিয়া থানা(পুলিশ)

সদস্য

০৩৪২৭-৫৬১০৩

20.    

জনাব মো: ইকবাল হোসেন

উপ-সহকারী প্রকৌশলী (জন স্বাস্থ্য), উখিয়া, কক্সবাজার

সদস্য

০১৮২০২৩১১৯১

21.    

জনাব মো: সাজ্জাদুল হক

উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, উখিয়া

সদস্য

০১৮১৯৮১৯২৪১

22.   

জনাব আব্দুল মান্নান

উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা

সদস্য

০৩৪২৭-৫৬০১২

23.   

জনাব মো: রাইহালুল ইসলাম মিয়া

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা

সদস্য

 

24.    

জনাবা শিরিন ইসলাম

উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা

সদস্য

০৩৪২৭-৫৬০১৪

25.   

জনাব মো: ফখরুদ্দিন রাজিব

উপজেলা আনসার/ভিডিপি কর্মকর্তা

সদস্য

০৩৪২৭-৫৬০০৬

26.   

জনাব অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী

অধ্যক্ষ, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা কলেজ

সদস্য

০১৮১৯৫১৯৯০২

27.   

জনাব হুমায়ুন কবির চৌধুরী

চেয়ারম্যান, বিআরডিবি,

উখিয়া, কক্সবাজার

সদস্য

০১৭২৫৫০৫৯২৬, ০১৮১৯৬০৮৩৫০

28.   

 জনাব এড: আবদু রহিম

সভাপতি প্রেস ক্লাব,উখিয়া,কক্সবাজার

সদস্য

০১৮১৯৯০৯৪১২

29.   

জনাব কবির আহমদ

সভাপতি, বনিক সমিতি, উখিয়া, কক্সবাজার

সদস্য

০১৮১৯২১৩১১৩

30.   

জনাব পরিমল বড়ুযা

মুক্তিযুব্দা কমান্ড কাউন্সিল , উখিয়া

সদস্য

 

31.   

জনাবা মজিনা বেগম,

ইউপি সদস্য, জালিয়া পালং

সদস্য

০১৮২৫১১০৭৫৭

32.   

জনাবা, শাহীন আকতার

ইউপি সদস্য, হলদিয়া পালং

সদস্য

০১৮২৬৩০৬৬২৯

33. 

জনাবা, জাহেদা বেগম

ইউপি সদস্য, পালংখালী

সদস্য

০১৮১৪৪৩৭৭৭০

34.   

জনাব আবদুল কুদ্দছ

এনজিও প্রতিনিধি- বিজিএস

 

০১৮১৯৬৩৩০৮১

35.   

জনাব জসীম উদ্দীন আহমদ

এনজিও প্রতিনিধি  - সেড

সদস্য

০১৮১৪৮৪৫৩১৩

36. 

জনাব মু: বেলাল উদ্দীন

এনজিও প্রতিনিধিএসিএফ

সদস্য

০১৮১৯৮৪০৭৫৮

37.   

জনাব মো: শফিউল আলম

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা

সচিব

০১৮৩৪৩৭৯২৭৭

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সংযুক্তি ৩

 

জালিয়াপালং ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবকদের তালিকা

 

ক্রমিক

নাম

পিতার/স্বামীর  নাম

ওয়ার্ড

প্রশিক্ষন

মোবাইল

১.

রফিকুল ইসলাম

মৃত মীর কাশেম

০১নং ওয়ার্ড

সংকেত প্রচার

০১৮৩৩৬২১৯১

২.

জুলেখা আফরিন

মফিজ উদ্দীন

প্রথমিক চিকিৎসক

 

৩.

সাইফুল ইসলাম

মৃত ইসহাক আহমদ

সাহায্যকারী

 

৪.

নাসরিন জাহান

মোক্তার আহমদ

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

 

৫.

দিলদার মিয়া

রশিদ আহমদ

০২নং ওয়ার্ড

সংকেত প্রচার

 

৬.

রাজিয়া বেগম

মৃত বাদশা মিয়া

প্রথমিক চিকিৎসক

০১৮৪৩৫৬১৭৯৮

৭.

মো: আয়াছ

ফজল আহমদ

সাহায্যকারী

০১৮১৬৮৩৫৬৪৪

৮.

মনোয়ারা বেগম

আবদুল হাকিম

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

 

৯.

নুরুল ইসলাম

মো : আলী

০৩নং ওয়ার্ড

সংকেত প্রচার

০১৮১৯৮৫৮০২৪

১০.

সমিরা আকতার

মো: আবদুলস্নাহ

প্রথমিক চিকিৎসক

০১৮৩৫৬১৪৫৮৫

১১.

ছালেহা বেগম

মৃত আবদুল বারি

সাহায্যকারী

০১৮১৫১৭৫৯৫২

১২.

আয়ুব আলী

শামশুল আলম

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

০১৮২৮৪০৮৫২৫

১৩.

বশির আহমদ

মৃত মকবুল আহমদ

০৪নং ওয়ার্ড

সংকেত প্রচার

০১৮২৮০৯১০৬৪

১৪.

ফরিদা বেগম

বশির আহমদ

প্রথমিক চিকিৎসক

 

১৫.

হাজী সৈয়দ আলম

মৃত আবদু রশিদ

সাহায্য কারী

০১৮১৭৭৬৮৯৩৯

১৬.

জমিলা আকতার

হাজী ছৈয়দ আহমদ

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

 

১৭.

মো: রফিক

অছিউল আলম

০৫নং ওয়ার্ড

সংকেত প্রচার

০১৮৪৫১৯৯৮৭৬

১৮.

তফুরা বেগম

নজরম্নল ইসলাম

প্রথমিক চিকিৎসক

 

১৯.

মো: ইলিয়াছ

মনছুর আলম

সাহায্যকারী

০১৮৩৮৯৬৮২২৫

২০.

আসমা বেগম

কামাল উদ্দীন

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

 

২১.

মো: আদনান

আবদুল হক মিয়া

০৬ নং ওয়ার্ড

সংকেত প্রচার

০৬নং ওয়ার্ড

২২.

মনোয়ারা বেগম

মৃত আবদু সালাম

প্রথমিক চিকিৎসক

 

২৩.

শামশুল ইসলাম

মৃত সুলতান আহমদ

সাহায্যকারী

 

২৪.

ছমুদা বেগম

মো: ইলিয়াছ

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

 

২৫.

ছাবের আলী

শামশুল আলম

০৭নং

সংকেত প্রচার

 

২৬.

জাহানারাবেগম

আবদু হোসেন

প্রথমিক চিকিৎসক

 

২৭.

মো: হাসান

কবির আহমদ

সাহায্যকারী

০১৮৩০১০৮৪০৪

২৮.

আরেফা বেগম

মৃত বশির আহমদ

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

 

২৯.

আহমদ উল্লাহ

 আবদু কাশেম

০৮নং

সংকেত প্রচার

 

৩০.

আছিয়া বেগম

খাইরম্নল আমিন

প্রথমিক চিকিৎসক

 

৩১.

জামাল হোসেন

এলাদ হোসেন

সাহায্য কারী

 

৩২.

নুরুচ্ছাফা বেগম

নাজিন হোসেন

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

 

৩৩.

আমির হোসেন

আমির মিয়া

০৯

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

 

৩৪.

শামশুল নাহার

আলী আহমদ

সংকেত প্রচার

 

৩৫.

মংছাও চাকমা

ছুইছালা

প্রথমিক চিকিৎসক

 

৩৬.

মনোয়ারা বেগম

ঠান্ডা মিয়া

সাহায্যকারী

 

 

রত্নাপালং ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবকদের তালিকা

 

ক্রমিক

নাম

পিতার/স্বামীর  নাম

ওয়ার্ড

প্রশিক্ষন

মোবাইল

১.

নুরুল আলম (চৌকিদার)

মৃত্য-আলী আহমদ

সংকেত প্রচার

০১৮১৮১১৬৬০৯

২.

আলমগীর

সলিম উল্লাহ

প্রথমিক চিকিৎসক

০১৬৮৭৮৭৩০৮৭

৩.

কফিল উদ্দিন

মৃত্য নুরুল ইসলাম

1

সাহায্যকারী

০১৮১৬১৮২৪৪১

৪.

তাতু বড়ুয়া

বিনঞ্জ বড়ুয়া

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

০১৮১২৪৩৪০৪১

৫.

কামাল উদ্দিন(চৌকিদার)

বেলাল

2

সংকেত প্রচার

০১৮১৫৮৮৩০৮১

৬.

মৌ: আবদুল গণি

বেলাল উদ্দিন

2

প্রথমিক চিকিৎসক

০১৮১৫১৪৬৭২৪

৭.

শাহ আলম

মতিউল

2

সাহায্যকারী

 

৮.

সজিত বড়ুয়া

 

2

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

 

৯.

ফকিরআহমদ (চৌকিদার)

শহর মুল্লুক

3

সংকেত প্রচার

০১৯৬৫৭৬৭৯৩৭

১০.

ফরিদ আহমদ

 

3

প্রথমিক চিকিৎসক

 

১১.

আবদুল মাজেদ

 

3

সাহায্যকারী

০১৮২৬৬১৫৫৬৭

১২.

পরিশেষ বড়ুয়া

সর্রান্দ সিকদার

4

সংকেত প্রচার

 

১৩.

শাহাজাহান

মৃত্য মিয়া হোসেন

4

প্রথমিক চিকিৎসক

 

১৪.

অনিত বড়ুয়া

সুদির বড়ুয়া

4

সাহায্যকারী

 

১৫.

ফকির আহমদ

শহর মুল্লুক

4

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

 

১৬.

সৈয়দ আহমদ (চৌকিদার)

ফকির আহমদ

5

সংকেত প্রচার

০১৮১৩২৫৬৭৫৯

১৭.

নুরুল আমিন চৌং ভুট্ট

ফিরোজ

5

প্রথমিক চিকিৎসক

০১৮২৮২০০৩৬৭

১৮.

মোজাম্মেল

মৃ- আলী আকবর

5

সাহায্যকারী

০১৮১৫৬৪৬২৫৭

১৯.

মাষ্টার নাছির উদ্দিন

রশিদ আহমদ

5

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

০১৮১৪৮৯৬৭৮৯

২০.

শাহাজাহান

আশরাফ মিয়া

6

সংকেত প্রচার

 

২১.

আবু রাশেদ

ছৈয়দ আহমদ

6

প্রথমিক চিকিৎসক

০১৮১৫৮১০৪৫৩

২২.

মৌ: ফকির আহমদ

রশিদ আহমদ

6

সাহায্যকারী

 

২৩.

সিরাজুল কবির

মৃ-আব্দুল খাইর

6

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

 

২৪.

আবদুস শুক্কুর

আজির হোসেন

7

সংকেত প্রচার

 

২৫.

হাজী আবু তাহের

মৃ- সুলতান

7

প্রথমিক চিকিৎসক

০১৮১৯৫১৯৪৮৭

২৬.

নুর আহমদ

সোলতান মিয়া

7

সাহায্যকারী

০১৮২৯৬১১৮৯৫

২৭.

বশির আহমদ

মোজাহের মিয়া

7

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

০১৮১৮৭৮২৫৯৯

২৮.

সাহাব উদ্দিন

মৃ - গুরামিয়া

8

সংকেত প্রচার

০১৮২৯৮৬৫৭৭

২৯.

শাহা আলম

মৃ- ফজলুল করিম

8

প্রথমিক চিকিৎসক

০১৮১২৮০২৪৫৮

৩০.

বোরহান উদ্দিন

মৃ- নুরুল ইসলাম

8

সাহায্যকারী

০১৮২৪৮৫৫৯৪৬

৩১.

সজিত বড়ুয়া

কমল কান্তি বড়ুয়া

8

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

০১৮১৪২৭৯৬২৩

৩২.

মোস্তাফা বাবুল

আনু মিয়া

9

সংকেত প্রচার

০১৮৫৫২৩৩৫৩৫

৩৩.

বাদশা মিয়া

আবদুস সালাম

9

প্রথমিক চিকিৎসক

 

৩৪.

মনজুল আলম

শামশু আলম

9

সাহায্য কারী

 

৩৫.

ওবাইদুল হক

ফকির আহমদ

9

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

০১৮৪০৮৭৯৭

হলদিয়াপালং ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকদের তালিকা

 

ক্রমিক

নাম

পিতার/স্বামীর  নাম

ওয়ার্ড

প্রশিক্ষন

মোবাইল

১.

আয়েশা বেগম

স্বা: আকতার মিয়া

সংকেত প্রচার

০১৮৩৪২৯০১২৯

২.

আরেফা বেগম

নছুর আলী

প্রথমিক চিকিৎসক

০১৮৩০৬৬৭৬৭৮

৩.

আবদুল গফুর

মো: রশিদ

সাহায্যকারী

০১৯২২৬৯৬২২৬

৪.

জ্যোস্না আরা বেগম

আমিনুল হক তহসিলদার

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

০১৮৩৮০২৭৪৮০

৫.

রেwজয়v রাব্বি

আলী আকবর বাঙ্গালী

সংকেত প্রচার

০১৮৩০৪৭৫১৪৪

৬.

সায়েব মো: জহির

ফরিদ আহমদ সও:

প্রথমিক চিকিৎসক

০১৮১২৫৫৪১৫২

৭.

রাবেয়া বেগম

করিম উলস্নাহ

সাহায্যকারী

০১৮২৮৭০১০৩৭

৮.

ছেনুয়ারা বেগম

জামান উদ্দীন

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

০১৮৩১০৮৬৮৩০

৯.

আবুল কালাম

রশিদ আহমদ

সংকেত প্রচার

০১৮২৬৩০৬৬০৩

১০.

খুশিদা বেগম

মেহের আলী

প্রথমিক চিকিৎসক

০১৮২৬৩০৬৬০৩

১১.

নুর আহমদ

মোক্তার মিয়া

সাহায্য কারী

 

১২.

মোজাম্মেল

হাসমত আলী

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

 

১৩.

রাজিয়া বেগম

পিং- কালা মিয়া

সংকেত প্রচার

০১৮৪৬১০২২৫০

১৪.

লাইলা বেগম

পিং- আবদুল গফুর

প্রথমিক চিকিৎসক

০১৮৩০৫৯০৫৭৪

১৫.

হাবিবুল রহমান

মেহের আলী

সাহায্যকারী

০১৮৩০৬৬৭২৩৪

১৬.

আমিন মোহাম্মদ

মুত: সৈয়দ আমদ

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

০১৮৩৬২৪২৯৪০

১৭.

আজিজুল হক

নুরম্নল হকু

সংকেত প্রচার

০১৮২৫৭০৮৯২৬

১৮.

মো: জাহাঙ্গীর

মৃত বাচা মিয়া

প্রথমিক চিকিৎসক

০১৮২৯৭৭৫৯১৫

১৯.

ছেনু আরা বেগম

মাহমুদুল হক

সাহায্যকারী

০১৮৩০৬৬৭৫৮৮

২০.

মনোয়ারা বেগম

শাহা আলম

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

০১৮৩৬১০৭১৮৬

২১.

পারভিন আকতার

নুরুল হাকিম

সংকেত প্রচার

 

২২.

বদিউজ্জামান

মৃত শামশুল আলম

প্রথমিক চিকিৎসক

 

২৩.

ছেনুয়ারা বেগম

মো: ইউনুছ

সাহায্য কারী

 

২৪.

গোলকাজ বেগম

মো: আলী

প্রথমিক চিকিৎসক

০১৮৩৯০৩৭৯০৬

২৫.

জালাল উদ্দীন

আবুল কালাম

সাহায্যকারী

০১৮২৬৬৬৪২১৪

২৬.

মো: সেলিম

মৃত মো: সাবিবর

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

০১৮৩২৯৪১১১৯

২৭.

নয়না বড়ুয়া

প্রবীণ বড়ুয়া

সংকেত প্রচার

০১৮৩০৪৭৬৪০৪

২৮.

জুলেখা  বেগম

শামশুল আলম

 

 

২৯.

কাজল বড়ুয়া

অমূল্য বড়ুয়া

প্রথমিক চিকিৎসক

০১৮১২৭১১৫৫২

৩০.

সজল শর্মা

ডা: বিধু শর্মা

সাহায্যকারী

০১৮২৮০৩৮১৯২

৩১.

লাকী শর্মা

সোনাধন শর্মা

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

০১৮১৭৭০৪৪৩১

৩২.

মোর্শেদুল হক ভুট্রো

এজাহারম্নল হক

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

০১৮২৬৬১৫৬৩৮

৩৩.

আনজুমান আরা

মো: হোছন

সংকেত প্রচার

০১৮৪৫৬৬৬১১৮

৩৪.

কামাল উদ্দীন

নজির আহমদ

প্রথমিক চিকিৎসক

০১৮৫০৬৪৭২০৮

৩৫.

শাহানা বেগম

নুরম্নল বশর

সাহায্যকারী

 

 

 

 

রাজাপালং ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকদের তালিকা

 

ক্রমিক

নাম

পিতার/স্বামীর  নাম

ওয়ার্ড

প্রশিক্ষন

মোবাইল

১.

শামশুল আলম চৌকিদার

কবির আহমদ

সংকেত প্রচার

০১৮২৯৭৭৬৪৩২

২.

সুমন বড়ুয়া                 

ত্রাণহান বড়ুয়া

প্রথমিক চিকিৎসক

০১৮১৬৪৬৯৭৫৪

৩.

মিঠু বড়ুয়া

সুবধন বড়ুয়া

সাহায্যকারী

০১৮২০১১৯৬৬২

৪.

রায়মোহন বড়ুয়া

মৃত বেরতা বড়ুয়া

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

০১৮১২৬০৮৩৩০

৫.

বাবুল মিয়া

ঠান্ডা মিয়া

সংকেত প্রচার

০১৮১৪১২০৬৮০

৬.

খাইরম্নল আলম

মো: আলী

প্রথমিক চিকিৎসক

০১৮১৮১৩৯১৭

৭.

টিপু

মো: আলী

সাহায্যকারী

০১৮১২৯৪৫৫৮৮

৮.

রাশেল ঘোষ

মৃত গৌরাঙ্গ

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

০১৮১৫৩৫৫৭৯০

৯.

আবদুল মনজুর চৌকিদার

 

সংকেত প্রচার

০১৮১৬০০৭৭৭০

১০.

জমির উদ্দনি

নুর আহমদ

প্রথমিক চিকিৎসক

০১৮১১৮২১৬৩৩

১১.

সাইফুল ইসলাম

এজাহার মিয়া

সাহায্যকারী

০১৮১৭৭৪৮৪৮৩

১২.

নুরম্নল আমিন

সুলতান

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

০১৮১৪৮১৪৮১১

১৩.

আবদুস সালাম

আলী আকবর

সংকেত প্রচার

০১৮২৪৪০২৭৩৩

১৪.

ছৈয়দ নুর

মৃত মীর কাসেম

প্রথমিক চিকিৎসক

০১৮১৬৪৬৯৭৫৪

১৫.

আলী আহমদ

মৃতআলি বকসু

সাহায্যকারী

০১৮১৪৭২৫৬৮০

১৬.

নুর আহমদ

কবির আহমদ

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

 

১৭.

নুর মোহাম্মদ চৌকিদার

মৃতউমর মিয়া

সংকেত প্রচার

০১৮১৫৮৪৬১৭৫

১৮.

শফিউল

আমির হামজা

প্রথমিক চিকিৎসক

০১৮৩৭১৯৫৬৫১

১৯.

আজিজুল হক

নুরম্নল হক

সাহায্যকারী

০১৮২০০৬৯৪৩২

২০.

কাহা আলম

মীর আহমদ

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

০১৮২৪৪০২৬৪৭

২১.

নুরম্নল ইসলাম

আবদু জোনাব

সংকেত প্রচার

 

২২.

বশির আহমদ

মো: নাছির

প্রথমিক চিকিৎসক

 

২৩.

নুরম্নল আলম

মৃততৈয়ম গোলাম

সাহায্যকারী

 

২৪.

ছৈয়দ আকবর

মৃত বদিউল আলম

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

 

২৫.

মো: আলী চৌকিদার

নুর মোহাম্মদ চৌকিদার

সংকেত প্রচার

০১৮১৬৬৪৬৮৮৭৬

২৬.

রাশেদ উদ্দীন সুজন

আবদুল আলম

প্রথমিক চিকিৎসক

০১৮১৪৮১৪০৯১

২৭.

আনোয়ার ইসলাম

সবিবর আহমদ

সাহায্যকারী

০১৮১২৬০৯১৮৩

২৮.

শাহজাহান

ছৈয়দ আহমদ

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

 

২৯.

জালাল আহমদ

মৃতনজির আহমদ

সংকেত প্রচার

 

৩০.

দেলোয়ার

কবির আহমদ

প্রথমিক চিকিৎসক

০১৮১১৩৪৩৬

৩১.

গফুর আলম সও:

মৃতজাকের হোছেন

সাহায্যকারী

০১৮১৯৩৫৯৯৪০

৩২.

জাফর আলম সও:

মৃতসোলাইমান

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

০১৮৪০১২০০৪৩

৩৩.

জাফর আলম

মৃত ছৈয়দ

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

 

৩৪.

আবদুল আজিজ

আলী আহমদ

সংকেত প্রচার

০১৮১৫০১২৩৩০

৩৫.

নুরম্নল হক

হাজী আবদুস সালাম

প্রথমিক চিকিৎসক

০১৮১৫০৪৭৪৭৮

৩৬.

আবুল হোসেন

হাছু মিয়া

সাহায্যকারী

০১৮৩১১৯৬৪৬৯

 

 

 

                                        পালংখালী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকদের তালিকা

 

ক্রমিক

নাম

পিতার/স্বামীর  নাম

ওয়ার্ড

প্রশিক্ষন

মোবাইল

১.

নুরম্নলআমিন

আবুল বশর

সংকেত প্রচার

০১৮৩০৭৮০০০৮

২.

নুর জাহান

আবুল কাশেম

প্রথমিক চিকিৎসক

০১৭১০২৯৫৪৩৩

৩.

রাহমত উল্লাহ

আবুল কাশেম

সাহায্যকারী

০১৮৩৬৩৮০৪৯৯

৪.

শাহিনা আকতার

স্বা: দিদারুল আলম

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

০১৮২২২৪১৮৪৫

৫.

সাবেকুর রাহার

পিং- আবদুর রহমান

সংকেত প্রচার

০১৮৪০৬৩১৬৮৭

৬.

কলিম উল্লাহ

আবদুল হক

প্রথমিক চিকিৎসক

০১৮২২৩২৪৬৭৫

৭.

রোজিনা আকতার

সিরাজুল হক

সাহায্যকারী

 

৮.

আবু  তৈয়ুব

আব্দু শুক্কুর

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

০১৮২৯৬০৮৪৭৩

৯.

সোলতান আহমদ

কবির আহমদ

সংকেত প্রচার

০১৮৩২৪৬৬৮৫৫

১০.

ছাবেকুন নাহার

মো: আবদুল্লাহ

প্রথমিক চিকিৎসক

   -

১১.

মো: সেলিম

আবদুল হামিদ

সাহায্যকারী

০১৮৩১৮৫৮১৮০

১২.

তৈয়ুবা বেগম

সুলতান আহমদ

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

 ০১৮১৮০০৯০৬৩

১৩.

নুর নাহার বেগম

নজু মিয়া

সংকেত প্রচার

০১৮১৪২৬৫৬৫৪

১৪.

এজাহার মিয়া

মৃত সুলতান আহমদ

প্রথমিক চিকিৎসক

  --

১৫.

ছেনুয়ারা বেগম

এজাহার মিয়া

সাহায্যকারী

০১৮২০৩৩৬১২০

১৬.

জানে আলম

মৃত শফিক ইসলাম

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

০১৮১৬৫৫৪৪০৩

১৭.

নুরম্নল হক

আলী মিয়া

সংকেত প্রচার

০১৮২৯৬৫৪৮৪৩

১৮.

খতিজা বেগম

মৃত গোলাম হোছেন

প্রথমিক চিকিৎসক

  --

১৯.

শিউলি আকতার

নুর মোহাম্মদ

সাহায্যকারী

 ০১৮৪০৩২৬০২৪

২০.

নুরুল আমিন

কোরবান আলী

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

০১৮৩৪৮৭৮৯৭৬

২১.

ছমুদা বেগম

ছালেহ আহমদ

সংকেত প্রচার

০১৮১৩৮০৩২৮৯

২২.

নুর আহমদ

আজু মিয়া

প্রথমিক চিকিৎসক

 

২৩.

মং থো এ

মংলা থাই

সাহায্যকারী

 

২৪.

সুফিয়া বেগম

আবদু শুক্কুর

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

 

২৫.

হাসিনা আকতার

আবদুল হামিদ

সংকেত প্রচার

০১৮২৬৩০৬৭৮৫

২৬.

হেলাল উদ্দিন

আবুল মনজুর

প্রথমিক চিকিৎসক

০১৮১৭২৬৮৬১৩

২৭.

ছলিমা আকতার

আবুল বশর

সাহায্যকারী

০১৮১৯৭৭৬৩২০

২৮.

রবি উল্লাহ

সৈয়দুল ইসলাম

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

০১৮২৪৬৭৭৫৭৮

২৯.

মোস্তাক মিয়া

আলী মদন

সংকেত প্রচার

০১৮১১৯১২৮৩৪

৩০.

শাকেরা বেগম

মো: আলম

প্রথমিক চিকিৎসক

০১৮১৮০৬৭৯০৮

৩১.

শাকের আলম

শহর আলী

সাহায্যকারী

০১৮২৪৬৯২৮৪৭

৩২.

নুর জাহান

সগির আহাম্মদ

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

০১৮১৬৬৩৫৫৬৪

৩৩.

শামশুদ্দিন

আব্দু জলিল

আশ্রয় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা

০১৮২৮০৯০৯৪৯

৩৪.

খাইরুল আমিন

এমদাদুল হক

সংকেত প্রচার

০১৮২৫৯২৯৭৫৪

৩৫.

হুমাইয়রা বেগম

শামশুল আলম

প্রথমিক চিকিৎসক

০১৮১২৯৪৪১৭৭

৩৬.

রেহেনা আকতার

আলী হোছন

সাহায্যকারী

০১৮১৫১১৪৮১৪

সংযুক্তি

 

আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা কমিটির তালিকা

 

ü      স্কুল কাম শেল্টারt৩১ টি

আশ্রয়কেন্দ্রের নাম

দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি

মোবাইল

মন্তব্য

জালিয়াপালং সরকারি প্রা: বিদ্যালয়  (জালিয়াপালং ১ নং ওয়ার্ড)

শাহ আলম (প্রধান শিক্ষক)

০১৮১৫৫৯৩৪২৯

 

সোনারপাড়া সরকারি প্রা: বিদ্যালয়  (জালিয়াপালং ৩ নং ওয়ার্ড)

ছৈয়দ কাসেম (প্রধান শিক্ষক)

০১৮১৯৯৭৪২৩৪

নিদানিয়া সরকারি প্রা: বিদ্যালয়  (জালিয়াপালং ৫ নং ওয়ার্ড)

বেলাল উদ্দিন (প্রধান শিক্ষক)

০১৮১২৪৩১২৯৪

ইনানী সরকারি প্রা: বিদ্যালয়  (জালিয়াপালং ৬নং ওয়ার্ড)

মো: নুজরুল ইসলাম (প্রধান শিক্ষক)

০১৮১৮৮৯৮৮৮৪

ডেইলপাড়া সরকারি প্রা: বিদ্যালয়  (জালিয়াপালং ৪ নং ওয়ার্ড)

আবু তাহের (প্রধান শিক্ষক)

০১৮১৭৭২৩৩৬৯

চোয়াংখালী সরকারি প্রা: বিদ্যালয়  (জালিয়াপালং ৮ নং ওয়ার্ড)

জমির উদ্দিন (প্রধান শিক্ষক)

০১৮১৮৪৬৪৯৯২

ছেপটখালী সরকারি প্রা: বিদ্যালয়  (জালিয়াপালং ৯ নং ওয়ার্ড)

আবদুল মাজেদ (প্রধান শিক্ষক)

০১৮২৩৬৯২৯২৪

মনখালী সরকারি প্রা: বিদ্যালয়  (জালিয়াপালং ৯ নং ওয়ার্ড)

নুরুল হক (প্রধান শিক্ষক)

০১৮১৫৬২১৫৫১

লম্বরীপাড়া সরকারি প্রা: বিদ্যালয়  (জালিয়াপালং ২ নং ওয়ার্ড)

মতূজা বেগম (প্রধান শিক্ষক)

০১৭৩৮৯৮৯০৯১

সোনাইছড়ি সরকারি প্রা: বিদ্যালয়  (জালিয়াপালং ২নং ওয়ার্ড)

নুরম্নলআবছার (প্রধান শিক্ষক)

০১৮১৩৯০৯৪৫৯

মাদার বনিয়া সরকারি প্রা: বিদ্যালয়  (জালিয়াপালং ৮ নং ওয়ার্ড)

ছেমন বাহার (প্রধান শিক্ষক)

০১৭৪৫৬৬২৫৯৯

গয়ালমারা সরকারী প্রা: বিদ্যালয়

(রত্নাপালং- ৬নং ও য়ার্ড)

হাবিবুর রহমান (প্রধান শিক্ষক)

০১৮১৪১১১৩৬০

থিমছড়ি সরকারী প্রা: বিদ্যালয়

(রত্নাপালং- ৩নং ওয়ার্ড)

কামাল উদ্দিন (প্রধান শিক্ষক)

০১৮১৮৯৫৬০৩০

আমতলী সরকারী প্রা: বিদ্যালয়

(রত্নাপালং-৪ নং ওয়ার্ড)

টটি বড়ুয়া(প্রধান শিক্ষক)

০১৮১২৯১৮৩০৬

নলবনিয়া সরকারী প্রা: বিদ্যা:কাম সাইক্লোন সেল্টার(হলদিয়াপালং – ৬নং ওয়ার্ড)

মনোজ বড়ুয়া ( প্রধান শিÿক)

০১৮১২৫৮০০৬১

 

 

মরিচ্যা সরকারী প্রা: বিদ্যাকাম সাইক্লোন সেল্টার(হলদিয়াপালং – ১নং ওয়ার্ড)

জহিরম্নল হক

০১৮১৬৬০৮২৮৮

পাগলির বিল সরকারী প্রা: বিদ্যাকাম সাইক্লোন সেল্টার(হলদিয়াপালং – ২নং ওয়ার্ড)

সাবেকুন নাহার ( প্রধান শিÿক)

০১৭১০১০৮৯৫৫

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

রুমখা পালং সরকারী প্রা: বি:কাম সাইক্লোন সেল্টার(হলদিয়াপালং – ৯নং ওয়ার্ড)

আলহাজ্ব মো রফিক-এমউপি-৯নং ওয়ার্ড

০১৮১৪৩৭১৫৪৭

 কামাল উদ্দিন(প্রধান শিক্ষক)

০১৮২৬৩০৫৯৩৬

উখিয়া মডেল সরকারী প্রা: বিদ্যালয়  (রাজাপালং ইউনিয়ন-৫ নং ওয়ার্ড)

হারম্ননুর রশিদ (প্রধান শিক্ষক)

০১৮১৮১৪২২৬১

ডেইল পাড়া সরকারী প্রা: বিদ্যালয় (রাজাপালং ইউনিয়ন-৭ নং ওয়ার্ড)

আবদুল হাকিম

০১৮১৫১৫২৪৬০

খয়রাতি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়(রাজাপালং ইউনিয়ন- ৩নং ওয়ার্ড)

নুরম্নল আলম

০১৮১৮৯৬৪৭৭৪

চাকবৈঠা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় (রাজাপালং ইউনিয়ন- ৪ নং ওয়ার্ড)

নাছিমা আকতার

০১৮১২৪৩০৫৮২

পূর্ব ডিগলিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় (রাজাপালং ইউনিয়ন- ৪নং ওয়ার্ড)

ছৈয়দ করিম

০১৮১৮৬৭১৮১৪

মধ্য রাজা পালং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় (রাজাপালং ইউনিয়ন- ২নং ওয়ার্ড)

আজিজুল হক

০১৯১২৫০৪৩৫৬

কুতুপালং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় (রাজাপালং ইউনিয়ন- ৯নং ওয়ার্ড)

ঝুমঝুম নাহার

০১৮৩০১৯১২৯১

বালুখালী সরকারী প্রা: বিদ্যালয়  (পালংখালী ইউনিয়ন-1 নং ওয়ার্ড)

সৈয়দ আলম

০১৮১১-২৭৪৪৮৭

রহমতের বিল সরকারী প্রা: বিদ্যালয় (পালংখালী ইউনিয়ন-৩ নং ওয়ার্ড)

কামাল উদ্দিন

০১৮১৫-৮১০৩২৬

আনজুমানপাড়া সরকারী প্রা: বিদ্যালয় (পালংখালী ইউনিয়ন-9 নং ওয়ার্ড)

নজরুল ইসলাম

০১৮৪৯-৯০৮৬২৮

ফারিরবিল সরকারী প্রা: বিদ্যালয়

হেলাল উদ্দিন

০১৮১৫-৬০৫৪৪৩

দ: বালুখালী লতিফুন্নছা সরকারী প্রা: বিদ্যালয়   

শাহজাহান

০১৮৪০১৪৭৫০৮

 

 

ü    সরকারী/বেসরকারী প্রতিষ্ঠানঃ  ৯টি

 

আশ্রয়কেন্দ্রের নাম

দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি

মোবাইল

মন্তব্য

উখিয়া ডিগ্রী কলেজ

জনাব আবদুল হক

০১৮১৭৭৫৪৩০০

 

উখিয়া বালিকা বিদ্যালয়

জনাবা রোকিয়া খানম

০১৮১৯৮০৩০৪৫

উখিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়

জনাব আবুল হোসেন সিরাজি

০১৮১৮১৯৫৫৯১

পালং আদর্শ উচ্চ বিদ্যায়

জনাব নুরম্নল হক

০১৮১৬০৮৮৫০৮

পালং খালী উচ্চ বিদ্যালয়

জনাব আবুল হাসেম

০১৮১৩৮৪৬৩৭৯

মুক্তি যোদ্ধা উচ্চ বিদ্যালয়

জনাবা সুলতানা রাজিয়া

০১৮১২৭২৩০৯৮

রাজাপালং একেসি চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়

জানব আলমগীর কবির

০১৮১৯৫১৯৪৫৭

ভালুকিয়া পালং উচ্চ বিদ্যালয়

জনাব লিয়াকত আলী

০১৮১৬০২৪৭০৬

সোনারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়

জনাব শফিউল করিম

০১৮১৮৯৮৪৪৫৮

 

 

উঁচু রাস্তা বা বাঁধ

 

আশ্রয় কেন্দ্রের নাম

দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি

মোবাইল নম্বর

বেড়ীবাঁধ

জনাব আনেয়ার হোছাইন চৌধুরী, চেয়ারম্যান-১নং জালিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদ

০১৮১৭ ০১৭২৬৩

জনাব এম. গফুর উদ্দিন চৌধুরী, চেয়ারম্যান-৫নং পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদ

০১৮১৯ ০৩৫৮৭৬

জনাব নুরম্নল কবির চৌধুরী, চেয়ারম্যান-২নং রত্নাপালং ইউনিয়ন পরিষদ

০১৮২৬ ৩০৬০৮০

জনাব জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী, চেয়ারম্যান-৪নং রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদ

০১৮১১৯৬০৮৩৩০

 

স্বাস্থ্যব্যবস্থাপনা কমিটি

 

স্বাস্থ্য কেন্দ্রের নাম

দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি

মোবাইল

উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্স

ডা: এস.এম. আবু সাঈদ

০১৮১৮১২৬৩২২

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র

ডা: নাজমুল হাসান

০১৭১১৪৬৬৫২৩

জালিয়াপালং ইউনিয়ন উপ- স্বাস্থ্যকেন্দ্র- ইনানী

কাজল কান্তি দে (চাকমো)

০১৮১২৬১১০২২

জালিয়াপালং ইউনিয়ন পাইন্যাশিয়া কমিউনিটি ক্লিনিক

মহসিনা  শারমিন

০১৮৩২৪৯৯৪১২

জালিয়াপালং সোনাপাড়া  কমিউনিটি ক্লিনিক

আবদুল হাকিম (সিএইচসিwপ)

০১৮১৪৮১১৪৩০

রত্নাপালং ইউনিয়ন  কোটবাজার কমিউনিটি ক্লিনিক

জিয়াবুল হক

০১৮১৪৯৪৪৩৯১

রত্নাপালং ইউনিয়ন  রুহুলস্নার ডেবা কমিউনিটি ক্লিনিক

মমতাজ বেগম

০১৮১৫৯৫৬৬৪৬

হলদিয়াপালং ইউনিয়ন উপ- স্বাস্থ্যকেন্দ্র

আবদু সালাম

০১৮১৯৬৩৮৪৮৯

হলদিয়াপালং মহাজন পাড়া কমিউনিটি ক্লিনিক

তছলিমা বেগম

০১৯২৪১১৬৮৬৮

হলদিয়াপালং পাগলির বিল কমিউনিটি ক্লিনিক

আবদুল খালেক

০১৮১৭৭৩০১৩৯

হলদিয়াপালং দক্ষিণ  হলদিয়া কমিউনিটি ক্লিনিক

আবু তাহের হেলালী

০১৮১৭০৭১৮৯১

রাজাপালং ইউনিয়ন কুতুপালং কমিউনিটি ক্লিনিক

অজিত কুমার

০১৮১৮৯১৬৫০

রাজাপালং ইউনিয়ন হাতিমুরা কমিউনিটি ক্লিনিক

হালিমা বেগম

০১৮১৯১৩০৩৩১

রাজাপালং ইউনিয়ন উত্তর পুকুরিয়া কমিউনিটি ক্লিনিক

মোজ্জামেল হক

০১৮১৪৭৭৪৪২১

পালংখালী  ইউনিয়ন উপ- স্বাস্থ্যকেন্দ্র

নারায়ন চন্দ্র নাথ

০১৮১১২০৮৩৭৯

পালংখালী নলবনিয়া কমিউনিটি ক্লিনিক

রফিকুল হাসান

০১৮১৮১৪৫৮১৪

 

অগ্নি নিরাপত্তা কমিটি

 

ফায়ার স্টেশনেরনাম

দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি

মোবাইল

মন্তব্য

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম

০৩৪২৭-৫৬০০১

 

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উখিয়া থানা

মো: জাহেদুল আলম

০৩৪২৭-৫৬১০৩

 

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা

মো: শফিউল আলম

০১৮৩৪৩৭৯২৭৭

 

চেয়ারম্যন রাজাপালং ইউনিয়ন

জাহাঙ্গীর কবির চোধুরী

‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌

 

 

ü     গাড়ী /ইঞ্জিন চালিত নৌকাঃ

 

ইউনিয়ন

দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি

মোবাইল

মন্তব্য

জালিয়াপালং

মো: শাহ আলম

০১৮১১৯৭৬২২৯

জীপ গাড়ীর মালিক

 

 

 

রত্নাপালং

সেলিম কোং

০১৯২০৭৩৪৭১২

ট্রাক / পিকাপ গাড়ীর মালিক

ফারম্নক কোং

০১৮১৬৮২৪৬৭৬

গফুর কোং

০১৮১৩৯৪৬৩৯৩

 

ট্রাক গাড়ীর মালিক

গিয়াস উদ্দীন কোং

০১৯৪৫৪৪৬১৩০

আবুল হোসেন কোং

০১৯৩৪৬৮০৮১৬

নাছির কোং

০১৮৬২৪৩০১৭০

মাইক্রো গাড়ীর মালিক

সুমন বড়ুয়া

০১৮১৯৫১৯৪৬২

জীপ গাড়ীর মালিক

 

হলদিয়াপালং

মো: ইউনুছ কোং

০১৮৩৩৭১৮৬৭০

ট্রাক / পিকাপ গাড়ীর মালিক

ফয়েজ কোং

০১৮১৫৬২৭৮৫৫

মোজাহের কোং

০১৮১১৪২৪২৪

মো: জাহেদ        

০১৮১১৫৯০০৮০

সী-লাইন গাড়ীর এমডি

গাহাব উদ্দীন

০১৮১৮৫৬৭৩৫২

জীপ গাড়ীর মালিক

মো: শাহ আলম

০১৮১২৩৬৫২১৫

রাজাপালং

 

বেলাল উদ্দীন

০১৮১২৭৬৮২৫০

কক্স লাইন গাড়ীর মালিক

মো: নুরল আলম

০১৮১৫৬২৬৬০৯

মাইক্রো গাড়ীর মালিক

 

সিরাজ কবির

০১৮৯১৯০৬৩২৮৩

মো: কায়েস

০১৮২৭৭১৪৫৪৮

পালংখালী

আবদুল আলী

০১৮১৪৯৫৪৬৩১

জীপ গাড়ীর মালিক

 

স্থানীয় ব্যবসায়ীঃ

 

ইউনিয়নের নাম

স্থানীয় ব্যবসায়ীর নাম

মোবাইল

মন্তব্য

জালিয়াপালং

জনাব গিয়াস উদ্দিন  সও:

০১৮১৭২০১২১৫

 

জনাব শাহ আলম সও

০১৮১৭৭৪১৩১৩

 

রহমত উলস্নাহ

০১৮৪৩৭২৩২১১

তেলের দোকান

ছৈয়দ আহমদ

০১৮২৩৩৬৪৫৫২

চাউলের দোকান

 

 

 

 

 

রত্নাপালং

জাফর সওদাগর

০১৮১৬৮২৭৮৪৪

 

 

 

মুদির দোকান

 

রফিক সওদাগর

 

কামাল উদ্দীন

০১৮৪০০০২৭৪১

গিয়াস উদ্দীন

০১৮২৫৫৮২৫৭

কামাল স্ওদাগর

০১৮১৮০৫৫৭১৬

মান্নান স্ওদাগর

০১৮১৯৬৯৮৫৬৬

জসিম উদ্দীন

০১৮৫৫৭৪৫৮২১

রহমান 

০১৮২২৩২৬১২৭

 

চাউলের দোকান

মাহমুদল হক

০১৮৩৫১০২০৭৭

আবদুল হাকিম

০১৬৮৬১৫৫০৯৮

মোবারক

০১৮১৯৬১৭৬৯৬

ঔষধের দোকান

আবদুল গফুর

০১৮১৩৯৪৬৩৯৩

খাবার হোটেল

মোবারক

০১৮১৯৬১৭৬৯৬

মুদির দোকান

 

আলমগীর

০১৬১৯৭০৭৪২৬

 

হলদিয়াপালং

বাবুল সওদাগর

০১৮২০১৮৫২৮৫

 

আবদুল গফুর সওদাগর

০১৮১৫৩৫৯৩১৩

 

মো: শরিফ আহমদ

০১৯২৫৫১৩৭৬৮

 

কফিল উদ্দিন

০১৮১৪৮১৩৮৫৪

 

জাফর সওদাগর

০১৮১১৭০৭৬৭৬

 

 

রাজাপালং

কবির আহমদ ( সভাপতি )

০১৮১৯১৩১১৩

 

বণিক মালিক সমিতি

আহমদ কবির ( সম্পাদক )

০১৮১৮০৫৫৬৬৩

শামশুল উদ্দীন চৌধুরী

০১৮২৯৬০৮৩

ফরিদ আলম

০১৮১৫৬৪৬২৫২

জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী

০১৮১৯৬০৮৩৩০

রাজাপালং চেয়ারম্যান

পালংখালী

মোসত্মাক আহমদ

০১৮১৫৬৭৪২১৫

 

কামাল উদ্দীন

 

 

আবদুল জলিল

০১৮১৬১২০৫৪৮

 

 

 

 

 

সংযুক্তি-৫

 

একনজরে উখিয়া উপজেলা পরিষদ

 

বিবরণ

সংখ্যা

 

বিবরণ

সংখ্যা

আয়তন

২৬১.৮০বর্গ কি.মি.

ঈদগাঁহ

নাই

ইউনিয়ন/উপজেলা

৫ টি

ব্যাংক

৭টি

মৌজা

১৩ টি

পোস্ট অফিস

৬টি

গ্রাম

১৩৭টি

ক্লাব

১৪টি

পরিবার

৩৭,৯৪০টি

হাট বাজার

১২টি

মোট জনসংখ্যা

২,০৭,৩৭৯জন

কবরস্থান

১৭৫টি

পুরুষ

১,০৪,৫৬৭জন

 

 

 

শ্মশান ঘাট

২৮টি

মহিলা

১,০২,৮১২জন

গভীর নলকূপ

১৩৯৫টি

সরকারী প্রাথ:বিদ্যালয়

৭৬ টি

অগভীর নলকূপ

১৪০১টি

মাধ্যমিক বিদ্যালয়

১৪ টি

হস্ত চালিত নলকূপ

নাই

কলেজ

৩টি

শ্যালো মেশিন

২৩০টি

মাদ্রাসা

১৩টি

মসজিদ

৩৮৮টি

কিন্ডার গার্টেন স্কুল

১৬টি

মন্দির

১৯টি

এবতাদিয়া মাদ্রসা

১৬টি

ক্যাং

৩৫টি

এতিম খানা

৯টি

নদী

১টি

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেস্নক্স

১টি

খাল

১৩টি

ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র

৪টি

বিল

১৭ টি

কমিউনিটি ক্লিনিক

১৫টি

হাওড়

না্ই

বাঁধ

৩টি

পুকুর

১৩০টি

স্লুইচ গেট

২টি

জলাশয়

নাই

ব্রীজ

২১২টি

কাঁচা রাস্তা

৪১৭কি:মি:

কালভার্ট

৪২১টি

পাকা রাস্তা

৯৭.৫কি:মি:

মোবাইল টাওয়ার

৪১টি

HBB রাস্তা

২২৫কি:মি:

খেলার মাঠ

২৫টি

আবাসিক হোটেল

১০টি

আশ্রয়ন প্রকল্প

৪টি

ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র

৩১ টি

দর্শণীয় স্থান (ইনানী সৈকত ও পাতাবাড়ী বৌদ্ধ বিহার)

২টি

হ্যাচারী

২৯টি

তহশীল অফিস

৪টি

 

খাদ্য গুদাম

৫টি

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

                                                                        সংযুক্তি - ৬

 

বাংলাদেশ বেতারে প্রচারিত কয়েকটি গুরম্নত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানসূচী

 

বেতার কেন্দ্র

অনুষ্ঠানের নাম

সময়

বার

ঢাকা- ক

কৃষি সমাচার

সকাল ৬.৫৫-৭.০০

প্রতিদিন

 

সুখের ঠিকানা

সকাল ৭.২৫-৭.৩০

প্রতিদিন

 

স্বাস্থ্যই সুখের মূল

সকাল ১১.৩০-১২.০০

শুক্রবার বাদে প্রতিদিন

 

সোনালী ফসল

সন্ধ্যা ০৬০৫.০৬.৩৫

প্রতিদিন

 

আবহাওয়া বার্তা

সন্ধ্যা ০৬.৫০-০৭.০০ প্রতিদিন

প্রতিদিন

চট্রগ্রাম

কৃষিকথা

সকাল ০৬.৫৫-০৭.০০

প্রতিদিন

 

কৃষি খামার

সন্ধ্যা ০৬.১০-০৬.৫০

সোমবার বাদে প্রতিদিন

 

সুখী সংসার

রাত ০৮.১০-০৮.৩০

শুক্রবারবাদে প্রতিদিন

রাজশাহী

ক্ষেত খামার সমাচার

সকাল ০৬.৫৫-০৭.০০

প্রতিদিন

 

সবুজ বাংলা

সন্ধ্যা ০৬.০৫-০৬.৫০

প্রতিদিন

খুলনা

স্বাস্থ্য তথ্য

সকাল ০৬.৫৫-০৭.০০

প্রতিদিন

 

কৃষি সমাচার

বিকেল ০৪.২০-০৪.৩০

প্রতিদিন

 

চাষাবাদ

সন্ধ্যা ০৬.১০-০৬.৫০

প্রতিদিন

রংপুর

সুখের ঠিকানা

সকাল ০৭.২৫-০৭.৩০

প্রতিদিন

 

ক্ষেত খামারে

সন্ধ্যা ০৬.০৫০৬.৩৫

প্রতিদিন

সিলেট

আজকের চাষাবাদ

সকাল ০৬.৫৫-০৭.০০

প্রতিদিন

 

সুখের ঠিকানা

সকাল ০৭.২৫-০৭.৩০

প্রতিদিন

 

শ্যামল সিলেট

সন্ধ্যা ০৬.০৫-০৬.৫০

শুক্রবারবাদে প্রতিদিন

ঠাকুরগাঁও

কিষাণ মাটি দেশ

সন্ধ্যা ০৬.০৫-০৬.২৫

 শনি, সোম ও বুধবার

কক্সবাজার

আজকের কৃষি

বিকেল ০৩.০৭-০৩.১০

প্রতিদিন

 

সোনালী প্রান্তর

বিকেল ০৩.৪০-০৩.৪৫

মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার

বরিশাল

কৃষি কথা

বিকেল ০৩.১৫-০৩.৩০

শনি ও বুধবার বাদে প্রতিদিন

 

ছোট পরিবার

বিকেল ০৩.৩৫-০৩.৫০

সোম, বুধ ও শুক্রবার বাদে প্রতিদিন

রাঙ্গামাটি

জীবনের জন্য

দুপুর ০১.৫০-০১.৫৫

প্রতিদিন

 

খামার বাড়ী

বিকেল ০৩.০৫-০৩.১৫

প্রতিদিন

 

* সন্ধ্যা ৬ঃ৫০ মিনিটে আবহাওয়া বার্তা সকল কেন্দ্র হতে যোগে প্রচারিত হয়।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 
 
 
 
 

ছবি


সংযুক্তি